‘রেস থ্রি’-তে ভিলেনরূপে দেখা যাবে সালমান খানকে !!

প্রায় ত্রিশ বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে সালমান ইতিবাচক চরিত্রে পর্দায় হাজির হয়েছেন। কখনো তাকে ভিলেনরূপে দেখা যায়নি। অনেক সাক্ষাৎকারে সালমান জানিয়েছিলেন, তিনি কখনো ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করবেন না। নায়কের চরিত্রই তার বেশি পছন্দ।

কিন্তু এবার খল চরিত্রে দেখা যাবে মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর সালমান খানকে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।

সালমান খানের পরবর্তী সিনেমা ‘রেস থ্রি’। রেমো ডেসুজা পরিচালিত এ সিনমোয় খল চরিত্রে অভিনয় করছেন সালমান। তবে বিশেষ একটি শর্তে নাকি এমন চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হয়েছেন তিনি। তথাকথিত খলনায়করা সিনেমায় যে সব ‘ভিলেনসূলভ’ কাজকর্ম করে থাকেন, তার কিছুই করতে হবে না বলিউডের এই ভাইজানকে। সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এ তথ্য জানিয়েছে।

‘রেস থ্রি’ সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘‘অভিনয় ক্যারিয়ারের এত বছর যখন খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হচ্ছিলেন না সালমান তখন রেস থ্রি-এর জন্য রাজি হলেন তিনি। তবে তিনি ‘সাইকোলজিক্যাল’ ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হয়েছেন। ভিলেন মানেই নায়ককে অহেতুক ভয় দেখানো, নায়িকার পেছনে তাড়া করা আর বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে মদ্যপান, এসবে আগেই বিরক্ত সালমান। তিনি রুপালি পর্দায় পরিকল্পনা মাফিক কুকর্ম করতে রাজি হয়েছেন। যে প্ল্যানের পরতে পরতে রহস্য থাকবে। এমন খলনায়কের চরিত্র নিয়ে হাজির হবেন সালমান খান।’

ইতোমধ্যে সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়েছে। সালমান খান ফিল্মস ও টিপস ফিল্মস যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করছে। আগামী ১৫ জুন সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে।

প্রকাশ পেল ‘বাঘি-২’ ছবির ট্রেইলার …। একদিনেই ট্রেইলার দেখা হলো ৬ কোটি বার ।

বলিউড লাইফ ডটকমের খবরে প্রকাশ, ইউটিউব, ফেসবুক, হটস্টার ও স্টার টিভি নেটওয়ার্ক—সব মিলিয়ে ৬০ মিলিয়ন বা ছয় কোটি বার দেখা হয়েছে ‘বাঘি-২’ ছবির ট্রেইলার। এর মধ্যে ফেসবুক ও ইউটিউব মিলিয়ে ট্রেইলারটি দেখা হয়েছে দুই কোটি বার।

ছবিটি প্রযোজনা করেছে সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা ও ফক্স স্টার স্টুডিওস। পরিচালনায় ছিলেন আহমেদ খান। ছবির কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করছেন দিশা পাটানি। এ ছাড়া রয়েছেন রণদীপ হুদা, প্রতীক বাবর ও মনোজ বাজপেয়ি।

চলতি বছরের ৩০ মার্চ ছবিটির মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

এখনও না দেখে থাকলে আপনি ও দেখে নিন ট্রেইলার টি …।

আজ রাতে দেখা যাবে ‘সুপার মুন’…।

উত্তর আমেরিকা, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, রাশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া অঞ্চল থেকে দেখা যাবে এ অত্যাশ্চর্য দৃশ্য। চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টা ৫১ মিনিটে, চলবে রাত ১০টা ৮ মিনিট পর্যন্ত।

তবে বাংলাদেশ থেকে এ চন্দ্রগ্রহণ দেখতে হলে আকাশে চাঁদ ওঠা পর্যন্ত, অর্থাৎ সন্ধ্যারাত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

অবলোকন করা যাবে রক্তিম চাঁদ। শেষবার এমনটা ঘটেছিল ১৫২ বছর আগে। জ্যোতির্বিদরা এ বিরল ঘটনার নাম দিয়েছেন ‘সুপার ব্লু ব্লাড মুন এক্লিপস’।

প্রসঙ্গত, একই মাসে দু’বার পূর্ণিমার চাঁদ দেখা গেলে দ্বিতীয় পূর্ণিমার চাঁদকে বলা হয় ব্লু-মুন। নামে ‘নীল চাঁদ’ হলেও নীল রঙের সঙ্গে এ চাঁদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাছাড়া এসময় চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল দেখাবে বলে এ চাঁদকে বলা হচ্ছে ‘সুপার মুন’। চন্দ্রগ্রহণের সময় একই সঙ্গে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’ও। পৃথিবীর ছায়ায় অবস্থানের কারণে চাঁদ রক্তিম বা রক্তরঙা হয়ে ওঠে।

