পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ..

শেষ ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে পাকিস্তান সফরে গিয়েছিল উইন্ডিজ দল। ২০ বছর পর আবারও পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে জেসন হোল্ডারের দল। পিসিবি সভাপতি নাজাম শেঠি জানিয়েছেন এপ্রিলে পাকিস্তান সফরে আসছে ক্যারিবীয়রা। সফরে তারা অংশ নেবে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের ভেন্যু ছিল লাহোর। মাঝে বিশ্ব একাদশ আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি আর গত পিএসএলের ফাইনালও হয়েছিল এই মাঠেই। তবে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ২০ ওভারের সিরিজের জন্য ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে করাচিকে। নয় বছর ধরে করাচির মাঠে গড়ায়নি কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ। চলতি পিএসএলের ফাইনালও অনুষ্ঠিত হবে এই ভেন্যুতেই।

২৫ মার্চ করাচিতে গড়াবে এবারের পিএসএল ফাইনাল। এর পরই আইসিসির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রেজ ডিকাসন সিরিজের ভেন্যু ঘুরে দেখবেন। ডিকাসনের সবুজ সংকেত পেলেই রওনা করবে ক্যারিবীয়রা। এপ্রিলের ১, ২ ও ৪তারিখ অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তিন টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। এমনটাই জানা গেছে পিসিবি প্রধানের কাছ থেকে।
ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে যা যা করার তার সবই করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পাকিস্তানে আমন্ত্রণের পাশাপাশি পিসিবি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনছে করাচিতেও।

টি-টুয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানে পাকিস্তান।

ওয়ানডের দুঃখ টি-টুয়েন্টিতে ভুলল সফরকারীরা। তৃতীয় তথা শেষ টুয়েন্টিতে কিউইদের ১৮ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে সরফরাজের দল।

সিরিজ জয়ের সঙ্গে আরও বড় একটি প্রাপ্তি পাকিস্তানের জন্য।

এই জয়ে টি-টুয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানে উঠেছে তারা। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মত শর্টার ভার্সনে একনম্বরে উঠল পাকিস্তান। তবে পাকিস্তান শীর্ষে উঠলে তালিকায় অপরিবর্তিত আছে বাংলাদেশ। টাইগারদের অবস্থান তালিকার ১০ নম্বরে।

টস জিতে প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। ৬ উইকেটে ১৮১ রান করে পাকিস্তান।

পাকিস্তান ইনিংসের জবাব দিতে নেমে ৬ উইকেটে ১৬৩ রান তুলতেই থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে দলের হয়ে মার্টিন গাপটিল ৫৯, রস টেলর ২৫ ও স্যাটনার ২৪ লড়াই করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ঠ ছিল না।

সফরকারীদের হয়ে সাদাব খান ২টি উইকেট নেন। বাকি চার বোলার নেন একটি করে উইকেট।

টানা ৬ ম্যাচ হারের পর, জয়ের দেখা পেল পাকিস্তান…।।

দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে কিউইদের ৪৮ রানে হারায় সফরকারীরা। পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের পর প্রথম টি-টুয়েন্টিতেও হেরেছিল পাকিস্তান। ইডেন পার্কে জিতে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে ১-১এ সমতা টানল সরফরাজের দল।

টানা ছয় ম্যাচ হারের পর নিউজিল্যান্ড সফরে অবশেষে জয়ের দেখা পেয়েছে পাকিস্তান।

টানা হারে ভেতরে-বাইরে বেশ চাপে ছিল পাকিস্তান দল। বিশেষ করে ব্যাটসম্যানরা। পুরো সফরে নিষ্প্রভ ব্যাটিং লাইনআপ এদিন জ্বলে ওঠে। তাতে পুড়ে ছাই নিউজিল্যান্ড। দুই ফিফটি আর দুই চল্লিশোর্ধ ইনিংসে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ২০১ রান তোলে পাকিস্তান।

প্রথম ১০ ওভারে ৯৪ তোলেন দুই ওপেনার ফখর জামান ও আহমেদ শেহজাদ। ফখর ২৮ বলে ৫০ রানের ইনিংস সাজান ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। সেখানে শেহজাদের ৩৪ বলে ৪৪ রানের ইনিংসে ছিল ৬ চার ও এক ছক্কার মিশেল।

অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ২৪ বলে ৪১ করে ফেরেন, ২ চার ও ৩ ছয়ে। আর বাবর আজম ২৯ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন, ৫ চার এক ছক্কার ইনিংস সাজিয়ে। দুই শতাধিক রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা মোটেই ভাল হয়নি নিউজিল্যান্ডের। শেষঅবধি ৯ বল বাকি থাকতে ১৫৩ রানেই অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

দলের প্রথম ছয় ব্যাটসম্যানের মধ্য মার্টিন গাপটিল ২৬ ছাড়া অন্যকেউ উল্লেখ করার মত রান করতে পারেননি। শেষদিকে স্পিনার মিচেল স্যান্টনার ৩৭ ও পেসার বেন হোয়েলার ৩০ রান করলে হারের ব্যবধানটাই শুধু কমেছে।

পাকিস্তানের হয়ে ফাহিম আশরাফ ৩টি, মোহাম্মদ আমির ও শাদাব খান ২টি করে এবং হাসান আলী একটি উইকেট নেন।