সালমানকে স্বামী দাবি করে সালমানের বাসায় হাজির এক নারী …।।

নিরাপত্তাকর্মীদের চোখ এড়িয়ে সালমানের বাসায় ধাতব একটি বস্তু নিয়ে ঢুকে পড়েন জনৈক নারী। মজার ব্যাপার হলো, ধরা পড়ার পর তিনিকে সালমানকে নিজের স্বামী বলে দাবি করেন।

ডেকান ক্রনিকেলসের খবরে প্রকাশ, সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে ঢোকার পর তিনি সালমানের ফ্ল্যাট খুঁজে বের করেন। সেখানে অনেকক্ষণ দরজা ধাক্কা দেওয়ার পর অ্যালার্ম বেজে ওঠে এবং পুলিশের পরিবর্তে খবর দেওয়া হয় দমকলকর্মীদের। তাঁরা এসে মেয়েটিকে অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে নিয়ে যায়।

সালমানের বাসার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, ‘দমকলকর্মীরা মেয়েটিকে বের করার আগে তাঁর হাত থেকে ধাতব বস্তু নিয়ে নেয়। তাঁকে বেশ আক্রমণাত্মক এবং মানসিক ভারসাম্যহীন মনে হচ্ছিল। সে বারবার একটাই কথা বলছিল, সালমান আমার স্বামী। তবে অবাক করা বিষয়, কেউ পুলিশে খবর দেয়নি।’ বান্দ্রা পুলিশ স্টেশনের ইন্সপেক্টর পণ্ডিত ঠাকুর জানান, এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

এবারই প্রথম নয়, এর আগেও গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে দেখা মিলেছিল অনুপ্রবেশকারীর। দালানের ভেতরে এক বাথরুম থেকে আটক করা হয় তাঁকে। এবারের ঘটনার পর আরো শক্ত করা হয়েছে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের নিরাপত্তাব্যবস্থা। তবে যাকে নিয়ে এ ঘটনা, সেই সালমান খানই ঘটনাস্থলে ছিলেন অনুপস্থিত। ‘রেস-৩’ ছবির শুটিংয়ের জন্য বর্তমানে আবুধাবিতে অবস্থান করছেন তিনি।

পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই পরচুল পরা হারাম..। জেনে নিন বিস্তারিত…।।

প্রশ্ন : একটি হাদিসে দেখলাম পরচুল পরা নিষেধ। কিন্তু যাদের চুলে খোঁপা হয় না, তাঁরা কি পরতে পারবে?

উত্তর : আপনি যে হাদিসের কথা উল্লেখ করেছেন, সেটি সহিহ। পরচুল তিনি পরে থাকেন তাঁকে রাসুল (সা.) অভিশাপ দিয়েছেন, তাই এটি হারাম। কারো যদি খোঁপা না হয়ে থাকে, তিনি চুল শুধু বেঁধে রাখবেন। চুল খোঁপা করতেই হবে, এটি শর্ত নয়।
চুল খোঁপা হওয়া সৌন্দর্যের বিষয়, কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু যাকে আল্লাহ সুবনাহুতায়ালা সুন্দর করেননি, তিনি কি আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালার ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে থাকবেন? তিনি মনে করবেন আল্লাহ তাঁকে অবশ্যই অন্য দিক থেকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছেন। সব দিক থেকে সৌন্দর্যমণ্ডিত বা সবদিক থেকে সুন্দর এমন কোনো পারফেক্ট মানুষ পৃথিবীতে পাওয়া যাবে না। বরং কোনো না কোনো দিক থেকে কিছু না কিছু ঘাটতি থেকেই যাবে। সুতরাং এই ঘাটতির জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের শুকরিয়া আদায় করা দরকার এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করা দরকার। সামান্য ঘাটতির জন্য আপনি হারাম কাজে লিপ্ত হতে পারেন না।

পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই পরচুল পরা হারাম। তবে হাদিসের মধ্যে নারীদের কথা স্পষ্ট এসেছে। একদল ওলামায়ে কেরাম বলেছেন, পুরুষদের ক্ষেত্রেও কিয়াস করা হয়েছে। যেহেতু সৌন্দর্যের জন্য নারীদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সে ক্ষেত্রে নারীদের যেহেতু অনুমোদন দেওয়া হয়নি, সেহেতু পুরুষদের জন্যও এটি অনুমোদিত বিষয় নয়। তবে পুরুষদের জন্য সুস্পষ্ট হাদিস আসেনি।

(উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।)

ইসলামে কোন নারী নবী নেই !! জানেন কি কেন ??? জানুন বিস্তারিত।।

ইসলাম ধর্মে এই একটি জিনিসই ব্যতিক্রম যে, এই ধর্মে কোন মহিলা নবীর আগমন ঘটেনি। কিন্তু মহান আল্লাহ তা’য়ালা ঠিক কি কারণে কোন মহিলাকে নবী হিসেবে প্রেরণ করেন নি? পিসটিভি বাংলায় একজন মহিলা এই প্রশ্নটি সরাসরি জাকির নায়েকের কাছে করেন।

