১৬ টি কুফরি বাক্য যা না জেনে আমরা নিয়মিত বলে থাকি, প্রত্যেক মুসলিমের জেনে রাখা উচিৎ…

১৬ টি কুফরি বাক্য যা আমরা নিয়মিত বলে থাকি, জেনে রাখা উচিৎ প্রত্যেক মুসলিমের!!- না জেনে বুঝে এসব সমাজে প্রচলিত বাক্য আমরা প্রায়ই বলে ফেলি , জেনে নিন সেগুলো …

১. আল্লাহর সাথে হিল্লাও লাগে।

২. তোর মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।

( ফুল চন্দন হিন্দুদের পুজা করার সামগ্রী)

৩. কস্ট করলে কেস্ট মেলে

( কেস্ট হিন্দু দেবির নাম, তাকে পাবার জণ্য কস্ট করছেন?)

৪. মহভারত কি অশুদ্ধ হয়ে গেল?

( মহাভারত একটি উপন্যাস, যা সবসময় অশুদ্ধ)

৫. মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।

( এটি ইসলামের নামে কটূক্তি করা)

৬. লক্ষী ছেলে, লক্ষী মেয়ে, লক্ষী স্ত্রী বলা।

( হিন্দুদের দেব-দেবির নাম লক্ষী তাই ইসলামে এটি হারাম)

৭. কোন ঔষধকে জীবন রক্ষকারী বলা।

( জন্ম- মৃত্য

একমাত্র আল্লাহর হাতে)

৮. দুনিয়াতে কাউকে শাহেনসা বলা।

৯. নির্মল চরিত্র বোঝাতে ধোয়া তুলশি পাতা বলা।

( এটি অনইসলামিক পরিভাষা যা হারাম)

১০. ইয়া খাজাবাবা, ইয়া গাঊস, ইয়া কুতুব ইত্যাদি বলা।

( এটি শির্ক, ইসলামের সবচেয়ে বড় পাপ)

১১. ইয়া আলি, ইয়া রাসুল (সাঃ) বলে ডাকা এবং সাহায্য প্রার্থনা করা (আল্লাহ ছাড়া পৃথীবির কাউকে ডাকা শির্ক)

১২. বিসমিল্লায় গলদ বলা।

( এটি সরাসরি কুফরি)

১৩. মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়া বলা।

( কুফরি বাক্য, সাবধান। )

১৪. মধ্যযুগি বর্বরতা বলা।

( মধ্যযুগ ইসলামের সর্ণযুগ)

১৫. মন ঠিক থাকলে পর্দা লাগে না।

( ইসলাম ধংসকারী মতবাদ)

১৬. নামাজ না পড়লে ঈমান ঠিক আছে বলা।

( ইসলাম থেকে বের করার মূলনিতী। )

এই গুলি অজ্ঞতার কারনে হয়ে থাকে। হে মুসলিম উম্মাহ আসুন আমরা নিজে অতপর নিজের পরিবারকে সচেতন করি, তাদের মাঝে এই গুলি প্রচার করি, আর কত দিন এই অজ্ঞতায় পড়ে থাকবো?

আসুন না একজন আরেকজন কে সচেতন করার জন্য উৎসাহ দেই,

এই বাক্য গুলি আপনি যে কোন ভাবে প্রচার করুন।

বাংলাদেশকে নিয়ে কেউ ট্রোল করবেন না – দিনেশ কার্তিক !!

ফাইনালে ভারতের জয়ের পর থেকে কিছু উগ্র ভারতীয় সমর্থক স্যোশাল মিডিয়ায় বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে ট্রোল শুরু করে। বিভিন্ন উস্কানীমূলক ছবি ও বিভিন্ন ভিডিও পোস্ট করে ব্যঙ্গ করা শুরু করে।

এবার এই বিষয়ে ফাইনালে ম্যাচের শেষ বলে ভারতকে জেতানোর নায়ক দিনেশ কার্তিক মুখ খুললেন স্যোশাল মিডিয়ায়। সবাইকে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে বাংলাদেশকে নিয়ে কেউ ট্রোল না করেন। ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের দুটি ছবিসহ তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন, পোস্টটিতে তিনি লিখেন-

