এ কেমন দরজা !! কাছে গেলে ১ মিনিটেই মৃত্যু অবধারিত !!

দুনিয়াতে অনেক রহস্যময় স্থান রয়েছে।

এমনই একটি জায়গা হলো- গ্রিসের এক প্রাচীন নিদর্শন। জায়গাটি দর্শনীয় তো বটেই। তবে তার বেশি কাছে গেলেই ভয়ানক বিপদ। কেননা, মৃত্যুর দুয়ারে টেনে নিয়ে যায় মানুষকে। বহু বছর ধরে তাই এই জায়গার ধারে-কাছেও যায় না কেউ। অবশেষে সেই রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

এই জায়গাটি ‘Hades’ Gate’ নামে পরিচিত। বর্তমানে এটি তুরস্কের ওয়েস্টার্ন ডেনিজিল প্রদেশে অবস্থিত। জানা গেছে, এটির ধারে-কাছে যেকোনো মানুষ থেকে পশুপাখি যেই যাক তার মৃত্যু হয়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, এটা শুধু গল্পকথা নয়। এটা আসলেই সত্যি।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা প্রত্নতত্ত্বের উপর লেখা একটি জার্নালে জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে সমানে বিপুল পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হচ্ছে। আজও পর্যন্ত একইভাবেই বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত গ্যাস। আর তাই সেখানে গেলেই মৃত্যু অবধারিত।

তবে কোনদিকে সূর্য উঠছে আর কোনদিকে হাওয়া বইছে, তার উপর নির্ভর করে কোনদিক থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের হবে। এখানে রাতে এতো বেশি পরিমাণ গ্যাস বের হয় যে, এক মিনিটের মধ্যে মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

প্রাচীন গল্পকথা শোনা যায়, এই জায়গায় বহু মানুষ, পশু, পাখির মৃত্যু হয়েছে।

মানুষের কামড়ে বিষধর সাপের মৃত্যু…!! অবাক করা কাণ্ড ।।

সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। তবে মানুষের কামড়ে সাপের মৃত্যুর ঘটনা কখনো শুনেছেন কি? এমনই অবাক করার মতো ঘটনা ঘটেছে ভারতের মধ্য প্রদেশের মরিনা জেলার সাবালপুর টেহসিলের পাছের গ্রামে।

ওই গ্রামের জালিম সিং কুশওহা নামের এক ব্যক্তি গত শনিবার নিজের খামারে কালো রঙের একটি সাপ দেখতে পান। তখন জালিম কিছুটা মাতাল অবস্থায় ছিলেন। তিনি সাপ ধরে কামড়ে দেন। এর কিছুক্ষণ পরই সাপটি মারা যায় আর জালিম জ্ঞান হারান।

পরে গ্রামবাসী অচেতন অবস্থায় কুশওহাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালের চিকিৎসক রগভিন্দ্র যাদব বলেন, সাপটিকে কামড়ানোর পর ভয়ে ও আতঙ্কে অজ্ঞান হয়ে যান জালিম। আর সাপটি খুব বিষধর ছিল। যদি বিষ তাঁর রক্তে প্রবেশ করত, তা কুশওহার জন্য মারাত্মক হতে পারত।

তবে কুশওহা সুস্থ আছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এর আগে ভারতের উত্তর প্রদেশের এক ব্যক্তি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে এক বিষধর সাপের মাথায় কামড় দেন। এতে সাপটি মারা যায়।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অভিনেত্রী শ্রীদেবীর আকস্মিক মৃত্যু…!!

গতকাল শনিবার দুবাইতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন তিনি। মাত্র ৫৪ বছর বয়সে এই মেধাবী অভিনেত্রীর মৃত্যু এখনও পর্যন্ত বিশ্বাস করতে পারছেন না তার অগণিত ভক্ত দর্শক থেকে শুরু করে তার কাছের তারকারাও। আর তাই শ্রীদেবীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলিউডে।

শ্রীদেবীর মৃত্যুর সংবাদটি গণমাধ্যমে জানিয়েছেন তার স্বামীর ছোট ভাই সঞ্জয় কাপুর। মৃত্যুর সময় এই নায়িকার পাশে ছিলেন তার স্বামী বনি কাপুর এবং ছোট মেয়ে খুশি কাপুর। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে সঞ্জয় কাপুর জানান, ‘হ্যাঁ এটি সত্যি যে আমরা শ্রীদেবীকে হারিয়েছি। আমি মাত্র এখানে এসে পৌঁছেছি। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রাত ১১টা থেকে ১১.৩০ এর মধ্যে। এইটুকু ছাড়া আমার কাছে আর কোন তথ্য দেওয়ার মতো নেই।’

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সূত্র থেকে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় স্বামী বনি কাপুর ও ছোট মেয়ে খুশি কাপুরকে সঙ্গে নিয়ে দুবাইতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বলিউড ডিভা। হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেখানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার। রীতেশ দেশমুখ, রাজ কুন্দ্রা, সুস্মিতা সেন সহ আরও অনেকেই টুইটারে শোকপ্রকাশ করেছেন শ্রীদেবীর অকাল প্রয়াণে।

ইসলাম কী বলছে ?? জন্ম দিবস, মৃত্যু দিবস পালন করা কী জায়েজ ?? জেনে নিন বিস্তারিত !!

জন্ম বার্ষিকী পালন ও মৃত্যু বার্ষিকী পালন এমন এক সামাজিক প্রথা হিসাবে চালু হয়ে গেছে যে, কেউ যদি এটা পালন না করে তাহলে তাকে অপরাধী মনে করা হয়। এটা শরীআত পরিপন্থি। আমাদের দেশের প্রথা অনুযায়ী জন্ম দিবস, মৃত্যু দিবস ইত্যাদি দিবস পালন করে থাকে।
অনুরূপভাবে শহীদ দিবস, বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়ে থাকে।

শরীআতের দৃষ্টিতে এই কর্মকান্ড বৈধ্য আছে কি?

