কবরের আযাব থেকে বাঁচতে চান? নবীজি(সা) ও বুড়ি মায়ের এই ঘটনাটি অবশ্যই পড়ুন !!

কবরের আযাব – নবীজি সাঃ অনেকগুলো কবর দেখলেন । খুশী হলেন । শেষমেশ একটা কবরের সামনে গেলেন। উনার চেহারা মুবারকে ঘাম দেখা দিল । তিনি অস্হির হয়ে পড়লেন। দুঃচিন্তায় চেহারা কালো হয়ে উঠল। হয়রান পেরেশান হয়ে গেলেন তিনি।

একজন সাহাবী (রাঃ) উনার অবস্হা দেখে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এত পেরেশান কেন ?

‘হায়, হায়’ ! তিনি অস্হির হয়ে বললেন, ‘এই কবরের বাসিন্দার উপর ভয়ানক আযাব হচ্ছে । এমনই শাস্তি যা ভাষায় বলা যায় না । আহা ! এই ব্যক্তির কি উপায় ?’

বলে তিনি কবরে হাত মুবারক রেখে দোয়া করলেন । কিন্তু চেহারায় প্রশান্তি এলো না ।

তিনি বললেন, ‘দোয়া কবুল হচ্ছে না । কোন রহস্যময় কারণে । সাংঘাতিক বড় পাপ করেছে সে ।’

হুজুর (সাঃ) এর উপর অস্হিরতা বেড়েই চললো । তিনি বললেন, ‘ আমার উম্মতের উপর এমন কঠিন শাস্তি হচ্ছে আর আমি বাড়ী গিয়ে ঘুমাবো ?

তিনি একজন সাথীকে ডেকে বললেন, ‘যাও, মদীনার বাজারে । সেখানে আওয়াজ দিয়ে ডাকো যাদের আত্নীয়ের কবর এখানে রয়েছে । ‘

তারা এলো ।

তাদেরকে নিজ নিজ আত্নীয়ের কবরে দাড়াতে বললেন ।

সবাই দাড়ালো ।

কিন্তু আশ্চর্য্য ! ওই কবরের পাশে কেউ দাড়ালো না ।

বেদনায় নীল হয়ে গেলেন হুজুর (সাঃ) । অনেক পরে এলো এক বুড়ি । ধীর পায়ে । লাঠিতে ভর দিয়ে । তিনি দাড়ালেন সেই কবরের পাশে ।

হুজুরের পাক (সাঃ) স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন । তারপর বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটা কার কবর ?’

‘আমার ছেলের ।’ বৃদ্ধা বললেন ।

‘আপনার ছেলের কবরে ভয়ানক শাস্তি হচ্ছে ।’

‘ইয়া রাসূলূল্লাহ ! এটা কি সত্যি ?’

‘সত্যিই ‘ ।

‘শুনে আমি খুব খূশী হলাম ।’

‘আল্লাহ মাফ করুন ! আপনি এ কি বলছেন মা ?’ সে আপনার সন্তান !’

শুনুন তাহলে, হে আল্লাহর রসূল ! এই বাচ্চা যখন আমার পেটে তখন তার বাবা মারা যায় । সে পৃথিবীর মুখ দেখল । তার কেউ ছিলো না । আমি নিদারুণ কষ্ট করে তাকে বড় করে তুললাম । তিল তিল করে । সে বিয়ে করল । স্ত্রীকে পেয়ে সে ভূলে গেল আমাকে । একদিন তার ভালোবাসার বউ কানে কানে কি যেন বলল । ছেলে রাগে অধীর হয়ে মারতে শুরু করল আমাকে । ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেলাম আমি । জ্ঞান হারালাম ।

হুশ ফিরলে আমি প্রার্থনা করলাম , প্রভুর দরবারে । দু’হাত তুলে । বললাম, ‘হে আল্লাহ ! তাকে কবরে শাস্তি দাও । অনন্ত কাল ধরে । দুনিয়াতে দিওনা । চোখের সামনে ছেলের কষ্ট সহ্য করতে পারব না । ‘