সবাইকে অনুরোধ করছি, বাংলাদেশকে নিয়ে কেউ ট্রোল করবেন না। দিনেশ কার্তিক বাংলাদেশের সাথে ভালো সম্পর্ক রেখেছে এবং কয়েক বছর আগেও ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে খেলেছেন। সেখানে সাকিব, তামিম, লিটন ও তাসকিনের মতো ক্রিকেটার ছিলেন। তারা সবাই আমার ভাই ছিল।

তাই সকল অনুসারীর প্রতি অনুরোধ করবো, আমাদের প্রতিবেশী বাংলাদেশকে ট্রোল করা বন্ধ করে ক্রিকেট খেলাকে উপভোগ করুন।

নামাজে ভুল হলে পড়ে নিন সাহু সিজদা, নতুবা হবে না নামাজ….!!

নামাজে যদি কোনও ওয়াজিব তরক হয়ে যায় তাহলে আপনাকে অবশ্যই সাহু সিজদা দিতে হবে। তা না হলে আপনার নামাজ হবে না। সাহু সিজদার এ মাসালাগুলো ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

সিজদা সাহু করার সঠিক নিয়ম হচ্ছে – “সালাতে কম বেশি যাই হোক, আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ, দুয়া মাসুরা পড়ে তাকবীর দিয়ে পর পর দুটি সিজদাহ দিয়ে সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করতে হবে।”
বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত সালাত অধ্যায় সাহো অনুচ্ছেদ, ১১৮ নাম্বার হাদিস।
অথবা, “সালাতে কম বেশি যাই হোক, সালামের ফেরানোর আগে বা পরে দুইটি (অতিরিক্ত) সাহু সিজদা দিতে হবে।”
সহীহ মুসলিম, নাওয়াতুল আওতার ৩/৪১১।

অর্থাৎ দুইটাই জায়েজ, সালামের আগে বা পরে দুইটা অতিরিক্ত সিজদা দেওয়া।
সালাম ফেরানোর আগে সিজদা সাহু যেভাবে করবেন: সিজদা সাহু দেওয়া ওয়াজিব হয় এমন কোন ভুল করলে, শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ, দুয়া মাসুরা পরে ডানে ও বামে দুইদিকে সালাম ফেরাবেন। এরপরে আল্লাহু আকবার বলে দুইটি সিজদা সাহু দেবেন। দুই সিজদার মাঝখানে বা সিজদাতে তাসবিহর পরে দুয়া করতে পারবেন। ২টা অতিরিক্ত সিজদা দিয়ে আর কিছু পড়তে হবেনা, আবার ডানে ও বামে দুইদিকেই সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করবেন।

তবে নামাজে যদি কোনো ফরজ তরক হয়ে যায় তাইলে আবার নতুন করে নামাজ পড়তে হবে। তিনটি কারণে নামাযে সাহু সিজদা দিতে হয়
১) নামায বৃদ্ধি হওয়া। যেমন, কোন রুকু, সিজদা বা বসা ইত্যাদি বৃদ্ধি হওয়া।
২) কোন রুকন বা ওয়াজিব কম হওয়া।
৩) সন্দেহ হওয়া।

নামায বৃদ্ধি হওয়া:
যদি নামাযের অন্তর্ভুক্ত এমন কিছু কাজ ভুলবশত বৃদ্ধি করে যেমন: দাঁড়ানো, বসা, রুকু, সিজদা ইত্যাদি- যেমন দু‘বার করে রুকু করা, তিন বার সিজদা করা, অথবা যোহর পাঁচ রাকাত আদায় করা। তবে সাহু সিজদা করবে। নামাজরত অবস্থায় যদি উক্ত বৃদ্ধি স্মরণ হয়- যেমন চার রাকাত শেষ করে পাঁচ রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেছে- তবে সে ফিরে আসবে এবং শেষে সিজদায়ে সাহু করবে।

সালাত পূর্ণ হওয়ার আগেই সালাম ফেরানো:
নামায পূর্ণ হওয়ার আগেই সালাম ফেরানো নামায বৃদ্ধি করার অন্তর্গত। যদি অনেক পরে এ ভুলের কথা মনে পড়ে তবে নামায পুনরায় ফিরিয়ে পড়বে। আর যদি একটু পরেই (যেমন দু/এক মিনিট) মনে পড়ে, তবে সে অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করবে এবং সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে।