ইসলাম কি বলছে – টিভি দেখা জায়েয না হারাম ??- জেনে নিন

ইসলাম কি বলছে – টিভি দেখা জায়েয না হারাম ??- জেনে নিন

আমাদের দেশে এক শ্রেণীর আলেম আছেন, যাদের সৃষ্টিতে টিভি হারাম। চাই ইসলামী হোক কিংবা অনৈসলামী। এবার দেশে ছুটিতে গিয়ে কাদিয়ানীর চেলা বরকতুল্লাহর তনয় হাবীবুল্লাহ ভণ্ড নবুওতদাবীদারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভায় বক্তৃতা করছিলাম।

কথা প্রসঙ্গে টিভিতে কাদিয়ানীদের প্রচার সম্পর্কে বলেছিলাম; যে তারা বিশ্বের অনেক ভাষায় সরাসরি তাদের দাওয়াত প্রচার করছে। এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে আমাকে আলোচনা সংক্ষেপ করতে বলা হলো। উপস্থিত জনতা হতে আওয়াজ আসা শুরু হলো যে, হুজুর টিভির ওয়াজ বন্ধ করুন। আমি আমার আলোচনা যথা সময়ে শেষ করলাম। আমাকে ভিতরে ডাকা হলো, সকলে আমার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে বললো, আপনি তো আজ টিভি দেখা জায়েয করে দিলেন! আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম, এবং বললাম: আমি টিভি হালাল করতে যাবো কেন? টিভি তো আগ থেকেই হালাল। এই জবাব শুনে সকলে এক সঙ্গে বলা শুরু করলো, আপনি বলেন কি! টিভি দেখা হারাম, আমরা এই ফতোয়াই দিয়ে আসছি।

তখন আমি বললাম,আপনাদের এই ফতোয়া শুনে কয়জন লোক টিভি দেখা ত্যাগ করেছে? এবং কয়টি বাড়ি দেখাতে পারবেন যে, টিভি নাই? অথচ গ্রামের প্রতিটা ঘরে এখন স্যাটালাইট টিভির লাইন রয়েছে।

আমি তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম,যে এই যুগটা মিডিয়ার যুগ, তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। আমাদেরকেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে দাওয়াতী কাজে ভূমিকা রাখতে হবে।

স্থানীয় এক শাইখুল হাদীস ও মুফতী বললেন, ২৫টি দলীলের ভিত্তিতে টিভি দেখা হারাম।

আমি বললাম, দুই একটা দলীল পেশ করুন। তিনি বললেন, দেখুন টিভিতে উপস্থাপনা মহিলারা করে থাকে, তাই হারাম। এই দলীল শুনে হাসবো না কাঁদবো, বললাম অনেক টিভি চ্যানেল এমন আছে, যার উপস্থাপক পুরুষ। মহিলাদের সেখানে কোন সুযোগ নাই। তখন তিনি বললেন, এমন হতেই পারে না। বললাম, হতে পারে। ক্বানাতে মাজদ, ( সৌদী আরব, ক্বানাতে রিসালা, কুয়েত, তাছাড়া ক্বানাত ইক্বরা, এছাড়াও মধ্যপ্রচ্যের সব দেশেই এমন চ্যানেল রয়েছে, যেগুলোতে ইসলামী আলোচনা, কুরআন তেলাওয়াত, হাদীসে রাসূলের আলোচনা হয়ে থাকে। আমার একথা শুনে শায়খ বললেন, যে তবুও হারাম। আমি বললাম এগুলোতে তো আর মহিলারা উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে না। তিনি বললেন, টিভির আবিষ্কারকরা অমুসলিম, তাই টিভি দেখার হারাম। (এটা তার দ্বিতীয় দলীল) আমি বললাম, মাশা আল্লাহ! আজব দলীল পেশ করলেন। এটা যদি হারাম হওয়ার দলীল হয়, তাহলে তো আজ আর এখান থেকে বাড়িতেই যেতে পারবনে না! কারণ, যে গাড়িতে চড়ে বাসায় যাবেন, তাও তো অমুসলিমদের আবিষ্কার, আপনার হাতের মোবাইল সেটটি অমুসলিমদের আবিষ্কার, আপনি হজ্জ করতে সৌদী আরব গিয়েছিলেন, প্যালেনে চড়ে তাও অমুসলিমদের আবিষ্কার, এই দলীলে যদি টিভি দেখা হারাম হয়, তাহলে তো আপনার হজ্জ হয় নাই, বাড়িতে যাওয়া হারাম হবে, মোবাইল ফোন রাখতে পারবেন না।

তাদের সবগুলো দলীল এমন খোড়া যা একজন সাধারণ গবেষক জবাব দিতে পারবেন। কুরআন ও হাদীস হতে একটি দলীলও দিতে পারেন নি। আরো কত কথা। আমার ইমেইজ বিলীন করে দিলাম, কারণ আমি টিভির পক্ষে কেন কথা বললাম। জনগণ আমার কোন কথাই আর শুনবে না। আমি বললাম, আপনাদের এমন ফতোয়ায় কি কোন বাড়ি টিভি ছাড়া হয়েছে, মোবাইল ছাড়া কোন লোক দেখাতে পারবেন। আপনার নিজের হাতেও অমুসলিমদের তৈরী হারাম মোবাইল রয়েছে।