উত্তরে ডাক্তার জাকির নায়েক বলেন, যদি নবী বলতে আপনি বোঝেন, এমন এক ব্যক্তি যিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে বাণী গ্রহণ করেন এবং যিনি মানবজাতির নেতা হিসেবে কাজ করেন; তাহলে সেই অর্থে নিশ্চিত করে বলতে পারি, ইসলামে কোনো নারী নবী আসেনি এবং এটাই সঠিক। কারণ একজন নারীকে যদি নবী হতে হয় তাহলে তাকে সমগ্র মানুষের নেতৃত্ব দিতে হবে। কিন্তু কুরআনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে পুরুষরা হলো পরিবারের প্রধান। সুতরাং পুরুষ যদি পরিবারের প্রধান হয়ে থাকে তবে কিভাবে নারী সমগ্র মানুষের নেতৃত্ব দেবে? এছাড়াও একজন নবীকে নামাজের ইমামতি করতে হয়। আর আপনারা জানেন, নামাজে বেশ কিছু অঙ্গভঙ্গি রয়েছে যেমন- কিয়াম, রুকু, সাজদাহ ইত্যাদি। যদি একজন নারী নবী নামাজের নেতৃত্ব দিত তবে

জামাআতের পেছনে যে সকল পুরুষ সলাত আদায় করত এটা তাদের এবং ইমাম উভয়ের জন্যই বেশ বিব্রতকর হত।

এখানে আরো অনেক ব্যাপার রয়েছে। যেমন- একজন নবীকে সাধারণ মানুষের সাথে সর্বদা দেখা সাক্ষাৎ করতে হয়। কিন্তু এটা একজন মহিলা নবীর পক্ষে অসম্ভব। কারণ ইসলাম নারী-পুরুষ পরস্পরের মেলামেশার ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে। যদি মহিলা নবী হতো এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সে যদি গর্ভবতী হতো, তবে তার পক্ষে কয়েক মাস নবুওয়াতের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হতো না।

অপরদিকে একজন পুরুষের পক্ষে পিতৃত্ব এবং নবুওয়াতের দায়িত্ব পালন করা একজন মহিলার মাতৃত্ব এবং নবুওয়াতের দায়িত্ব পালন করা থেকে তুলনামূলক সহজ। কিন্তু আপনি যদি নবী বলতে শুধু বোঝেন, এমন একজন ব্যক্তি যিনি আল্লাহ পছন্দের এবং যিনি পবিত্র ও খাঁটি ব্যক্তি, তবে সেখানে কিছু নারীর উদাহরণ রয়েছে- আমি এখানে উত্তম উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করব মারইয়াম আ. এর নাম। তিনি ছিলেন মনোনীত এবং পরিশুদ্ধ। তিনি ছিলেন ঈসা আ. এর মা।

সুরাহ আল ইমরানের ৪২ নং আয়াতে উল্লেখ আছে- ‘যখন ফেরেশতারা বলেছিল, হে মারইয়াম! আল্লাহ আপনাকে মনোনীত করেছেন, পবিত্র করেছেন এবং নির্বাচিত করেছেন বিশ্বজগতের নারীদের ওপর।’

এছাড়াও সুরাহ তাহরিম-এ ফেরাউনের স্ত্রী আছিয়ার কথা উদাহরণ হিসেবে নিতে পারেন- ‘আল্লাহ বিশ্বাসীদের জন্য ফেরাউনের স্ত্রীর (আছিয়া) অবস্থা বর্ণনা করেছেন।’

ফিরাউনের স্ত্রী আল্লাহর কাছে দু’আ করেছিলেন- ‘হে আমার রব! আমার জন্য বেহেশতের মধ্যে আপনার সন্নিকটে ঘর নির্মাণ করে দিন, আর আমাকে ফেরাউন থেকে এবং তার (কুফুরি) আচরণ থেকে রক্ষা করুন, আর আমাকে সমস্ত অত্যাচারী লোকজন থেকে হিফাজত করুন।

আত-তাহরিম, আয়াত ১১

একটু কল্পনা করুন, তিনি ছিলেন তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী সম্রাট ফারাও-এর স্ত্রী। অথচ তিনি আল্লাহর ভালবাসার জন্য নিজের আরাম-আয়েশ ও বিলাসিতা ত্যাগ করতে চেয়েছেন। সুতরাং আপনি যদি বুঝাতে চান আল্লাহর পছন্দের, পবিত্র ও খাঁটি তাহলে আপনি তাদের উদাহরণ হিসেবে নিতে পারেন।