নামাযে রুকন বা ওয়াজিব কম হওয়া।:
ক) যদি ভুলক্রমে ওয়াজিব পরিত্যাগ হয় আর উক্ত স্থান ছেড়ে যাওয়ার আগেই যদি স্মরণ হয়ে যায় তবে তা আদায় করবে এতে কোন দোষ নেই- সাহু সিজদা দিতে হবে না। কিন্তু যদি উক্ত ওয়াজিব ছেড়ে পরবর্তী রুকন শুরু করার আগেই স্মরণ হয়ে যায় তবে ফিরে গিয়ে সেই ওয়াজিব আদায় করবে এবং শেষে সাহু সিজদা করবে। কিন্তু পরবর্তী রুকন শুরু করার পর যদি স্মরণ হয় তবে উক্ত ছুটে যাওয়া ওয়াজিব রহিত হয়ে যাবে। অবশিষ্ট নামায আদায় করে সালামের পূর্বে সাহু সিজদা করলেই নামায পূর্ণ হয়ে যাবে।

যেমন কেউ দ্বিতীয় রাকাতের দ্বিতীয় সিজদা থেকে উঠে না বসে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াতে যাচ্ছে। এমন সময় স্মরণ হল নিজ ভুলের কথা। তখন সে বসে পড়বে এবং তাশাহুদ পড়ে সালাত পূর্ণ করবে। কোন সাহু সিজদা লাগবে না।
আর যদি কিছুটা দাঁড়ায় কিন্তু পরিপূর্ণরূপে দাঁড়ায়নি তবে সে বসে যাবে এবং তাশাহুদ পড়বে ও সালাত শেষে সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে। কিন্তু যদি পূর্ণরূপে দাঁড়িয়ে পড়ে তবে আর বসবে না। তাশাহুদ রহিত হয়ে যাবে। ঐভাবেই নামায পূর্ণ করবে এবং সালাম ফিরানোর পূর্বে সাহু সিজদা করবে।

খ) ফরজ নামাজের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য একটি সুরা মিলানো ওয়াজিব। যদি আপনি ভুল করে ফরজ নামাজের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য কোনো সুরা না পড়েন, তাহলে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। আপনি যদি যে কোনো সুন্নাত/নফল নামাজের যে কোনো রাকাতে সুরা ফাতেহা বা সুরা ফাতেহার পর অন্য একটি সুরা না পড়েন তাহলে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে।

সন্দেহ হওয়া:
নামাযের মধ্যে সন্দেহের দু‘টি অবস্থা: প্রথম অবস্থা: সন্দেহযুক্ত দু‘টি বিষয়ের মধ্যে যেটির প্রাধান্য পাবে সে অনুযায়ী কাজ করবে এবং নামায পূর্ণ করে সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে।
উদাহরণ: একজন লোক যোহরের নামায আদায় করছে। কিন্তু সন্দেহ হল এখন সে কি দ্বিতীয় রাকাতে না তৃতীয় রাকাতে? এ সময় সে অনুমান করে স্থির করবে কোনটা ঠিক। যদি অনুমান প্রাধান্য পায় যে এটা তৃতীয় রাকাত, তবে তা তৃতীয় রাকাত গণ্য করে নামায পূর্ণ করবে এবং সালাম ফেরানোর পর সাহু সিজদা করবে।

দ্বিতীয় অবস্থা: সন্দেহযুক্ত দু‘টি দিকের কোনটাই প্রাধান্য পায় না। এ অবস্থায় নিশ্চিত দিকটির উপর ভিত্তি করবে। অর্থাৎ কম সংখ্যাটি নির্ধারণ করে বাকী নামায পূর্ণ করবে। তারপর সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে।
একই নামাজে সিজদায়ে সাহু করার একাধিক কারণ পাওয়া গেলেও একটি সিজদায়ে সাহু করলেই হবে।

ইসলামী শরিয়তে কাঁকড়া খাওয়া যাবে কি না ??

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

প্রশ্ন: ইসলামী শরিয়তে কাঁকড়া খাওয়া যাবে কি না?

