১৬ টি কুফরি বাক্য যা না জেনে আমরা নিয়মিত বলে থাকি, প্রত্যেক মুসলিমের জেনে রাখা উচিৎ…

১৬ টি কুফরি বাক্য যা আমরা নিয়মিত বলে থাকি, জেনে রাখা উচিৎ প্রত্যেক মুসলিমের!!- না জেনে বুঝে এসব সমাজে প্রচলিত বাক্য আমরা প্রায়ই বলে ফেলি , জেনে নিন সেগুলো …

১. আল্লাহর সাথে হিল্লাও লাগে।

২. তোর মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।

( ফুল চন্দন হিন্দুদের পুজা করার সামগ্রী)

৩. কস্ট করলে কেস্ট মেলে

( কেস্ট হিন্দু দেবির নাম, তাকে পাবার জণ্য কস্ট করছেন?)

৪. মহভারত কি অশুদ্ধ হয়ে গেল?

( মহাভারত একটি উপন্যাস, যা সবসময় অশুদ্ধ)

৫. মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।

( এটি ইসলামের নামে কটূক্তি করা)

৬. লক্ষী ছেলে, লক্ষী মেয়ে, লক্ষী স্ত্রী বলা।

( হিন্দুদের দেব-দেবির নাম লক্ষী তাই ইসলামে এটি হারাম)

৭. কোন ঔষধকে জীবন রক্ষকারী বলা।

( জন্ম- মৃত্য

একমাত্র আল্লাহর হাতে)

৮. দুনিয়াতে কাউকে শাহেনসা বলা।

৯. নির্মল চরিত্র বোঝাতে ধোয়া তুলশি পাতা বলা।

( এটি অনইসলামিক পরিভাষা যা হারাম)

১০. ইয়া খাজাবাবা, ইয়া গাঊস, ইয়া কুতুব ইত্যাদি বলা।

( এটি শির্ক, ইসলামের সবচেয়ে বড় পাপ)

১১. ইয়া আলি, ইয়া রাসুল (সাঃ) বলে ডাকা এবং সাহায্য প্রার্থনা করা (আল্লাহ ছাড়া পৃথীবির কাউকে ডাকা শির্ক)

১২. বিসমিল্লায় গলদ বলা।

( এটি সরাসরি কুফরি)

১৩. মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়া বলা।

( কুফরি বাক্য, সাবধান। )

১৪. মধ্যযুগি বর্বরতা বলা।

( মধ্যযুগ ইসলামের সর্ণযুগ)

১৫. মন ঠিক থাকলে পর্দা লাগে না।

( ইসলাম ধংসকারী মতবাদ)

১৬. নামাজ না পড়লে ঈমান ঠিক আছে বলা।

( ইসলাম থেকে বের করার মূলনিতী। )

এই গুলি অজ্ঞতার কারনে হয়ে থাকে। হে মুসলিম উম্মাহ আসুন আমরা নিজে অতপর নিজের পরিবারকে সচেতন করি, তাদের মাঝে এই গুলি প্রচার করি, আর কত দিন এই অজ্ঞতায় পড়ে থাকবো?

আসুন না একজন আরেকজন কে সচেতন করার জন্য উৎসাহ দেই,

এই বাক্য গুলি আপনি যে কোন ভাবে প্রচার করুন।

হিন্দি সিরিয়ালের প্রযোজকের ১৬ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা…।।

মৃতের নাম সঞ্জয় বৈরাগী। ‘ইশকবাজ’ সিরিয়ালের সুপারভাইজিং প্রযোজক ছিলেন তিনি।

প্রথমে মনে করা হয়েছিল, আচমকাই ১৬ তলার ফ্ল্যাট থেকে পড়ে গিয়েছেন সঞ্জয়। কিন্তু তদন্ত করতে গিয়ে মৃতের হাতে লেখা একটি চিঠি পায় পুলিশ। যাতে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করে যাননি সঞ্জয়। জানিয়েছেন, অর্থাভাবে স্ত্রী ও সন্তানের দায়িত্ব নিতে অপারগ তিনি। তাই মৃত্যুর পথ বেছে নিচ্ছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বাইয়ের মালাড এলাকার সিলিকন পার্ক এলাকায়।

সম্প্রতি পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে হোলি পার্টিতে শামিল হয়েছিলেন সঞ্জয়। শোনা যাচ্ছে, পার্টি থেকে ফেরার পর থেকেই তার সঙ্গে স্ত্রীর মনোমালিন্য চলছিল সঞ্জয়ের। পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েই মনোমালিন্য ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল।

এদিকে সূত্রের খবর, ‘ইশকবাজ’ সিরিয়ালের টিআরপি-ও সম্প্রতি ভাল যাচ্ছে না। এক সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে শোয়ের মূল প্রযোজক গুল খান জানান, সঞ্জয় খুবই দক্ষ কর্মী ছিলেন। গোটা ইউনিটকে প্রায় একাই সামলাতেন। তবে সঞ্জয় তাকে সরাসরি রিপোর্ট করতেন না।

তাই কী কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন, সে বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে এমন একজন দক্ষ কর্মীকে হারানো নিঃসন্দেহে গোটা ইউনিটের পক্ষে একটা বড় ক্ষতি। সঞ্জয়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন গুল।