রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা !!

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে রাতে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল।আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। আর ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ ২০১৪ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি।

ব্রাজিল-জার্মানির ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত পৌনে একটায়। যা সরাসরি সম্প্রচার করবে সনি টেন-২। আর আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টা ৩০টায়। এই ম্যাচটি দেখা যাবে স্কাই স্পোর্টস (ফুটবল) চ্যানেলে। ইএসপিএন ডিস্পোর্টস ও ওয়াচইএসপিএন এও দেখা যাবে।

গেল শুক্রবার রাতে রাশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছে ব্রাজিল। আর ইতালির বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জিতেছে আর্জেন্টিনা। আগের প্রীতি ম্যাচে জার্মানির মাঠে ১-১ গোলে ড্র করেছে স্পেন।

ইনজুরিতে থাকায় নেইমার খেলছেন না ব্রাজিলের হয়ে। অন্যদিকে ইতালির বিপক্ষে দলের সঙ্গে থেকেও ইনজুরির কারণে খেলেননি লিওনেল মেসি। আজ মাঠে নামার আগে যদি তিনি পুরোপুরি ফিট থাকেন তাহলে মাঠে নামানো হবে তাকে। ২০০৬ থেকে ২০১০ পর্যন্ত স্পেনের সঙ্গে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে আর্জেন্টিনা। তার মধ্যে স্পেন জিতেছে ২টিতে। একটিতে জিতেছে আর্জেন্টিনা। সবশেষ ২০১০ সালে স্পেনকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। তার আগে ২০০৬ ও ২০০৯ সালে ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে স্পেন। আবারো সেই ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনাকে আতিথ্য দিতে যাচ্ছে তারা। আবারো পারবে কী হারিয়ে দিতে মেসি-দিবালাদের।

অন্যদিকে ২০০২ থেকে ২০১১ পর্যন্ত জার্মানির বিপক্ষে চার ম্যাচের দুটিতে জিতেছে ব্রাজিল। একটিতে জিতেছে জার্মানি। আর অপরটি হয়েছে ১-১ গোলে ড্র। ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তার আগে ২০০৫ সালে ফিফা কনফেডারেশন কাপে ৩-২ গোলে জার্মানিকে হারিয়েছে ব্রাজিল। ২০০৪ সালে প্রীতি ম্যাচে জার্মানি ও ব্রাজিলের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। তার আগে ২০০২ সালে বিশ্বকাপে জার্মানিকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল।

অবশ্য ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ঘরের মাঠে ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল জার্মানি। চার বছর পর আবার সেই জার্মানির মুখোমুখি সেলেকাওরা। জার্মানির ঘরের মাঠে পারবে কী তারা মুলার-ক্রুসদের হারিয়ে দিতে?

আজ রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে চেলসির মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা….।।

প্রথম নকআউট পর্বে আজ রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে চেলসির মুখোমুখি হবে ভেলভার্দের বার্সেলোনা।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে হাই ভোল্টেজ ম্যাচে আজ মঙ্গলবার রাতে চেলসির মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা।

প্রতিপক্ষের মাঠ স্টামফোর্ড ব্রিজে, এই ম্যাচে চেলসি কোচ অ্যান্টোনিও কন্টেকে নিয়েই বেশি দুশ্চিন্তা করছেন বার্সা কোচ আর্নেস্তো ভালভারদে।
তাঁর মতে, কাতালানদের আটকানোর মতো কৌশল ঠিকই করতে পারবেন এই ইতালিয়ান কোচ। তাই এবারের মৌসুমে দুর্দান্ত ফর্মে থাকলেও বার্সাকে বেশ সাবধান হয়েই খেলার পরামর্শ তাঁর।

অন্যদিকে, লিওনেল মেসি একাই একটি ম্যাচের গতি বদলে দিতে পারেন উল্লেখ করে অ্যান্টোনিও কন্টে জানান, আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে রুখতে ব্লু’রা কিভাবে খেলবে, তাই তাঁর মূল দুশ্চিন্তা।

তবে একা মেসির সাথে নয়, চেলসিকে যে গোটা বার্সার বিপক্ষেই ভালো খেলতে হবে, তা-ও খেলোয়াড়দের মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
কারণ এই দু’দলের এ পর্যন্ত সবশেষ আটবারের দেখায় কোনো গোল করতে পারেননি মেসি। অবশ্য শেষ পাঁচবারের দেখায় চেলসির বিপক্ষে জিততেও পারেনি বিশ্বের অন্যতম সেরা দলটি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আজ রাতে মাঠে নামবে রিয়াল মাদ্রিদ-পিএসজি…।

বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৪৫ মিনিটে শুরু হবে।

শক্তিমত্তার দিক থেকে কোনো দলই পিছিয়ে নেই। এক দল স্প্যানিশ লা-লিগায় মাঠ কাঁপাচ্ছে, আর অন্যদিকে ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে একের পর এক ম্যাচ জিতে যাচ্ছে নেইমারের পিএসজি। তবে পরিসংখ্যানে নেইমার-কাভানির দল পিএসজিই এগিয়ে রয়েছে।

এ পর্যন্ত মোট ৭টি ম্যাচে দুদলের দেখা হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি ম্যাচে পিএসজি জিতেছে, আর ২টিতে রিয়াল মাদ্রিদ। বাকি ২টি ড্র হয়েছে।

আজ পিএসজির সঙ্গে হারলে টানা তৃতীয়বার শিরোপা জয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কায় পড়বে জিদানের শিষ্যরা। তবে ঘরের মাঠের খেলায় জেতার সম্ভাবনা বেশিই রয়েছে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের। এদিকে দিনের অন্য ম্যাচে ঘরের মাটিতে লিভারপুলের মোকাবেলা করবে পোর্তো।

আজ রাতে দেখা যাবে ‘সুপার মুন’…।

উত্তর আমেরিকা, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, রাশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া অঞ্চল থেকে দেখা যাবে এ অত্যাশ্চর্য দৃশ্য। চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টা ৫১ মিনিটে, চলবে রাত ১০টা ৮ মিনিট পর্যন্ত।

তবে বাংলাদেশ থেকে এ চন্দ্রগ্রহণ দেখতে হলে আকাশে চাঁদ ওঠা পর্যন্ত, অর্থাৎ সন্ধ্যারাত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

অবলোকন করা যাবে রক্তিম চাঁদ। শেষবার এমনটা ঘটেছিল ১৫২ বছর আগে। জ্যোতির্বিদরা এ বিরল ঘটনার নাম দিয়েছেন ‘সুপার ব্লু ব্লাড মুন এক্লিপস’।

প্রসঙ্গত, একই মাসে দু’বার পূর্ণিমার চাঁদ দেখা গেলে দ্বিতীয় পূর্ণিমার চাঁদকে বলা হয় ব্লু-মুন। নামে ‘নীল চাঁদ’ হলেও নীল রঙের সঙ্গে এ চাঁদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাছাড়া এসময় চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল দেখাবে বলে এ চাঁদকে বলা হচ্ছে ‘সুপার মুন’। চন্দ্রগ্রহণের সময় একই সঙ্গে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’ও। পৃথিবীর ছায়ায় অবস্থানের কারণে চাঁদ রক্তিম বা রক্তরঙা হয়ে ওঠে।