উত্তর: এই মাসয়ালা নিয়ে আলেমদের মধ্যে দ্বিমত আছে। বিশুদ্ধ বক্তব্য হচ্ছে, কাঁকড়া খাওয়া জায়েজ। যদি কারো খেতে রুচি হয়, তিনি খেতে পারবেন। যেহেতু নবী (সা.) হাদিসের মধ্যে বলেছেন, ‘সমুদ্রের অথবা নদীর যেই মৃত প্রাণী আছে, সেগুলো সবটাই হালাল।’ এর মধ্যে কাঁকড়াও অন্তর্ভুক্ত হবে এবং কাঁকড়া খাওয়াও হালাল হবে।

নবীর (সা.) হাদিস দ্বারা এটি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। তবে আলেমদের মধ্যে এই মাসয়ালা নিয়ে একটু বিতর্ক আছে।

এটি মূলত রুচির বিষয়। যদি কেউ খেতে চান, খেতে পারেন। আপনি যদি কাউকে জোর করে খাওয়াতে চান, তাহলে তার হয়তো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

টাকার অভাবে বিয়ে করছেন না সালমান খান …!!

বয়স ৫২ পেরিয়েও কেন তিনি বিয়ে করছেন না সকলের কাছে এই প্রশ্নটাই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবশেষে বিয়ে না করার কারণ জানালেন ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ অভিনেতা।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছিলেন সালমান। ওই অনুষ্ঠানেও তাকে সেই কাঙ্খিত প্রশ্নটারই মুখোমুখি হতে হয়, অর্থাৎ বিয়ে করছেন না কেন? উত্তরে নায়ক বলেন টাকার অভাবে তিনি বিয়ে করছেন না।


সালমানের কথায়, ‘বিয়ে এখন অনেক বড় খরুচে বিষয় হয়ে গেছে। এখন সকলেই বিয়েতে লাখ লাখ, কোটি কোটি টাকা খরচ করেন। আমার পক্ষে এত টাকা খরচ করা সম্ভব নয়। আর এই কারণেই আমি এখনও অবিবাহিত রয়ে গেছি।’

অভিনয় পছন্দ না হওয়ায় নায়িকা তামান্না ভাটিয়াকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ …।

ভারতের এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা তামান্না ভাটিয়া আজ সোমবার হায়দরাবাদের হিম্মতনগরে এক গয়নার দোকান উদ্বোধন করেন। এ সময় বাইরে থেকে এক যুবক ছুটে এসে দোকানের ভেতরে থাকা তামান্না ভাটিয়ার দিকে জুতা ছুড়ে মারেন। কিন্তু তা একটুর জন্য এই নায়িকার গায়ে লাগেনি।

নারায়ণগোদা পুলিশ স্টেশনের একজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম পিটিআইকে জানিয়েছেন, ৩১ বছর বয়সী এই যুবকের নাম করিমুল্লাহ। তিনি বিটেক গ্র্যাজুয়েট। জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা গেছে, এ সময়ের একটি ছবিতে তামান্না ভাটিয়ার অভিনয় তার পছন্দ হয়নি। এই নায়িকার ওপর তার প্রচণ্ড ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এ কারণে তিনি নায়িকাকে জুতা ছুড়ে মেরেছেন। এই ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তামান্না ভাটিয়া মুম্বাইয়ের মেয়ে হলেও তিনি তেলেগু ও তামিল ছবিতে বেশি অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি অভিনয় করেছেন হিন্দি ছবিতেও।

ইসলাম কি বলছে -‘মহিলাদের গোঁফ-দাড়ী হলে তা পরিষ্কার করা যাবে কি না’..?-জেনে নিন

প্রশ্ন : মহিলাদের চেহারার লোম পরিষ্কার করা বৈধ
কি না…?
**************************
উত্তরঃ মহিলাদের জন্য মুখমন্ডলের লোম পরিষ্কার
করা জায়েয। তবে তা উপড়ে ফেলা উচিৎ নয়।
কেননা এতে শারীরিক কষ্ট হয়ে থাকে, তাই
পাউডার জাতীয় (হেয়ার রিমোভার) বস্তু দ্বারা
পরিষ্কার করা শ্রেয়।