‘হে আল্লাহর রাসূল ! আমি এখন এজন্য খূশী যে আমার দোয়া কবূল হয়েছে । ‘

হুজুর (সাঃ) অত্যাচারিতা সরল প্রাণ এই বৃদ্ধার কথা শুনে চোখের পানি চেপে রাখতে পারলেন না । উনার মুক্তার মতো অশ্রু , গাল বেয়ে ফোটায় ফোটায় পড়তে লাগল ।

খানিকপর নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, ‘হে বৃদ্ধা মা ! তুমি তোমার ছেলেকে ক্ষমা করো । সে ভয়াবহ শাস্তি পাচ্ছে । ‘

বৃদ্ধা বললেন, ‘হে রাসূলূল্লাহ ! অন্য কিছু বলুন । ছেলেকে ক্ষমা করব না আমি ।’

নিরুপায় হয়ে হুজুর (সাঃ) আকাশের দিকে মূখ তূললেন । কাতর স্বরে বললেন, ‘হে আল্লাহ ! এই বৃদ্ধাকে কবরের শাস্তি দেখাও ।’

চোখের পলকে ঘটনা ঘটল ।

বৃদ্ধার চোখ বিস্ফোরিত হলো । সে প্রাণ ফাটা চিৎকার করে বেহুশ হয়ে গেল ।

খানিক পর ।জ্ঞান ফিরল বৃদ্ধার । থর থর করে কাপছেন তিনি । তীর খাওয়া কবুতরের মত ।

তিনি বললেন, ‘ওগো খোদা ! কবরের আযাব কি এমন ভীষণ ! এমন ভয়ানক ! ছেলের পুরো শরীর থেকে চামড়া উঠিয়ে নেয়া হয়েছে । তাকে মুগুর পেটা করা হচ্ছে । হে আল্লাহর রাসূল ! আমি তাকে ক্ষমা করলাম । আপনি দোয়া করুন । সে যেন মুক্তি পায় । ‘

হুজুর (সাঃ) হাত উঠালেন ।

দোয়া শেষ । উনার চেহারা উজ্জ্বল ।

প্রকৃতিতে, আকাশে বাতাসে নেমে এল সুমহান সমাহিত পরিবেশ ।

গভীর প্রশান্তি – দয়াল নবীর চেহারা মুবারকে । চারদিকে শান্তির ছায়া।(আমীন)

কোরআন হাত থেকে পড়ে গেলে কিংবা পুরানো হলে কি করণীয় !! জেনে নিন ইসলাম কি বলে !!

পবিত্র কোরআনে কারিম আল্লাহতায়ালার কালাম। অতএব যে আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের ওপর ইমান রাখে, তার ওপর কোরআনে কারিমের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ও অপমান থেকে তা রক্ষা করা অবশ্য কর্তব্য। কোনো কোরআনের কপি যদি, পুরনো হয়, ছিড়ে যায় ও তার পৃষ্ঠাগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়, তাহলে এমন জায়গায় রাখা যাবে না, যেখানে ওইসব পাতার অমর্যাদা হয়, ময়লা-আবর্জনায় পতিত হয়, মানুষ বা জীবজন্তু দ্বারা পিষ্ট হয়।

হাত থেকে পড়ে গেলে যা করবেন: আমাদের সমাজে প্রচলন রয়েছে, কারো হাত থেকে ভুলে বা অন্য কোনোভাবে কোরআনে কারিম পড়ে গেলে, কোরআনের ওজন পরিমাণ চাল দান করে দিতে হয়। আসলে এর কোনো শরয়ী ভিত্তি নেই। কারো হাত থেকে কোরআন পড়ে গেলে এ জন্য সে অনুতপ্ত হবে, ভবিষ্যতে যেন আর কোরআন না পড়ে সে জন্য সতর্ক থাকবে।