একসময় এই শ্রেণীর আলেমরা ইংরেজি পড়া হারাম ফতোয়া দিয়েছিলেন। এখন অবশ্য তাড়াও ইংরেজি পড়ান।

হক্কানী ওলামেয় কেরামগণ যদি এমন ফতোয়া না দিয়ে ইসলাম প্রচারের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতো, তাহলে ইসলামের সঠিক কথাগুলো বিশ্বব্যাপী সহজে পৌঁছে যেতো। বর্তমানে বাংলাদেশের কয়েকটি টিভিতে ইসলামী আলোচনা হয়, তাদের মধ্য হতে কিছু কিছু চ্যানেলে বেদআতী আলেমগণ অনুষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছে, আবার কিছু চ্যানেলে সঠিক কথা-বার্তা প্রচার হচ্ছে।

দেখুন টিভি একটি যন্ত্র, এর মাধ্যমে আপনি যা দেখাতে চাইবেন,তাই সে দেখাবে,এক কথায় টিভি আয়নার মতো,আয়নার সামনে যে ছবি ধরা হবে,সে তাই দেখাবে, ছবি সুন্দর না হলে যেমন আয়নাকে দোষারোপ করা যায় না, টিভিতেও খারাপ কিছু দেখালে, টিভিকে খারাপ বলা যুক্তি সঙ্গত হবে না। বরং যিনি পরিচালনা করছেন, তাকেই দোষারোপ করতে হবে। টিভিতে যদি ইসলামী অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়,সেই ক্ষেত্রেও টিভিকে হারাম ফাতাওয়া দেওয়া এক প্রকারের অজ্ঞতা বা গোঁড়ামী।

আমার এই কথাগুলো একটি বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষিতে লেখা, কাউকে হ্যায় করা উদ্দেশ্য নয়, আসুন আমরা প্রচারের যতগুলো প্রযুক্তি রয়েছে, সেগুলো ব্যবহার করে, ইসলামের সঠিক আলো সারা বিশ্বে পৌঁছে দেই। কারণ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং শোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যতদ্রুত সংবাদ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে, অন্য কোন উপায়ে এত দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব না।

আল্লাহ আমাদের সঠিক জ্ঞান অর্জন করে তদানুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন

টানা ৬ ম্যাচ হারের পর, জয়ের দেখা পেল পাকিস্তান…।।

দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে কিউইদের ৪৮ রানে হারায় সফরকারীরা। পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের পর প্রথম টি-টুয়েন্টিতেও হেরেছিল পাকিস্তান। ইডেন পার্কে জিতে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে ১-১এ সমতা টানল সরফরাজের দল।

টানা ছয় ম্যাচ হারের পর নিউজিল্যান্ড সফরে অবশেষে জয়ের দেখা পেয়েছে পাকিস্তান।

টানা হারে ভেতরে-বাইরে বেশ চাপে ছিল পাকিস্তান দল। বিশেষ করে ব্যাটসম্যানরা। পুরো সফরে নিষ্প্রভ ব্যাটিং লাইনআপ এদিন জ্বলে ওঠে। তাতে পুড়ে ছাই নিউজিল্যান্ড। দুই ফিফটি আর দুই চল্লিশোর্ধ ইনিংসে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ২০১ রান তোলে পাকিস্তান।

প্রথম ১০ ওভারে ৯৪ তোলেন দুই ওপেনার ফখর জামান ও আহমেদ শেহজাদ। ফখর ২৮ বলে ৫০ রানের ইনিংস সাজান ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। সেখানে শেহজাদের ৩৪ বলে ৪৪ রানের ইনিংসে ছিল ৬ চার ও এক ছক্কার মিশেল।

অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ২৪ বলে ৪১ করে ফেরেন, ২ চার ও ৩ ছয়ে। আর বাবর আজম ২৯ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন, ৫ চার এক ছক্কার ইনিংস সাজিয়ে। দুই শতাধিক রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা মোটেই ভাল হয়নি নিউজিল্যান্ডের। শেষঅবধি ৯ বল বাকি থাকতে ১৫৩ রানেই অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

দলের প্রথম ছয় ব্যাটসম্যানের মধ্য মার্টিন গাপটিল ২৬ ছাড়া অন্যকেউ উল্লেখ করার মত রান করতে পারেননি। শেষদিকে স্পিনার মিচেল স্যান্টনার ৩৭ ও পেসার বেন হোয়েলার ৩০ রান করলে হারের ব্যবধানটাই শুধু কমেছে।

পাকিস্তানের হয়ে ফাহিম আশরাফ ৩টি, মোহাম্মদ আমির ও শাদাব খান ২টি করে এবং হাসান আলী একটি উইকেট নেন।