প্রশ্ন : মহিলাদের গোঁফ-দাড়ী হলে তা পরিষ্কার
করা যাবে কি না…………???
*************************
উত্তর : যদি কোন মহিলার মুখে গোঁফ-দাড়ী
গজায়, তাহলে তা পরিষ্কার করা শুধু জায়েযই নয় বরং
অতি উত্তম। যেহেতু উপড়াতে কষ্ট হয় তাই তা না
করে কোনো প্রকার পাউডার দ্বারা পরিষ্কার করা
উচিত। তদ্রুপ যদি কোনো মহিলার ঠোঁটের উপর
লোম গজায় তাহলে তা পরিষ্কার করা নিষেধ নয়। বরং
তা পরিষ্কার করা মহিলাদের জন্য উত্তম ও মুস্তাহাব।

প্রশ্ন : মহিলারা হাত পায়ের লোম পরিষ্কার করতে
পারবে কি না……….???
***********************
উত্তরঃ মহিলাদের জন্য হাত ও পায়ের লোম
পরিষ্কার করা জায়েয। কেননা তাদের জন্য লোম না
হওয়াই সৌন্দর্য। আর যেহেতু তাদের মূলই হচ্ছে
লোম না থাকা, তাই এতে সৃষ্টির মধ্যে কোনো
প্রকার পরিবর্তন বলা যাবে না। এবং এ ক্ষেত্রে
ধোকা দেয়ারও অর্থ বুঝায়না। সুতরাং হাত পায়ের
লোম পরিষ্কার করতে পারবে।
# ফতুয়ায়ে আলমগীরি প্রথম খন্ড :৫৬৮ পৃষ্ঠা।

না হেসে উপায় নাই …।।

প্রান খুলে হাসুন। হাসলে মন ভাল থাকে।
কিছু মজার জোকস নিয়ে আসলাম আপনাদের জন্য।

♣♣♣ সংসদের গেটের সামনে ভাঙাচোরা একটা সাইকেলে তালা মেরে রেখে যাচ্ছিল এক লোক।
তা দেখে হা হা করে ছুটে আসে দারোয়ান। চিৎকার করে বলে, ‘ওই ব্যাটা, এখানে সাইকেল রাখছিস কী বুঝে?
জানিস না, এ পথ দিয়ে মন্ত্রী-মিনিস্টাররা যান।’
লোকটা একগাল হেসে জবাব দেয়, ‘কোনো সমস্যা নাই ভাইজান, সাইকেলে তালা মাইরা দিছি । ♣♣♣

♣♣♣ এক ছেলে মেয়ে কে বলছে “ই লাভ ইউ”
মেয়েঃ অই আয়নাতে নিজের চেহারা দেখছিস কখনো
ছেলেঃ দেখছি বইলাই ত তর মত পেত্নির কাছে আসছি নাইলে তো ক্যাটরিনার কাছেই যাইইতাম । ♣♣♣

♣♣♣ পাগলা গারদে দুই পাগল,একে অপরকে বলেঃ মাইনসে আমডার ফাগল কয়, চল পরিক্ষা কইরা দেহি আমরা না মাইনসে পাগল ।১মজন বল্ল আমি জিগাই তুই উত্তর দিবি ঠিক আছে ? হাতটা মুঠ করে বলে আমি কিধরছি ?
২য়জন বলে ড়েল গাড়ী ! ১মজন হুম্ম দেইক্কা লাইচচ ! এবার ২য়জন আচ্ছা পানিত আগুন লাগলে মাছ গুলি কই যায় ?১মজন কেন গাছে উডে ! ২য়জন ধুর বেডা তুই একটা ফাগল ! মাছ কি গরু নি গাছে উঠতো ? ♣♣♣

♣♣♣ তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী আক্কাচকে ডেকে বলল– ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে। ২ ঘন্টা পরে আক্কাচ তড়িঘড়ি করে এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!! :O :-* :3……।♣♣♣