বর্তমানে আমাদের দেশে জন্ম বার্ষিকী, মৃত্যু বার্ষিকী পালন করার যে রেওয়াজ প্রচলিত আছে তা বিদআত ও না জায়েয। কারণ এই সকল কাজের জন্য আগে থেকেই দিন তারিখ নির্ধারণ করে রাখা হয় এবং সেদিন খুব ধুমধাম সহকারে দিনটি পালন করা হয়।

জন্ম বার্ষিকী পালন ও মৃত্যু বার্ষিকী পালন এমন এক সামাজিক প্রথা হিসাবে চালু হয়ে গেছে যে, কেউ যদি এটা পালন না করে তাহলে তাকে অপরাধী মনে করা হয়। এটা শরীআত পরিপন্থি।

অনুরূপভাবে শহীদ দিবস পালন করাও না জায়েয। শহীদ দিবস পালন করা যদি পুণ্যের কাজ হতো তাহলে সাহাবায়ে কেরাম উহুদের দিনকে শহীদ দিবস হিসাবে পালন করতেন।

হারানো বিজ্ঞপ্তি ও মৃত্যু সংবাদ মসজিদে প্রচার করা নিষেধ–বিস্তারিত জেনে নিন

এটা সম্পূর্ণ শরী‘আত বিরোধী এবং মসজিদের মর্যাদার পরিপন্থী।

১–আবু হুরায়রাহ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি অন্য কাউকে মসজিদে হারানো জিনিষ খোঁজ করতে শুনবে, সে যেন বলে, আল্লাহ যেন তোমাকে ফেরত না দেন। কারণ মসজিদ সমূহ এ জন্য তৈরি করা হয়নি।

[ছহীহ মুসলিম হা/১২৮৮; মিশকাত হা/৭০৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৬৫৪, ২/২১৮ পৃঃ।]

২- ঘটা করে মৃত্যু সংবাদ প্রচার করা জাহেলী আদর্শ। এর জন্য অর্থ ব্যায় করে মাইকিং করা বা রেডিও, টিভিতে মৃত্যু সংবাদ প্রচার করা। এ ব্যাপারে রাসূল (ছাঃ) কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। হুযায়ফাহ (রাঃ) বলেন, ﻰَﻬْﻨَﻳ ِﻦَﻋ ِﻲْﻌَّﻨﻟﺍ রাসূল (ছাঃ) মৃত্যু সংবাদ প্রচার করতে নিষেধ করেছেন।
[তিরমিযী হা/৯৮৬, ১/১৯২ পৃঃ; ইবনু মাজাহ হা/১৪৭৬, পৃঃ ১০৬, ‘জানাযা’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-১৪, সনদ হাসান।]

তিনি আরও বলেন “তোমরা মৃত্যু সংবাদ প্রচার করা থেকে সাবধান! কেননা মৃত্যু সংবাদ প্রচার করা জাহেলিয়াতের রীতি (তিরমিজি – অধ্যায়ঃ জানাযা)

৩-মৃত্যু সংবাদ প্রচারের নামে শোকপ্রকাশ করে কোন লাভ হয় না। শুধু লোক দেখানোই হয়। তার প্রমাণ হল, সব জানাযাতে লোকের সংখ্যা এক রকম হয় না। কারো জানাযায় হাযার হাযার লোক হয়, আবার কারো জানাযায় একশ’ লোকও জুটে না। অথচ সব মাইয়েতের জন্যই মাইকিং করা হয়। সুতরাং এতে কোন ফায়েদা নেই। এটা মূলতঃ ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ও গুণের কারণ। তাছাড়া শুভাকাঙ্খী হলে এমনিতেই সে মৃত্যু সংবাদ শুনতে পাবে, মাইকিং করে জানানো লাগবে না।

৪-উল্লেখ্য যে, মারা যাওয়ার পূর্বে প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত তার উত্তরসূরী ও আত্মীয়-স্বজনকে অছিয়ত করে যাওয়া, যেন তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিদ‘আতী কর্মকান্ড অনুষ্ঠিত না হয়। বিশেষ করে বিলাপ করা ও বিভিন্ন কথার মাধ্যমে শোক প্রকাশ করা। কারণ সাবধান করে না গেলে বা এর প্রতি সন্তুষ্ট থাকলে এ জন্য তাকে কবরে শাস্তি ভোগ করতে হবে।

রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা কি শুননি, নিশ্চয়ই আল্লাহ চোখের কান্না ও অন্তরের চিন্তার কারণে শাস্তি দিবেন না; বরং তিনি শাস্তি দিবেন এর কারণে। অতঃপর তিনি তার জিহবার দিকে ইঙ্গিত করলেন। অথবা তার উপর রহম করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ মাইয়েতকে তার পরিবারের কান্নার কারণে শাস্তি দেন। ওমর (রাঃ) এজন্য লাঠিপেটা করতেন, পাথর মারতেন এবং মাটি নিক্ষেপ করতেন।

[ছহীহ বুখারী হা/১৩০৪, ১/১৭৪ পৃঃ, (ইফাবা হা/১২২৬, ২/৩৮৭ পৃঃ); ছহীহ মুসলিম হা/২১৭৬; মিশকাত হা/১৭২৪, পৃঃ ১৫০; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১৬৩২, ৪/৮৪, জানাজা’ অধ্যায়।]