এভাবে শুধু পবিত্র কোরআনে কারিম নয়, হাদিস গ্রন্থ থেকে শুরু করে, কায়দা, আমপাড়া এমনকি ইসলামি বইপুস্তক যেখানে কোরআনের আয়াত লিপিবদ্ধ আছে সেসবেরও একই হুকুম। এদিকে লক্ষ্য রেখেই ইসলামি স্কলাররা বলেন, যত্রতত্র বিশেষ করে পোস্টার হ্যান্ডবিলে কোরআনের আয়াত বা হাদিসের উদ্ধৃতি না লেখা। কারণ, এসবের সংরক্ষণ হয় না।

পুরনো কোরআন যদি বাঁধাই করে পাঠ উপযোগী করা সম্ভব হয়, তাহলে পরিত্যক্ত না রেখে ব্যবহার করা শ্রেয়। অনুরূপভাবে প্রকাশক বা কারো অবহেলা ও ভুলের কারণে কোরআনে কারিমে যদি ভুল ছাপা হয়, আর সংশোধন করা সম্ভব হয়, তাহলে সংশোধন করে পাঠ উপযোগী করা জরুরি।

তবে পুরনো বা ভুলছাপার কোরআন যদি একেবারেই পাঠ উপযোগী করা সম্ভব না হয়, তাহলে অসম্মান ও বিকৃতি থেকে সুরক্ষার জন্য কোরআনের ওই কপিগুলো নিরাপদ স্থানে দাফন করা জরুরি। নিরাপদ স্থান বলতে ওই স্থানকে বুঝায়, যেখানে মানুষ চলাচল করে না, ভবিষ্যতে অপমানের সম্মুখিন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

পুরনো ও ব্যবহার অনুপযুক্ত কোরআন সুরক্ষার আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে তা পুড়িয়ে দেয়া। হজরত উসমান (রা.) কোরাইশি হরফের কোরআন রেখে অবশিষ্ট কোরআনের কপিগুলো পোড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন মর্মে একটি বর্ণনা ইমাম বোখারি (রহ.) উল্লেখ করেছেন।

তবে পুরনো কোরআনের কপি পোড়ানোর ক্ষেত্রে আলেমরা বলেন, এসব ভালো করে পুড়ে ছাই করা জরুরি, কারণ অনেক সময় পোড়ানোর পরও হরফ অবশিষ্ট থাকে। পুরনো কোরআন দাফন করা অপেক্ষা পোড়ানো উত্তম। কারণ, দাফনের পর কখনো ওপর থেকে মাটি সরে গেলে দাফনকৃত কোরআনের অসম্মান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পোড়ানো ও পোড়ানোর পর ছাইগুলো দাফন করা অধিক শ্রেয়।

অনেকে ব্যবহার অনুপযুক্ত কোরআনের কপি পানিতে ফেলে দেন। এটা ঠিক না। কারণ, পানিতে ভাসমান অবস্তায় এসব কোরআনের কপি যে কোনো ময়লা-আবর্জনা কিংবা নাপাক স্থানে গিয়ে ঠেকতে পারে। তাই এ পদ্ধতি সঠিক নয়। তবে হ্যাঁ, একান্তই যদি পানিতে ভাসিয়ে দিতে হয়, তাহলে প্রবহমান নদীতে ভারী কোনো কিছু বেঁধে তারপর ফেলতে হবে।

হিন্দি সিরিয়ালের প্রযোজকের ১৬ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা…।।

মৃতের নাম সঞ্জয় বৈরাগী। ‘ইশকবাজ’ সিরিয়ালের সুপারভাইজিং প্রযোজক ছিলেন তিনি।

প্রথমে মনে করা হয়েছিল, আচমকাই ১৬ তলার ফ্ল্যাট থেকে পড়ে গিয়েছেন সঞ্জয়। কিন্তু তদন্ত করতে গিয়ে মৃতের হাতে লেখা একটি চিঠি পায় পুলিশ। যাতে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করে যাননি সঞ্জয়। জানিয়েছেন, অর্থাভাবে স্ত্রী ও সন্তানের দায়িত্ব নিতে অপারগ তিনি। তাই মৃত্যুর পথ বেছে নিচ্ছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বাইয়ের মালাড এলাকার সিলিকন পার্ক এলাকায়।

সম্প্রতি পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে হোলি পার্টিতে শামিল হয়েছিলেন সঞ্জয়। শোনা যাচ্ছে, পার্টি থেকে ফেরার পর থেকেই তার সঙ্গে স্ত্রীর মনোমালিন্য চলছিল সঞ্জয়ের। পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েই মনোমালিন্য ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল।

এদিকে সূত্রের খবর, ‘ইশকবাজ’ সিরিয়ালের টিআরপি-ও সম্প্রতি ভাল যাচ্ছে না। এক সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে শোয়ের মূল প্রযোজক গুল খান জানান, সঞ্জয় খুবই দক্ষ কর্মী ছিলেন। গোটা ইউনিটকে প্রায় একাই সামলাতেন। তবে সঞ্জয় তাকে সরাসরি রিপোর্ট করতেন না।

তাই কী কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন, সে বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে এমন একজন দক্ষ কর্মীকে হারানো নিঃসন্দেহে গোটা ইউনিটের পক্ষে একটা বড় ক্ষতি। সঞ্জয়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন গুল।

আজ থেকে স্বামী-স্ত্রী নন শাকিব-অপু…..ডিভোর্স কার্যকর…।।

আইন অনুযায়ী আজ থেকে আর স্বামী-স্ত্রী নন তারা। গেল বছরের ২২ নভেম্বর অপু বিশ্বাসকে আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলামের মাধ্যমে তালাক নোটিশ পাঠান শাকিব খান। ওইদিন থেকে আইন অনুযায়ী তিনমাস অর্থাৎ ৯০ দিন সময় ছিল এই তালাক কার্যকর হতে। আজ (২২ ফেব্রুয়ারি) পূর্ণ হলো তিন মাস।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও সমঝোতা বৈঠকের আয়োজন করেছিল। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। অপু এগিয়ে এলেও উপস্থিত ছিলেন না শাকিব। তাই তাদের এক করা যায়নি। হিসাব অনুযায়ী ডিভোর্স লেটার পাঠানোর তিন মাস পূর্ণ হওয়ায় তাদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ ঘটছে। তালাকের পর বিয়ের দেনমোহর বাবদ সাত লাখ টাকা অপুকে পরিশোধ করবেন শাকিব খান। এ ছাড়া তিনি একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়ের ভরণপোষণ করবেন।

২০০৮ সালের ১৮ই এপ্রিল বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন ঢাকাই ছবির হিট জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। ২০১৬ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর জন্ম হয় তাদের সন্তান আব্রাম খান জয়ের। দীর্ঘদিন এসব খবর অপ্রকাশিত থাকে। গত বছরের এপ্রিলে একটি টিভি চ্যানেলের লাইভে এসে বিয়ের খবর ফাঁস করেন অপু বিশ্বাস। সন্তানকেও সবার সামনে নিয়ে আসেন সে সময়। এরপর অবশ্য বেশ কিছুদিন শাকিব ও অপুকে একসঙ্গে দেখা গেছে। তবে বেশি দিন তারা এক থাকেননি। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয় দুজনের।

সেসব মিডিয়াতে নিয়মিতই প্রকাশ পায়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে শাকিব খান তিন মাস আগে ডিভোর্স নোটিশ পাঠান অপুর কাছে। এরপর অপু বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেছেন সংসার টিকিয়ে রাখতে। কিন্তু সেটা হয়নি। কারণ শাকিব চাননি সংসার আর টিকিয়ে রাখতে। শেষ পর্যন্ত অপুও জানিয়েছেন তিনি ডিভোর্স মেনে নিয়েছেন। এমনকি শাকিবকে নিয়ে নানা মন্তব্যও করেছেন তিনি। যদিও সেসব মন্তব্যের বিপরীতে শাকিব কোনো কথাই বলেননি।