♣♣♣ একদিন হাটতে হাটতে দেখি একটি মেয়ে ব্রিজ থেকে লাফ দিতে যাচ্ছে। আমি জিজ্ঞাস করলামঃ আপনি কি আত্মহত্যা করতেছেন? মেয়েটাঃ হ্যাঁ…। আমিঃ আপনি তো আত্মহত্যাই করতেছেন, তাই আমি কি আপনাকে একটা kiss করতে পারি? মেয়েটা রাজি হল। kiss করলাম। kiss করে জিজ্ঞাস করলাম যে উনি কেন আত্মহত্যা করছেন। মেয়েটাঃ দেখুন, আমার কি দোষ। আমি ছেলে বলে কি মেয়েদের মতো কাপড় পড়ে একটু সাঁজতে পারি না। আজব। আমি মেয়েদের মতো কাপড় পড়তে চাই। কিন্তু Family থেকে দেয় না। তাই আই জীবন রাখব না। কি আর করবো বলেন। কথাটা শুনে আমিই ব্রিজ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করলাম…………… …। ♣♣♣

ইসলাম কি বলছে – টিভি দেখা জায়েয না হারাম ??- জেনে নিন

ইসলাম কি বলছে – টিভি দেখা জায়েয না হারাম ??- জেনে নিন

আমাদের দেশে এক শ্রেণীর আলেম আছেন, যাদের সৃষ্টিতে টিভি হারাম। চাই ইসলামী হোক কিংবা অনৈসলামী। এবার দেশে ছুটিতে গিয়ে কাদিয়ানীর চেলা বরকতুল্লাহর তনয় হাবীবুল্লাহ ভণ্ড নবুওতদাবীদারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভায় বক্তৃতা করছিলাম।

কথা প্রসঙ্গে টিভিতে কাদিয়ানীদের প্রচার সম্পর্কে বলেছিলাম; যে তারা বিশ্বের অনেক ভাষায় সরাসরি তাদের দাওয়াত প্রচার করছে। এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে আমাকে আলোচনা সংক্ষেপ করতে বলা হলো। উপস্থিত জনতা হতে আওয়াজ আসা শুরু হলো যে, হুজুর টিভির ওয়াজ বন্ধ করুন। আমি আমার আলোচনা যথা সময়ে শেষ করলাম। আমাকে ভিতরে ডাকা হলো, সকলে আমার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে বললো, আপনি তো আজ টিভি দেখা জায়েয করে দিলেন! আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম, এবং বললাম: আমি টিভি হালাল করতে যাবো কেন? টিভি তো আগ থেকেই হালাল। এই জবাব শুনে সকলে এক সঙ্গে বলা শুরু করলো, আপনি বলেন কি! টিভি দেখা হারাম, আমরা এই ফতোয়াই দিয়ে আসছি।

তখন আমি বললাম,আপনাদের এই ফতোয়া শুনে কয়জন লোক টিভি দেখা ত্যাগ করেছে? এবং কয়টি বাড়ি দেখাতে পারবেন যে, টিভি নাই? অথচ গ্রামের প্রতিটা ঘরে এখন স্যাটালাইট টিভির লাইন রয়েছে।

আমি তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম,যে এই যুগটা মিডিয়ার যুগ, তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। আমাদেরকেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে দাওয়াতী কাজে ভূমিকা রাখতে হবে।

