ইসলাম কি বলে ? ঘুষের টাকায় চাকুরীর, আয় হালাল নাকি হারাম হবে ??

আমরা অনেকেই চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ ব্যবহার করে থাকি। তবে ঘুষের টাকায় হওয়া চাকরির প্রাপ্ত বেতন আমাদের জন্য আদৌও হালাল না হারাম তা নিয়ে অকনেকেই সংশয়ে থাকি। আসুন জেনে নেই ঘুষের টাকায় চাকরির বেতন আপনার জন্য কতটুকু কার্যকরী। ঘুষের টাকার চাকরি, আয় হালাল নাকি হারাম?

প্রথমত ঘুষ দেওয়াটাই হারাম। ঘুষ দেওয়ার পর আপনি যে চাকরিটা নিয়েছেন সেখানে দুইটি বিষয় হতে পারে। একটা হচ্ছে চাকরিটা পাওয়ার জন্য আপনি যোগ্য ছিলেন, কিন্তু ঘুষ না দেওয়ার জন্য চাকরিটা হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ঘুষ দিয়ে চাকরি পেলে আপনার চাকরিটা জায়েজ হবে। কিন্তু ঘুষ দেওয়াটা নাজায়েজ হবে। আবার চাকরির জন্য যোগ্য না হওয়ার পরও যদি ঘুষ দিয়ে চাকরি নেন, তাহলে পুরো জীবনে যা উপার্জন করেছেন তার সবটাই হারাম হবে।

অনেক আযান একসঙ্গে শুনলে জবাব দিতে হবে কীভাবে ?? জেনে নিন !!

আজানের সময় হলে চারদিক থেকে ভেসে আসে আজানের সুর। মিনারে মিনারে আজান। এত আজানের ভিড়ে জবাব দিত হবে কীভাবে ?

মূলত সব আজানের জবাব দেয়াই উত্তম। তবে সব আজানের জবাব দিতে না পারলে সর্বপ্রথম যে আজান শোনা যাবে তার জবাব দিতে হবে। প্রথম আযান নিজ মহল্লায় হোক অথবা অন্য মহল্লায়।

অনেক সময় রেডিও টিভিতে আযান শোনা যায়। তখনও কী জবাব দিতে হবে? শরয়ী বিশেষজ্ঞদের মতামত হলো, হাদীস শরীফে আজানের উত্তর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে তা সরাসরি মুআজ্জিনের থেকে শোনা আজানের বিষয়ে।

নবীজি বলেছেন, যখন তোমরা মুআজ্জিনকে বলতে শুনবে তখন তোমরাও তার অনুরুপ বল। রেডিও বা টেলিভিশনে সাধারণত সরাসরি আজান সম্প্রচার করা হয় না। বরং রেকর্ডকৃত। ধারণকৃত বা রেকর্ডকৃত আজানের জবাব দেওয়া সুন্নাত নয়। (মুসলিম ১/ ১৬৬, বাদায়েউস সানায়ে, ১/২৭৩ )।

শুধু নামাজের সময়ই কি কাপড় টাখনুর ওপর তুলতে হবে ?? জেনে নিন ইসলাম কি বলে !!

অনেক সময় দেখা যায় নামাজের জামাত শুরু হওয়ার আগে মুসল্লিদের কেউ কেউ নিজেদের পায়জামা, প্যান্ট, লুঙ্গি ইত্যাদি টাখনু গিরার ওপর তুলে নিচ্ছেন বা ইমাম সাহেব বলে দিচ্ছেন, ‘কাপড় টাখনুর ওপর তুলে নিন’। এতে মনে হয় শুধু নামাজের সময়ই কাপড় টাখনুর ওপর তুলতে হবে; অথচ বিষয়টি শুধু নামাজের সাথে সম্পৃক্ত নয়। পুরুষের জন্য নামাজের ভেতরে-বাইরে সর্বাবস্থায় কাপড় টাখনুর নিচে পরিধান করা কবিরা গুনাহ। এ বিষয়ে হাদিসে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারিত হয়েছে। নিচে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হাদিস তুলে ধরা হলোÑ

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, লুঙ্গির যে অংশ টাখনুর নিচে থাকবে তা জাহান্নামে যাবে। [বুখারি : হাদিস নং- ৫৭৮৭]

হজরত আবু যর রা. বলেন, রাসুল সা. বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তিন ব্যক্তির সঙ্গে কথা তো বলবেনই না বরং তাদের দিকে তাকিয়েও দেখবেন না। এমনকি তিনি তাদেরকে গুনাহ থেকে পবিত্র করবেন না বরং তাদের জন্য রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তারা কারা? তবে এরা তো ধ্বংশ, তাদের বাঁচার কোনো রাস্তা নেই। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ কথা তিনবার বলেছেন। তারা হলো ক. যে ব্যক্তি টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পরে। খ .যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম খেয়ে ব্যাবসার পণ্য বিক্রি করে। গ. যে ব্যক্তি কারো উপকার করে আবার খোটা দেয়। [মুসলিম, তিরমিজি, আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ]‌।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আ. থেকে বর্ণনা করে হজরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, লুঙ্গির যে অংশ টাখনুর নিচে থাকবে তা আগুনে প্রজ্জ্বলিত হবে। [বুখারি]

রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, পুরুষের শরীরের যে কোনো পোশাক টাখনুর নিচে ঝুলে পড়া হারাম। পোশাক যদি টাখনুর নিচে ঝুলে যায়, তাহলে টাখনুর নিচের ওই অংশকে জাহান্নামের অংশ বলে ধরা হবে। [বুখারি]

হজরত জাবের ইবনে সুলাইম রা. হতে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পড়ার ব্যাপারে সাবধান হও। কারণ, তা অহংকারের অন্তর্ভুক্ত। আর আল্লাহ অহংকার করাকে পছন্দ করেন না। [আবু দাউদ]

ইবনু উমার রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, অহংকারবশত যে ব্যক্তি তার বস্ত্র বা কাপড় পায়ের গিঁটের নিচে (টাখনুর নিচে) ঝুলিয়ে চলবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কিয়ামতের দিন তার দিকে ফিরেও তাকবেন না। উম্মে সালমা রা. বললেন, তাহলে মহিলারা তাদের আঁচলের ব্যাপারে কি করবে? তিনি বললেন, তারা পায়ের গিঁট থেকে এক বিঘত পরিমাণ ঝুলিয়ে রাখবে। উম্মে সালমা রা. বললেন, এতে তো তাদের পা অনাবৃত হয়ে পড়বে। রাসুলুল্লাহ সা. বললেন তাহলে তারা একহাত পরিমাণ নিচে পর্যন্ত ঝুলতে পারে, এর চাইতে বেশি যেন না ঝুলায়। এ হাদিসটি আবু দাউদ ও তিরমিজি বর্ণনা করেছেন। [আবু দাউদ : হাদিস নং- ৩৪৬৭, ৪০৮৫, তিরমিজি : হাদিস ১৭৩১]

উল্লেখিত ছয়টি হাদিসে টাখনুর ওপর কাপড় পরিধানের ক্ষেত্রে সাধারণ বিধান বর্ণিত হয়েছে। এখানে বলা হয়নি যেÑ শুধু নামাজের সময় টাখনুর নিচের কাপড় ওঠাতে হবে বা টেনে পড়তে হবে। তাই পরিধেয় পোশাক যেমনÑ পায়জামা, প্যান্ট, লুঙ্গি ইত্যাদি সর্বাবস্থায় টাখনুর ওপরে পরিধান করা আবশ্যক। বিষয়টি নিজে অনুধাবন করে আমল করুন এবং অন্যকে এর কঠিক শাস্তির ব্যাপারে সতর্ক করুন। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন।

বি.দ্র. : মহিলারা সর্বাবস্থায় টাখনুর নিচে কাপড় পরবে।

ফাইনালে খেলতে হলে আজ ভারতের বিপক্ষে জিততে হবে বাংলাদেশকে ।।

প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষেই হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের ছুড়ে দেওয়া ১৩৯ রানের মামুলি সংগ্রহ রোহিত শর্মার দল টপকে যায় অনায়াসেই। হারের বৃত্তে বন্দি বাংলাদেশ অবশেষে পাঁচ ম্যাচ পর টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের জয় তুলে নেয় রেকর্ড গড়েই। লঙ্কানদের ছুড়ে দেওয়া ২১৫ রানের পর্বতসম লক্ষ্য তাড়া করে মুশফিকুর রহিমের বীরত্বে বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে নেয় পাঁচ উইকেট আর দুই বল হাতে রেখেই।

সিরিজে দ্বিতীয়বার ভারতের প্রতিপক্ষ হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় বাংলাদেশ। ফিরতি ম্যাচে এবার ফাইনালটাতেও নজর দিতে হচ্ছে মাহমুদউল্লাহর দলকে। এ ম্যাচে পরাজিত হলে ফাইনালের যে দারুণ সম্ভাবনাটা উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে, একপলকে সেটা নেমে যাবে তলানিতে। ফাইনাল নিশ্চিতের লড়াইয়ে তাই এই ম্যাচে জয়টা ভীষণ প্রয়োজন বাংলাদেশের।

স্বাগতিকদের সঙ্গে পয়েন্ট সমান হলেও রানরেটে পিছিয়ে পড়ে দুই পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে টেবিলের তলানিতে রয়েছে বাংলাদেশ। অবশ্য অতিথিরা শ্রীলঙ্কার চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলেছে। দুই জয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে ভারতের অবস্থান শীর্ষে। দুই পয়েন্ট নিয়ে শ্রীলঙ্কা রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে।

আজ বুধবার কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। প্রেমাদাসায় ত্রিদেশীয় সিরিজের পঞ্চম ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

নামাজে ভুল হলে পড়ে নিন সাহু সিজদা, নতুবা হবে না নামাজ….!!

নামাজে যদি কোনও ওয়াজিব তরক হয়ে যায় তাহলে আপনাকে অবশ্যই সাহু সিজদা দিতে হবে। তা না হলে আপনার নামাজ হবে না। সাহু সিজদার এ মাসালাগুলো ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

সিজদা সাহু করার সঠিক নিয়ম হচ্ছে – “সালাতে কম বেশি যাই হোক, আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ, দুয়া মাসুরা পড়ে তাকবীর দিয়ে পর পর দুটি সিজদাহ দিয়ে সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করতে হবে।”
বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত সালাত অধ্যায় সাহো অনুচ্ছেদ, ১১৮ নাম্বার হাদিস।
অথবা, “সালাতে কম বেশি যাই হোক, সালামের ফেরানোর আগে বা পরে দুইটি (অতিরিক্ত) সাহু সিজদা দিতে হবে।”
সহীহ মুসলিম, নাওয়াতুল আওতার ৩/৪১১।

অর্থাৎ দুইটাই জায়েজ, সালামের আগে বা পরে দুইটা অতিরিক্ত সিজদা দেওয়া।
সালাম ফেরানোর আগে সিজদা সাহু যেভাবে করবেন: সিজদা সাহু দেওয়া ওয়াজিব হয় এমন কোন ভুল করলে, শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ, দুয়া মাসুরা পরে ডানে ও বামে দুইদিকে সালাম ফেরাবেন। এরপরে আল্লাহু আকবার বলে দুইটি সিজদা সাহু দেবেন। দুই সিজদার মাঝখানে বা সিজদাতে তাসবিহর পরে দুয়া করতে পারবেন। ২টা অতিরিক্ত সিজদা দিয়ে আর কিছু পড়তে হবেনা, আবার ডানে ও বামে দুইদিকেই সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করবেন।

তবে নামাজে যদি কোনো ফরজ তরক হয়ে যায় তাইলে আবার নতুন করে নামাজ পড়তে হবে। তিনটি কারণে নামাযে সাহু সিজদা দিতে হয়
১) নামায বৃদ্ধি হওয়া। যেমন, কোন রুকু, সিজদা বা বসা ইত্যাদি বৃদ্ধি হওয়া।
২) কোন রুকন বা ওয়াজিব কম হওয়া।
৩) সন্দেহ হওয়া।

নামায বৃদ্ধি হওয়া:
যদি নামাযের অন্তর্ভুক্ত এমন কিছু কাজ ভুলবশত বৃদ্ধি করে যেমন: দাঁড়ানো, বসা, রুকু, সিজদা ইত্যাদি- যেমন দু‘বার করে রুকু করা, তিন বার সিজদা করা, অথবা যোহর পাঁচ রাকাত আদায় করা। তবে সাহু সিজদা করবে। নামাজরত অবস্থায় যদি উক্ত বৃদ্ধি স্মরণ হয়- যেমন চার রাকাত শেষ করে পাঁচ রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেছে- তবে সে ফিরে আসবে এবং শেষে সিজদায়ে সাহু করবে।

সালাত পূর্ণ হওয়ার আগেই সালাম ফেরানো:
নামায পূর্ণ হওয়ার আগেই সালাম ফেরানো নামায বৃদ্ধি করার অন্তর্গত। যদি অনেক পরে এ ভুলের কথা মনে পড়ে তবে নামায পুনরায় ফিরিয়ে পড়বে। আর যদি একটু পরেই (যেমন দু/এক মিনিট) মনে পড়ে, তবে সে অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করবে এবং সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে।

নামাযে রুকন বা ওয়াজিব কম হওয়া।:
ক) যদি ভুলক্রমে ওয়াজিব পরিত্যাগ হয় আর উক্ত স্থান ছেড়ে যাওয়ার আগেই যদি স্মরণ হয়ে যায় তবে তা আদায় করবে এতে কোন দোষ নেই- সাহু সিজদা দিতে হবে না। কিন্তু যদি উক্ত ওয়াজিব ছেড়ে পরবর্তী রুকন শুরু করার আগেই স্মরণ হয়ে যায় তবে ফিরে গিয়ে সেই ওয়াজিব আদায় করবে এবং শেষে সাহু সিজদা করবে। কিন্তু পরবর্তী রুকন শুরু করার পর যদি স্মরণ হয় তবে উক্ত ছুটে যাওয়া ওয়াজিব রহিত হয়ে যাবে। অবশিষ্ট নামায আদায় করে সালামের পূর্বে সাহু সিজদা করলেই নামায পূর্ণ হয়ে যাবে।

যেমন কেউ দ্বিতীয় রাকাতের দ্বিতীয় সিজদা থেকে উঠে না বসে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াতে যাচ্ছে। এমন সময় স্মরণ হল নিজ ভুলের কথা। তখন সে বসে পড়বে এবং তাশাহুদ পড়ে সালাত পূর্ণ করবে। কোন সাহু সিজদা লাগবে না।
আর যদি কিছুটা দাঁড়ায় কিন্তু পরিপূর্ণরূপে দাঁড়ায়নি তবে সে বসে যাবে এবং তাশাহুদ পড়বে ও সালাত শেষে সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে। কিন্তু যদি পূর্ণরূপে দাঁড়িয়ে পড়ে তবে আর বসবে না। তাশাহুদ রহিত হয়ে যাবে। ঐভাবেই নামায পূর্ণ করবে এবং সালাম ফিরানোর পূর্বে সাহু সিজদা করবে।

খ) ফরজ নামাজের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য একটি সুরা মিলানো ওয়াজিব। যদি আপনি ভুল করে ফরজ নামাজের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য কোনো সুরা না পড়েন, তাহলে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। আপনি যদি যে কোনো সুন্নাত/নফল নামাজের যে কোনো রাকাতে সুরা ফাতেহা বা সুরা ফাতেহার পর অন্য একটি সুরা না পড়েন তাহলে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে।

সন্দেহ হওয়া:
নামাযের মধ্যে সন্দেহের দু‘টি অবস্থা: প্রথম অবস্থা: সন্দেহযুক্ত দু‘টি বিষয়ের মধ্যে যেটির প্রাধান্য পাবে সে অনুযায়ী কাজ করবে এবং নামায পূর্ণ করে সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে।
উদাহরণ: একজন লোক যোহরের নামায আদায় করছে। কিন্তু সন্দেহ হল এখন সে কি দ্বিতীয় রাকাতে না তৃতীয় রাকাতে? এ সময় সে অনুমান করে স্থির করবে কোনটা ঠিক। যদি অনুমান প্রাধান্য পায় যে এটা তৃতীয় রাকাত, তবে তা তৃতীয় রাকাত গণ্য করে নামায পূর্ণ করবে এবং সালাম ফেরানোর পর সাহু সিজদা করবে।

দ্বিতীয় অবস্থা: সন্দেহযুক্ত দু‘টি দিকের কোনটাই প্রাধান্য পায় না। এ অবস্থায় নিশ্চিত দিকটির উপর ভিত্তি করবে। অর্থাৎ কম সংখ্যাটি নির্ধারণ করে বাকী নামায পূর্ণ করবে। তারপর সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে।
একই নামাজে সিজদায়ে সাহু করার একাধিক কারণ পাওয়া গেলেও একটি সিজদায়ে সাহু করলেই হবে।

নেইমার ছাড়া আজ রিয়ালের মুখোমুখি হবে পিএসজি !!

রিয়াল মাদ্রিদ ও প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মুখোমুখি।

চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দ্বিতীয় লেগ নিয়ে দুদলের মধ্যেই তুমুল উত্তেজনা।

প্রথম লেগ ৩-১ ব্যবধানে জিতে রিয়াল মাদ্রিদ বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। তারপরও রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান মনে করেন, পিএসজির বিপক্ষে জেতা খুব একটা সহজ হবে না। কারণ, খেলাটা হবে পিএসজির মাঠে। নিজেদের মাঠে বরাবরই ফেভারিট উনাই এমেরির দল।

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে জিনেদিন জিদান বলেন, ‘আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত হয়েই এখানে ম্যাচ খেলতে এসেছি। যদি মনে করেন, প্রথম ম্যাচের ফলের জন্য আমরা বাড়তি সুবিধা পাব, তবে সেটা ভুল ধারণা। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য আমাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের সম্মিলিতভাবে ৯০ মিনিট বা তাঁরও বেশি সময় মাঠে সেরাটা দিয়ে লড়তে হবে।’

জিনেদিন জিদান পিএসজির বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে বেশ সতর্ক। তিনি মনে করেন, তাঁর দলের একাদশের সবারই সেরাটা দেওয়ার সামর্থ্য আছে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়রা শতভাগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। আমি এমন খেলোয়াড়কে নির্বাচন করিনি, যে মাঠে কেবল ৭০ ভাগ দেওয়ার সামর্থ্য রাখে।’

বডি স্প্রে ব্যবহার করলে নামাজ হবে কি ?? ইসলাম কি বলছে…!!!

আধুনিক যুগে আতর ব্যবহার না করে অনেকেই পারফিউম বা বডি স্প্রে ব্যবহার করে। তরুণদের মাঝে এই প্রবণতাটা অনেক বেশি। তবে প্রশ্ন হলো এই বডি স্প্রে ব্যবহার করে নামাজ সহীহ হবে কিনা।আসলে আল-কোরআন কিংবা হাদীসের কোথাও বডি স্প্রের কথা উল্লেখ নেই। তবে বলা আছে

নাপাক অবস্থায় নামাজ হবে না। অর্থ্যাৎ পাক-পবিত্র হয়ে নামাজ আদায় করতে বলার নির্দেষনা আছে।

আসলে বর্তমান বাজারগুলোতে যেসব পারফিউম বা বডি স্প্রে পাওয়া যায় এগুলোর অধিকাংশটির মধ্যেই রয়েছে অ্যালকোহল। তবে অ্যালকোহলমুক্ত পারফিউমও পাওয়া যায়। তাই পারফিউম বা স্প্রে ব্যবহার করতে চাইলে এ্যালকোহলমুক্তগুলোই খরিদ করতে হবে।

কারণ এ্যালকোহলযুক্ত স্প্রে ব্যবহার করা অনুত্তম। কারণ মুসলমানদের মদ খাওয়া হারাম। আর মদে যেহেতু অ্যালকোহলের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই অ্যালকোহলযু্ক্ত স্প্রে ব্যবহার করে নামাজ আদায় না করায় উত্তম।

আজ রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে চেলসির মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা….।।

প্রথম নকআউট পর্বে আজ রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে চেলসির মুখোমুখি হবে ভেলভার্দের বার্সেলোনা।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে হাই ভোল্টেজ ম্যাচে আজ মঙ্গলবার রাতে চেলসির মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা।

প্রতিপক্ষের মাঠ স্টামফোর্ড ব্রিজে, এই ম্যাচে চেলসি কোচ অ্যান্টোনিও কন্টেকে নিয়েই বেশি দুশ্চিন্তা করছেন বার্সা কোচ আর্নেস্তো ভালভারদে।
তাঁর মতে, কাতালানদের আটকানোর মতো কৌশল ঠিকই করতে পারবেন এই ইতালিয়ান কোচ। তাই এবারের মৌসুমে দুর্দান্ত ফর্মে থাকলেও বার্সাকে বেশ সাবধান হয়েই খেলার পরামর্শ তাঁর।

অন্যদিকে, লিওনেল মেসি একাই একটি ম্যাচের গতি বদলে দিতে পারেন উল্লেখ করে অ্যান্টোনিও কন্টে জানান, আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে রুখতে ব্লু’রা কিভাবে খেলবে, তাই তাঁর মূল দুশ্চিন্তা।

তবে একা মেসির সাথে নয়, চেলসিকে যে গোটা বার্সার বিপক্ষেই ভালো খেলতে হবে, তা-ও খেলোয়াড়দের মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
কারণ এই দু’দলের এ পর্যন্ত সবশেষ আটবারের দেখায় কোনো গোল করতে পারেননি মেসি। অবশ্য শেষ পাঁচবারের দেখায় চেলসির বিপক্ষে জিততেও পারেনি বিশ্বের অন্যতম সেরা দলটি।

ইসলাম কি বলে ?? ..নামাজের সময় হাফ হাতা পোশাক পরলে নামাজ হবে কি ?

অনেকে মাসয়ালা দিয়ে থাকেন- ছোট হাতা গেঞ্জি বা হাফ হাতা গেঞ্জি পরে নামাজ হবে না। আবার ঘরে নামাজ পড়লেও হবে না। আসলে এই মাসয়ালা শুদ্ধ নয়। এভাবে নামাজ না হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দলিল নেই। এটা অনেক ইমাম সাহেবের ব্যক্তিগত ফতোয়া, ইসলামের ফতোয়া নয়। বরং সালাত হয়ে যাবে, এটাই বিশুদ্ধ অভিমত।

যেহেতু তিনি সতর ঢেকেছেন এবং সতর ঢাকার পরে তিনি রাসুল (সা.)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সালাত আদায় করেছেন।

রাসুল (সা.) বলেছেন যে, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ যদি সালাত আদায় করে, তাহলে সে যেন তার কাঁধ দুটি খালি না রাখে।’ যেহেতু তিনি হাফ হাতা গেঞ্জি পরেছেন এবং কাধ খালি রাখেননি, তাই তাঁর সালাত আদায় হয়ে গেছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। এভাবে নামাজ হবে না—এমনটা ব্যক্তিগত ফতোয়া হতে পারে।

জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’য় এক দ‍র্শকের প্রশ্নের উত্তরে এ জবাব দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

ঘুষ দিয়ে চাকরি নিলে, সেই চাকরির বেতন কি হালাল হবে ?? জেনে নিন বিস্তারিত।

ইসলামের পরিভাষায় ঘুষ দেওয়া-নেওয়া দুটোই হারাম। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ঘুষদাতা ও গ্রহিতাকে অভিসম্পাত করেছেন। তাই ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়া জায়েয হবে না।

এতে একদিকে ঘুষ প্রদানের কবীরা গুনাহ হয়, অন্যদিকে ঘুষদাতা অযোগ্য হলে অন্য চাকরিপ্রার্থীর হক নষ্ট করারও গুনাহ হয়।

তাই এমন কাজ থেকে বিরত থাকা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব।

ঘুষ দেওয়ার পর আপনি যে চাকরিটা নিয়েছেন সেখানে দুইটি বিষয় হতে পারে। একটা হচ্ছে চাকরিটা পাওয়ার জন্য আপনি যোগ্য ছিলেন, কিন্তু ঘুষ না দেওয়ার জন্য চাকরিটা হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ঘুষ দিয়ে চাকরি পেলে আপনার চাকরিটা জায়েজ হবে।

কিন্তু ঘুষ দেওয়াটা নাজায়েজ হবে। আবার চাকরির জন্য যোগ্য না হওয়ার পরও যদি ঘুষ দিয়ে চাকরি নেন, তাহলে পুরো জীবনে যা উপার্জন করেছেন তার সবটাই হারাম হবে।