এই সেই স্থান, যেখানে দাঁড়িয়ে দীনের নবী (সা.) অঝরে কেঁদেছিলেন….!!

দীনের নবী – আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) দীন প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনে অনেক কষ্ট করে গেছেন। তবে নবীজী (সা.) এর জীবনে এমন একটা দিন এসেছিল যেদিন আমাদের দীনের নবী (সা.) অঝরে কেঁদেছিলেন।

মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, একদিন মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে রাসুলের (সা.) কান্না দেখে নির্বাক হয়ে পড়েছিলেন সাহাবায়ে কেরাম, রাসুলের কান্নায় তারাও কেঁদেছিলেন সেদিন।আর কোনোদিন কোথাও তাকে এভাবে কেউ কাঁদতে দেখেনি, মায়ের জন্য আপ্লুত হয়ে তিনি যেভাবে কেঁদেছিলেন।(মুসলিম, মুসনাদে আহমদ) মায়ের প্রতি রাসুলের ভালোবাসা ও সদাচারের জন্য রাসুল (সা.) এর তাগিদ দেখে সাহাবায়ে কেরামও নিজেদের মায়ের প্রতি ছিলেন পরম বিনয়ী ও সদাচারী।

রাসুল (সা.) বলেছেন, মা বাবার প্রতি ভালো ব্যবহারের শেষ সীমানা হল, তাদের যারা বন্ধুবান্ধব ছিলেন, তাদেরও সম্মান করা, ভালোবাসা ও দয়া করা। (মুসলিম) অন্যত্র আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণিত, বাবার সম্মানের চেয়ে মায়ের সম্মান ও শ্রদ্ধা তিনগুণ বেশি।

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) যখনই কোথাও যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হতেন, ডাক দিয়ে বলতেন, ‘মা আমার! তোমরা জন্য সালাম! আল্লাহ পাক তোমাকে রহমত দিয়ে ঘিরে রাখুন যেভাবে তুমি আমাকে ছোটবেলায় লালন পালন করেছিলে।’

তার মা তখন সাড়া দিয়ে বলতেন, ‘ছেলে আমার! আল্লাহ তোমাকেও রহমত দান করুন যেভাবে তুমি আমাকে এই বুড়ো বয়সে সেবাযত্ন করছো।’ (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

উমর (রাঃ) কর্তৃক শয়তান কে আছাড় দেয়ার সেই ঘটনা !! জেনে নিন পুরো ঘটনা ।।

হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, একবার রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাহাবীদের মধ্য হতে একজন কোথাও গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে শয়তানের সাক্ষাৎ হয়।

এবং বেশ সংঘর্ষও হয়। শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাহাবী শয়তানকে আছাড় মেরে ধরাশায়ী করে ফেললেন। শয়তান তখন বলে, আমাকে ছেড়ে দিন। আমি আপনাকে এমন আশ্চর্যজনক কথা বলতেছি, যা আপনি পছন্দ করবেন।

তো সেই সাহাবী তাকে ছেড়ে দিলেন। তারপর সে কথা বলতে বললেন। কিন্তু শয়তান তখন বললো, না, বলবো না। ফলে ফের মুকাবিলা হল। এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাহাবী তাকে ফের আছড়ে ফেললেন। শয়তান বললো, আমাকে ছেড়ে দিন। আমি আপনাকে এমন একটি জিনিস বলতেছি, যা আপনার পছন্দ হবে।

তো তিনিতাকে ছেড়ে দিলেন এবং বললেন, বলো কি বলতে চাও। সে বললো, না বলবো না। ফলে তৃতীয়বারেও মুকাবিলা হল। এবারেও রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাহাবী তাকে আছড়ে ফেললেন এবং তার উপর চড়ে বসে তার আঙ্গুল ধরে মোচড় দিলেন। শয়তান তখন বললো, আমাকে ছেড়ে দিন। সাহাবী বললেন, এবার না বলা পর্যন্ত তোমাকে ছাড়বো না। শয়তান তখন নিরুপায় হয়ে বললো, সূরা আল বাকারাহ এর প্রতিটি আয়াত এমন, যা পড়লে শয়তান পালিয়ে যায়।

এবং যে ঘরে এই সূরাহ পড়া হয় সেই ঘরে শয়তান ঢুকতে পারে না।* হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) ওই সাহাবীর নাম হযরত উমর বিন খাত্তাব (রাঃ) বলে বর্ণনা করেছেন।{মাকায়িদুশ্ শাইত্বান, ইবনু আবিদ দুনইয়া (৬৩), পৃস্টা ৮৫, কিতাবুল গারীব, আবূ উবায়দ, দালায়িলুন নুবুওয়াত, ৭:১২৩}

কোটি তরুণকে পাগল করা সেই তরুণীর বিরুদ্ধে মামলা…।।

গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়া অভিনীত মালায়ালাম ছবি ‘অরু আদার লাভ’র ‘মানিকেয়া মালারায়া প্রভি’ শিরোনামের একটি গান। যেখানে চোখের জাদুতে সকলের নজর কেড়েছেন প্রিয়া।

এবার সেই প্রিয়ার বিরুদ্ধেই হায়দ্রাবাদের ফলকনামা পুলিশ স্টেশনে মামলা দায়ের করলেন এক মুসলিক যুবক ও তার বন্ধুরা।

এ প্রসঙ্গে ওই যুবক সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “আমি ইউটিউবে ‘মানিকেয়া মালারায়া প্রভি’র ভিডিওটি দেখেছি। ভালোও লেগেছে।

ডাউনলোড করে রেখেছি। বারবার দেখার পর গানের কথাগুলো বোঝার চেষ্টা করি। কিন্তু যেহেতু মালায়ালাম ভাষায় তাই বুঝতে পারিনি। তখন গুগল করি।

শেষমেশ অনুবাদ করে তবে গানের কথা স্পষ্ট হয়। তখনই বুঝতে পারি এই গানে ‘প্রফেট’ (মুহাম্মদ) কথাটি ব্যবহার করে তাকে অবমাননা করা হয়েছে। গানের কথা মুসলিমদের ভাবাবেগে আঘাত করছে।”

ঘুষ দিয়ে চাকরি নিলে, সেই চাকরির বেতন কি হালাল হবে ?? জেনে নিন বিস্তারিত।

ইসলামের পরিভাষায় ঘুষ দেওয়া-নেওয়া দুটোই হারাম। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ঘুষদাতা ও গ্রহিতাকে অভিসম্পাত করেছেন। তাই ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়া জায়েয হবে না।

এতে একদিকে ঘুষ প্রদানের কবীরা গুনাহ হয়, অন্যদিকে ঘুষদাতা অযোগ্য হলে অন্য চাকরিপ্রার্থীর হক নষ্ট করারও গুনাহ হয়।

তাই এমন কাজ থেকে বিরত থাকা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব।

ঘুষ দেওয়ার পর আপনি যে চাকরিটা নিয়েছেন সেখানে দুইটি বিষয় হতে পারে। একটা হচ্ছে চাকরিটা পাওয়ার জন্য আপনি যোগ্য ছিলেন, কিন্তু ঘুষ না দেওয়ার জন্য চাকরিটা হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ঘুষ দিয়ে চাকরি পেলে আপনার চাকরিটা জায়েজ হবে।

কিন্তু ঘুষ দেওয়াটা নাজায়েজ হবে। আবার চাকরির জন্য যোগ্য না হওয়ার পরও যদি ঘুষ দিয়ে চাকরি নেন, তাহলে পুরো জীবনে যা উপার্জন করেছেন তার সবটাই হারাম হবে।