গুগল থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে ‘ভিউ ইমেজ’ বাটনটি…।।

গতকাল বৃহস্পতিবার টুইটারে একটি পোস্টের মাধ্যমে নতুন এই পরিবর্তনটির কথা জানিয়েছে এই সার্চ জায়ান্ট। ফলে এখন কপিরাইটেড ছবিগুলো ডাউনলোড করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে ব্যবহারকারীদের।

এতদিন ‘ভিউ ইমেজ’ বাটনে ক্লিক করে খুব সহজেই পাওয়া যেত ছবিটির পূর্ণাঙ্গ রূপ। এর ফলে কপিরাইট লঙ্ঘন নিয়ে বেশ চিন্তাতেই পড়ে গিয়েছিলেন ফটোগ্রাফার, প্রকাশকরা।

এখন ছবিটি বড় আকারে দেখতে চাইলে ‘ভিসিট’ বাটনে ক্লিক করে সরাসরি ওয়েবসাইটে চলে যেতে হবে ব্যবহারকারীদের।

নতুন এই পরিবর্তনটির কথা জানিয়ে গুগলের টুইটার অ্যাকাউন্টে লেখা হয়েছে, ‘ব্যবহারকারী ও ওয়েবসাইটের মধ্যে সঠিক বন্ধন ঘটানোর জন্য আমরা গুগল ইমেজ সার্চে কিছু পরিবর্তন এনেছি। এখান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে ভিউ ইমেজ বাটনটি। তবে ভিসিট বাটনটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যেন ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে গিয়ে ছবিটি পুরো প্রাসঙ্গিকতাসহ বুঝতে পারে।’

সাভারে এসএসসি পরীক্ষায় নকলঃবহিষ্কার করায় দোতলা থেকে লাফ দিল এক ছাত্রী..।।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দ্র সচিব এবং অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিটার গোমেজ বলেন, পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা চলার সময় সাভারের একটি বালিকা বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী আগে থেকে হাতের মধ্যে লিখে আনা উত্তর দেখে দেখে পরীক্ষা দিচ্ছিল।

বিষয়টি দেখে ফেলেন কেন্দ্রের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সাভার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেজবা উদ্দীন। তিনি ওই ছাত্রীর হাতে লিখে আনা উত্তরের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের উত্তরের মিল পেয়ে তাকে বহিষ্কার করেন।

এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রী জানায়, কুষ্টিয়ায় তার এক বন্ধুর কাছ থেকে ফেসবুকের মাধ্যমে এ উত্তরপত্র সংগ্রহ করেছে সে। এটি বলে সে হঠাৎ করেই কেন্দ্রের দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে। পরে আহত অবস্থায় তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। ওখানেই সে এখন চিকিৎসাধীন। তার কোমর ও বাঁ পায়ে আঘাত লেগেছে বলেও জানান কেন্দ্র সচিব।

আজ থেকে শুরু হল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

এবারের এসএসসিতে ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রশ্ন ফাঁস হওয়া আটকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের সাড়ে ৯টার মধ্যে কেন্দ্রে হাজির হয়ে যার যার আসনে বসতে হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রথম দিনের পরীক্ষা শুরু হয়।

প্রথম দিন এসএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র, সহজ বাংলা প্রথমপত্র এবং বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংষ্কৃতি বিষয়ের পরীক্ষা চলছে।

এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এসএসসি ভোকেশনালে বাংলা-২ (১৯২১) বিষয়ের পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

এসএসসি ও সমামানের পরীক্ষায় গতবছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন। আর এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৯ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসেবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার ২৮৬ জন।