স্থানীয় এক শাইখুল হাদীস ও মুফতী বললেন, ২৫টি দলীলের ভিত্তিতে টিভি দেখা হারাম।

আমি বললাম, দুই একটা দলীল পেশ করুন। তিনি বললেন, দেখুন টিভিতে উপস্থাপনা মহিলারা করে থাকে, তাই হারাম। এই দলীল শুনে হাসবো না কাঁদবো, বললাম অনেক টিভি চ্যানেল এমন আছে, যার উপস্থাপক পুরুষ। মহিলাদের সেখানে কোন সুযোগ নাই। তখন তিনি বললেন, এমন হতেই পারে না। বললাম, হতে পারে। ক্বানাতে মাজদ, ( সৌদী আরব, ক্বানাতে রিসালা, কুয়েত, তাছাড়া ক্বানাত ইক্বরা, এছাড়াও মধ্যপ্রচ্যের সব দেশেই এমন চ্যানেল রয়েছে, যেগুলোতে ইসলামী আলোচনা, কুরআন তেলাওয়াত, হাদীসে রাসূলের আলোচনা হয়ে থাকে। আমার একথা শুনে শায়খ বললেন, যে তবুও হারাম। আমি বললাম এগুলোতে তো আর মহিলারা উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে না। তিনি বললেন, টিভির আবিষ্কারকরা অমুসলিম, তাই টিভি দেখার হারাম। (এটা তার দ্বিতীয় দলীল) আমি বললাম, মাশা আল্লাহ! আজব দলীল পেশ করলেন। এটা যদি হারাম হওয়ার দলীল হয়, তাহলে তো আজ আর এখান থেকে বাড়িতেই যেতে পারবনে না! কারণ, যে গাড়িতে চড়ে বাসায় যাবেন, তাও তো অমুসলিমদের আবিষ্কার, আপনার হাতের মোবাইল সেটটি অমুসলিমদের আবিষ্কার, আপনি হজ্জ করতে সৌদী আরব গিয়েছিলেন, প্যালেনে চড়ে তাও অমুসলিমদের আবিষ্কার, এই দলীলে যদি টিভি দেখা হারাম হয়, তাহলে তো আপনার হজ্জ হয় নাই, বাড়িতে যাওয়া হারাম হবে, মোবাইল ফোন রাখতে পারবেন না।

তাদের সবগুলো দলীল এমন খোড়া যা একজন সাধারণ গবেষক জবাব দিতে পারবেন। কুরআন ও হাদীস হতে একটি দলীলও দিতে পারেন নি। আরো কত কথা। আমার ইমেইজ বিলীন করে দিলাম, কারণ আমি টিভির পক্ষে কেন কথা বললাম। জনগণ আমার কোন কথাই আর শুনবে না। আমি বললাম, আপনাদের এমন ফতোয়ায় কি কোন বাড়ি টিভি ছাড়া হয়েছে, মোবাইল ছাড়া কোন লোক দেখাতে পারবেন। আপনার নিজের হাতেও অমুসলিমদের তৈরী হারাম মোবাইল রয়েছে।

একসময় এই শ্রেণীর আলেমরা ইংরেজি পড়া হারাম ফতোয়া দিয়েছিলেন। এখন অবশ্য তাড়াও ইংরেজি পড়ান।

হক্কানী ওলামেয় কেরামগণ যদি এমন ফতোয়া না দিয়ে ইসলাম প্রচারের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতো, তাহলে ইসলামের সঠিক কথাগুলো বিশ্বব্যাপী সহজে পৌঁছে যেতো। বর্তমানে বাংলাদেশের কয়েকটি টিভিতে ইসলামী আলোচনা হয়, তাদের মধ্য হতে কিছু কিছু চ্যানেলে বেদআতী আলেমগণ অনুষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছে, আবার কিছু চ্যানেলে সঠিক কথা-বার্তা প্রচার হচ্ছে।

দেখুন টিভি একটি যন্ত্র, এর মাধ্যমে আপনি যা দেখাতে চাইবেন,তাই সে দেখাবে,এক কথায় টিভি আয়নার মতো,আয়নার সামনে যে ছবি ধরা হবে,সে তাই দেখাবে, ছবি সুন্দর না হলে যেমন আয়নাকে দোষারোপ করা যায় না, টিভিতেও খারাপ কিছু দেখালে, টিভিকে খারাপ বলা যুক্তি সঙ্গত হবে না। বরং যিনি পরিচালনা করছেন, তাকেই দোষারোপ করতে হবে। টিভিতে যদি ইসলামী অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়,সেই ক্ষেত্রেও টিভিকে হারাম ফাতাওয়া দেওয়া এক প্রকারের অজ্ঞতা বা গোঁড়ামী।

আমার এই কথাগুলো একটি বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষিতে লেখা, কাউকে হ্যায় করা উদ্দেশ্য নয়, আসুন আমরা প্রচারের যতগুলো প্রযুক্তি রয়েছে, সেগুলো ব্যবহার করে, ইসলামের সঠিক আলো সারা বিশ্বে পৌঁছে দেই। কারণ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং শোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যতদ্রুত সংবাদ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে, অন্য কোন উপায়ে এত দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব না।

আল্লাহ আমাদের সঠিক জ্ঞান অর্জন করে তদানুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন