কেন ইসলাম ধর্মে শুকরের মাংস নিষিদ্ধ জানেন কি ?? জেনে নিন কারণ !!

ইসলামে ধর্মে শুকরের মাংস – ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মের অনেকের কাছেই প্রিয় শুকরের মাংস। কিন্তু মুসলমানরা এ মাংস খান না। অনেকেই এটা নিয়ে তিরস্কার করেন মুসলিমদের। কিন্তু শুকরের মাংস কেন হারাম করা হয়েছে সেটা জানলে সবাই বলবে এটা নিষিদ্ধ হওয়াই উচিত। আসুন জেনে নেই কেন শুকরের মাংস নিষিদ্ধ হলো ইসলামে।

কুরআনে নিষিদ্ধতা
শুকরের মাংস খাওয়া নিষেধ অন্তত চারটি স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে ২:১৭৩, ৫:৩, ৬:১৪৫, এবং ১৬:১১৫।

সুরা বাকারায় বর্ণিত হয়েছে, ‘নিষিদ্ধ করা হলো তোমাদের জন্য (খাদ্য হিসেবে) মৃত জন্তুর মাংস, প্রবাহিত রক্ত, শুকরের মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে উৎসর্গ করা হয়।’

শুকর মাংস মারাত্মক রোগের কারণঃ
অন্যান্য অমুসলিম ও নাস্তিকরা হয়তো উপযুক্ত কারণ ও বিজ্ঞানের যুক্তি প্রমাণে মেনে নিতে পারে- শুকরের মাংস ভক্ষণ কমপক্ষে সত্তরটি রোগের উদ্ভব ঘটাতে পারে। প্রথমত, আক্রান্ত হতে পারে বিভিন্ন প্রকার ক্রিমির দ্বারা। যেমন বৃত্তাকার ক্রিমি, ক্ষুদ্র কাঁটাযুক্ত ক্রিমি এবং বক্র ক্রিমি। এর মধ্যে সবচাইতে ভয়ঙ্কর ও মারাত্মক হলো ‘টাইনিয়া সোলিয়াম’। সাধারণভাবে যেটাকে ফিতা ক্রিমি’ বলা হয়। এটা পেটের মধ্যে বেড়ে ওঠে এবং অনেক লম্বা হয়। এর ডিম রক্ত প্রবাহে প্রবেশ করে এবং দেহের প্রায় সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ঢুকে পড়তে পারে, যদি এটা মস্তিস্কে ঢোকে, তাহলে কারণ ঘটাতে পারে স্মৃতি ভ্রষ্ট হয়ে যাবার। হৃদ-যন্ত্রের মধ্যে ঢুকলে বন্ধ করে দিতে পারে হৃদযন্ত্রক্রিয়া। চোখে ঢুকলে অন্ধত্বের কারণ হয়, কলিজায় ঢুকলে সেখানে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি করে অর্থাৎ এটা শরীরের যে কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কর্মক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

এরপরও আছে আরো ভয়ঙ্কর ‘ত্রীচুরা টিচুরাসীস্থ।’ এ সম্পর্কে একটা সাধারণ ধারণা হলো ভালো করে রান্না করলে এর ডিম্ব মারা যায়। এর ওপরে আমেরিকায় গবেষণা চালানো হয়েছে। ফলাফল, ভালো করে রান্না করার পরও প্রতি ২৪ জনের ২২ জন এই ‘ত্রীচুরাসীস্থ’ দ্বারা আক্রান্ত। প্রমাণ হলো সাধারণ রান্নায় এ ডিম্ব ধ্বংস হয় না।

এতে চর্বি উৎপাদনের উপাদান প্রচুরঃ
শুকরের মাংসে পেশী তৈরির উপাদান অত্যন্ত নগণ্য পরিমাণ। পক্ষান্তরে চর্বি উৎপাদনের উপাদান প্রচুর। এ জাতীয় চর্বি বেশিরভাগ রক্ত নালীতে জমা হয়, যা কারণ ঘটায় হাইপার টেনশান এবং হার্ট এটাকের। অবাক হওয়ার কিছু নেই যে ৫০ ভাগ আমেরিকান হাইপার টেনশানের রুগী।

শুকর নোংরা ও পঙ্কিলতম প্রাণীঃ
এ প্রাণীটি বসবাস করতে সাচ্ছন্দ বোধ করে নিজেদের বিষ্ঠা, মানুষের মল ও ময়লাপূর্ণ জায়গায়। আল্লাহ তাআলা সমাজবদ্ধ সৃষ্টিকূলের ধাঙর, মেথর বা ময়লা পরিষ্কারক হিসাবেই বোধকরি এ প্রাণিটি সৃষ্টি করেছেন। আজ থেকে পঞ্চাশ কি ষাট বছর আগেও যখন সেনিটারি পায়খানা আবিষ্কৃত হয়নি তখন যে কোনো শহরের পায়খানার ধরণ ছিল, পেছন থেকে মেথর এসে তা ট্যাঙ্কি ভরে নিয়ে যেত এবং শহরের উপকণ্ঠে কোথাও ফেলতো। যা ছিল শুকরদের পরম আনন্দ নিবাস এবং শেষ পর্যন্ত সেগুলোই সব বিষ্ঠার রুপান্তর ঘটতো।

অনেকেই হয়তো এখন বিতর্কে নেমে পড়বেন উন্নত বিশ্বে এখন শুকরের পরিচ্ছন্ন খামার করা হয়েছে যেখানে ওগুলো লালিত পালিত হয়। তাদের এই অনেক উন্নত, স্বাস্থ্যকর খামারেও ওগুলো নোংরা। অত্যন্ত আনন্দের সাথেই ওরা ওদের নিজেদের ও সঙ্গিদের বিষ্ঠা নিয়ে ওদের চোখ নাক দিয়ে নাড়া চড়া করে আর উৎসবের খাদ্য হিসেবেই খায়।

নির্লজ্জ পশুঃ
ভু-পৃষ্ঠের ওপরে শুকর অশ্লীলতায় নির্লজ্জতম প্রাণী। একমাত্র পশু যেটা তার স্ত্রী-সঙ্গীর সাথে সংগম করার জন্য অন্যান্য পুরুষ-সঙ্গীদের ডেকে নেয়। আমেরিকার ও ইউরোপের অধিকাংস মানুষের প্রিয় খাদ্য শুকরের মাংস। খাদ্যভ্যাস আচরণে প্রকাশ পায়, বিজ্ঞানের এ সূত্রের জীবন্ত নমুনা ওরাই। ওদের প্রিয় সংস্কৃতি ডান্স পার্টিগুলোতে নেচে নেচে উত্তেজনায় উন্মত্ত হয় তখন একে অপরের সাথে বউ বদল করে। অনেকেই আবার জীবন্ত নীল ছবির স্বাদ দিতে জন্য স্ত্রীর সাথে মিলিত হতে বন্ধু-বান্ধব ডেকে নেয়। এসব প্রমাণ করে শুকরের মাংস মানুষকে নির্লজ্জতার দিকে ধাবিত করে।

তিন শ্রেণীর নারীকে বিয়ে করলে সংসারে আল্লাহর গজব নেমে আসবে …জেনে নিন বিস্তারিত !!

এই তিন শ্রেণীর নারীকে বিয়ে করলে – ইসলামে তিন শ্রেনীর নারীদেরকে বিয়ে করতে মানা রয়েছে। যদি কেউ তা অমান্য করে তাহলে তাদের সংসারে আল্লাহ তায়ালা গজব নেমে আসবে।

যথাঃ

১) রক্ত সম্পর্কের কারনে হারাম, এই সম্পর্কের ৭ জন রয়েছে। (মা, কন্যা, বোন, ভাতিজী, ভাগিনী, খালা এবং ফুফু)।

২) দুগ্ধ সম্পর্ক বা দূধ পান করার কারনে হারাম, এই সম্পর্কেরও ৭ জন রয়েছে। (দূধ মা, দূধ কন্যা, দূধ বোন, দূধ ভাতিজী, দূধ ভাগিনী, দূধ খালা এবং দূধ ফুফু)।

৩) বৈবাহিক সম্পর্কের কারনে হারাম: সৎ মা, পুত্র বধু বা পৌত্র বধু (নাতির বউ), শ্বাশুড়ী, দাদি শ্বাশুড়ী বা নানী শ্বাশুড়ী এবং স্ত্রীর অন্য পক্ষের কন্যাসমূহ।

আরও দেখুনঃ
আয়াতুল কুরসির ফজিলত

Apr 4, 2018
এক সাহাবা এক মহিলার গোসল করার দৃশ্য দেখায় যা হয়ে ছিল তার…

Apr 2, 2018
অনুরুপভাবে, স্ত্রী ও তার বোন, স্ত্রী ও তার ফুফু, স্ত্রী ও তার খালাকে একত্রে বিবাহ করে একত্রে স্ত্রী হিসাবে রাখা হারাম।

মহান আল্লাহ বলেছেন, “যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করো না।

কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ। তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন,

তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই।

তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে।

নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।” (সূরা নিসাঃ আয়াতঃ ৪:২২-২৩ এবং ইমাম বুখারী সংগৃহিত হাদিসঃ ২৬৪৫, ৫১০৯)।

পিতাকে বাবা ডাকা কি ঠিক ?? ইসলাম কি বলে !! জেনে নিন বিস্তারিত ।।

নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

প্রশ্ন : আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা আমাদের যার যার পিতাকে আব্বা, বাবা ইত্যাদি বিভিন্ন নামে ডাকি। কিন্তু আমি শুনেছি, বাবা বলে ডাকা নাকি ঠিক না। হিন্দুরা নাকি বাবা বলে ডাকে। ইসলামের দৃষ্টিতে এটা কতটা যুক্তিসংগত?

উত্তর : এই শব্দগুলো ভাষাগত পার্থক্য ছাড়া আর কিছুই না। বাবা শব্দটি আরবি, উর্দু, ফার্সি, তুর্কি ও বাংলায় ব্যবহার হয়ে থাকে। এই শব্দটি পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এই দুটি শব্দ মনে হয় সারা পৃথিবীতে মিলে যায়, একটি হচ্ছে মা, আরেকটি হচ্ছে বাবা। এ দুই শব্দের ক্ষেত্রে প্রায় কাছাকাছি শব্দ ব্যবহার হয়ে থাকে।

বাবা শব্দটি বহুল প্রচলিত, যেহেতু আরবরা সবাই ব্যবহার করে। সুতরাং এটা হারাম বা নিষিদ্ধ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটি বিশেষ কোনো সম্প্রদায়ের শব্দও নয়। এটি একেবারে বৈধ শব্দ।

১৬ টি কুফরি বাক্য যা না জেনে আমরা নিয়মিত বলে থাকি, প্রত্যেক মুসলিমের জেনে রাখা উচিৎ…

১৬ টি কুফরি বাক্য যা আমরা নিয়মিত বলে থাকি, জেনে রাখা উচিৎ প্রত্যেক মুসলিমের!!- না জেনে বুঝে এসব সমাজে প্রচলিত বাক্য আমরা প্রায়ই বলে ফেলি , জেনে নিন সেগুলো …

১. আল্লাহর সাথে হিল্লাও লাগে।

২. তোর মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।

( ফুল চন্দন হিন্দুদের পুজা করার সামগ্রী)

৩. কস্ট করলে কেস্ট মেলে

( কেস্ট হিন্দু দেবির নাম, তাকে পাবার জণ্য কস্ট করছেন?)

৪. মহভারত কি অশুদ্ধ হয়ে গেল?

( মহাভারত একটি উপন্যাস, যা সবসময় অশুদ্ধ)

৫. মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।

( এটি ইসলামের নামে কটূক্তি করা)

৬. লক্ষী ছেলে, লক্ষী মেয়ে, লক্ষী স্ত্রী বলা।

( হিন্দুদের দেব-দেবির নাম লক্ষী তাই ইসলামে এটি হারাম)

৭. কোন ঔষধকে জীবন রক্ষকারী বলা।

( জন্ম- মৃত্য

একমাত্র আল্লাহর হাতে)

৮. দুনিয়াতে কাউকে শাহেনসা বলা।

৯. নির্মল চরিত্র বোঝাতে ধোয়া তুলশি পাতা বলা।

( এটি অনইসলামিক পরিভাষা যা হারাম)

১০. ইয়া খাজাবাবা, ইয়া গাঊস, ইয়া কুতুব ইত্যাদি বলা।

( এটি শির্ক, ইসলামের সবচেয়ে বড় পাপ)

১১. ইয়া আলি, ইয়া রাসুল (সাঃ) বলে ডাকা এবং সাহায্য প্রার্থনা করা (আল্লাহ ছাড়া পৃথীবির কাউকে ডাকা শির্ক)

১২. বিসমিল্লায় গলদ বলা।

( এটি সরাসরি কুফরি)

১৩. মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়া বলা।

( কুফরি বাক্য, সাবধান। )

১৪. মধ্যযুগি বর্বরতা বলা।

( মধ্যযুগ ইসলামের সর্ণযুগ)

১৫. মন ঠিক থাকলে পর্দা লাগে না।

( ইসলাম ধংসকারী মতবাদ)

১৬. নামাজ না পড়লে ঈমান ঠিক আছে বলা।

( ইসলাম থেকে বের করার মূলনিতী। )

এই গুলি অজ্ঞতার কারনে হয়ে থাকে। হে মুসলিম উম্মাহ আসুন আমরা নিজে অতপর নিজের পরিবারকে সচেতন করি, তাদের মাঝে এই গুলি প্রচার করি, আর কত দিন এই অজ্ঞতায় পড়ে থাকবো?

আসুন না একজন আরেকজন কে সচেতন করার জন্য উৎসাহ দেই,

এই বাক্য গুলি আপনি যে কোন ভাবে প্রচার করুন।

টেলিভিশন থাকলে কি ঘরে ফেরেশতা ঢুকবে ?? জেনে রাখুন জবাব !!

প্রশ্ন : আমি শুনেছি যে, কোনো মানুষ বা কোনো জীব-জানোয়ারের ছবি থাকলে সেই ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না। আমাদের ঘরের ভেতরে টেলিভিশনে যখন বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলে, ওই মুহূর্তে ফেরেশতা আসবে কি? টেলিভিশন থাকলে কি ঘরে ফেরেশতা ঢুকবে? জেনে রাখুন জবাব।

উত্তর : টেলিভিশনকে দুনিয়ার কোনো আলেমই ছবি হিসেবে আখ্যায়িত করেননি। টেলিভিশনের যে ছবি রয়েছে, সেগুলো আসলে ওই প্রকারের কোনো ছবি নয়, যে ছবি ঘরে থাকলে ফেরেশতা ঘরের মধ্যে প্রবেশ করবে না।এ ধরনের ছবি যেকোনো সময় এসে আবার চলে যাচ্ছে। এই ছবির কারণে ফেরেশতা প্রবেশ করবে না অথবা টেলিভিশন ঘরে থাকলে ফেরেশতা প্রবেশ করবে না, এটি ভুল বক্তব্য, এটি সহিহ বা বিশুদ্ধ বক্তব্য নয়।

নাপাক অবস্থায় খাবার গ্রহণ করা জায়েজ আছে কী ?? জেনে নিন !!

নাপাক অবস্থায় শুধু কোরআন পড়া, স্পর্শ করা, মসজিদে প্রবেশ ও নামাজ পড়া যাবে না। এ ছাড়া, খাওয়া দাওয়া, লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজ করা যাবে।

তবে নাপাক অবস্থায় বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়। মেয়েরা পিরিয়ডকালীন রোজাও রাখতে পারবেন না। তবে স্বামী-স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক হয়েছে এই অবস্থায় সেহেরি খেয়ে রোজা রাখতে পারবে।
এতে রোজার কোনো সমস্যা হবে না। এক্ষেত্রে ফজর নামাজের আগে তাদেরকে গোসলের মাধ্যমে পাক হতে হবে।

আবার রোজা অবস্থায় ঘুমের মধ্যে কারো স্বপ্নদোষের মাধ্যমে নাপাকি ঘটলে রোজা নষ্ট হবে না। ফরজ গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন : ফরয গোসলের ইসলামিক সঠিক নিয়ম ও শর্তসমূহ !!

ইসলামি ভাষায় ফরজ গোসল করার সঠিক নিয়ম ও ফরয গোসলের শর্তসমূহ !!ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম না জানার কারণে অসংখ্য মুসলিম ভাই- বোনের সালাত সহ নানা আমল কবুল হয় না। যেটা ঈমানের ক্ষেত্রে চরম ভয়ানক ব্যাপার।

যেসব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ
১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে।
২. নারী-পুরুষ মিলনে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)।
৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে।
৪. ইসলাম গ্রহন করলে(নব-মুসলিম হলে)।

ফরজ গোসলের ফরজ সমূহ হলো-
গোসলের ফরজ মোট তিনটি। এই তিনটির কোনো একটি বাদ পরলে ফরজ গোসল আদায় হবে না। তাই ফরজ গোসলের সময় এই তিনটি কাজ খুব সর্তকতার সাথে আদায় করা উচিত।
১. গড়গড়া কুলি করা।
২. নাকে পানি দেওয়া।
৩. এরপর সারা দেহে পানি ঢালা ও ভালোভাবে গোসল করা

ফরজ গোসলের সঠিক নিয়মঃ
১. গোসলের জন্য মনে মনে নিয়্যাত করতে হবে। বাড়তি মুখে কোন আরবি শব্দ উচ্চারণ করে নিয়্যাত করা বিদ’আত।
২. প্রথমে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ৩ বার ধুতে হবে।
৩. এরপর ডানহাতে পানি নিয়ে বামহাত দিয়ে লজ্জাস্থান এবং তার আশপাশ ভালো করে ধুতে হবে। শরীরের অন্য কোন জায়গায় বীর্য বা নাপাকি লেগে থাকলে সেটাও ধুতে হবে।

৪. এবার বামহাতকে ভালো করে ধুইয়ে পেলতে হবে।
৫. এবার ওজুর নিয়মের মত করে ওজু করতে হবে তবে দুই পা ধুয়া যাবে না।
৬. ওজু শেষে মাথায় তিনবার পানি ঢালতে হবে।
৭. এবার সমস্ত শরীর ধোয়ার জন্য প্রথমে ৩ বার ডানে তারপরে ৩ বার বামে পানি ঢেলে ভালোভাবে ধুতে হবে, যেন শরীরের কোন অংশই বা কোন লোমও শুকনো না থাকে। নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় পানি দিয়ে ধুতে হবে।
৮. সবার শেষে একটু অন্য জায়গায় সরে গিয়ে দুই পা ৩ বার ভালোভাবে ধুতে হবে।

অবশ্যই মনে রাখতে হবেঃ
১. পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে।
২. এই নিয়মে গোসলের পর নতুন করে আর ওজুর দরকার নাই, যদি ওজু না ভাঙ্গে।

(আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে কুর’আন ও সহিহ সুন্নাহ মেনে চলার তাওফিক দিক এবং পূর্বের না জেনে করা ভুল ক্ষমা করুক।

শুধু নামাজের সময়ই কি কাপড় টাখনুর ওপর তুলতে হবে ?? জেনে নিন ইসলাম কি বলে !!

অনেক সময় দেখা যায় নামাজের জামাত শুরু হওয়ার আগে মুসল্লিদের কেউ কেউ নিজেদের পায়জামা, প্যান্ট, লুঙ্গি ইত্যাদি টাখনু গিরার ওপর তুলে নিচ্ছেন বা ইমাম সাহেব বলে দিচ্ছেন, ‘কাপড় টাখনুর ওপর তুলে নিন’। এতে মনে হয় শুধু নামাজের সময়ই কাপড় টাখনুর ওপর তুলতে হবে; অথচ বিষয়টি শুধু নামাজের সাথে সম্পৃক্ত নয়। পুরুষের জন্য নামাজের ভেতরে-বাইরে সর্বাবস্থায় কাপড় টাখনুর নিচে পরিধান করা কবিরা গুনাহ। এ বিষয়ে হাদিসে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারিত হয়েছে। নিচে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হাদিস তুলে ধরা হলোÑ

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, লুঙ্গির যে অংশ টাখনুর নিচে থাকবে তা জাহান্নামে যাবে। [বুখারি : হাদিস নং- ৫৭৮৭]

হজরত আবু যর রা. বলেন, রাসুল সা. বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তিন ব্যক্তির সঙ্গে কথা তো বলবেনই না বরং তাদের দিকে তাকিয়েও দেখবেন না। এমনকি তিনি তাদেরকে গুনাহ থেকে পবিত্র করবেন না বরং তাদের জন্য রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তারা কারা? তবে এরা তো ধ্বংশ, তাদের বাঁচার কোনো রাস্তা নেই। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ কথা তিনবার বলেছেন। তারা হলো ক. যে ব্যক্তি টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পরে। খ .যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম খেয়ে ব্যাবসার পণ্য বিক্রি করে। গ. যে ব্যক্তি কারো উপকার করে আবার খোটা দেয়। [মুসলিম, তিরমিজি, আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ]‌।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আ. থেকে বর্ণনা করে হজরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, লুঙ্গির যে অংশ টাখনুর নিচে থাকবে তা আগুনে প্রজ্জ্বলিত হবে। [বুখারি]

রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, পুরুষের শরীরের যে কোনো পোশাক টাখনুর নিচে ঝুলে পড়া হারাম। পোশাক যদি টাখনুর নিচে ঝুলে যায়, তাহলে টাখনুর নিচের ওই অংশকে জাহান্নামের অংশ বলে ধরা হবে। [বুখারি]

হজরত জাবের ইবনে সুলাইম রা. হতে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পড়ার ব্যাপারে সাবধান হও। কারণ, তা অহংকারের অন্তর্ভুক্ত। আর আল্লাহ অহংকার করাকে পছন্দ করেন না। [আবু দাউদ]

ইবনু উমার রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, অহংকারবশত যে ব্যক্তি তার বস্ত্র বা কাপড় পায়ের গিঁটের নিচে (টাখনুর নিচে) ঝুলিয়ে চলবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কিয়ামতের দিন তার দিকে ফিরেও তাকবেন না। উম্মে সালমা রা. বললেন, তাহলে মহিলারা তাদের আঁচলের ব্যাপারে কি করবে? তিনি বললেন, তারা পায়ের গিঁট থেকে এক বিঘত পরিমাণ ঝুলিয়ে রাখবে। উম্মে সালমা রা. বললেন, এতে তো তাদের পা অনাবৃত হয়ে পড়বে। রাসুলুল্লাহ সা. বললেন তাহলে তারা একহাত পরিমাণ নিচে পর্যন্ত ঝুলতে পারে, এর চাইতে বেশি যেন না ঝুলায়। এ হাদিসটি আবু দাউদ ও তিরমিজি বর্ণনা করেছেন। [আবু দাউদ : হাদিস নং- ৩৪৬৭, ৪০৮৫, তিরমিজি : হাদিস ১৭৩১]

উল্লেখিত ছয়টি হাদিসে টাখনুর ওপর কাপড় পরিধানের ক্ষেত্রে সাধারণ বিধান বর্ণিত হয়েছে। এখানে বলা হয়নি যেÑ শুধু নামাজের সময় টাখনুর নিচের কাপড় ওঠাতে হবে বা টেনে পড়তে হবে। তাই পরিধেয় পোশাক যেমনÑ পায়জামা, প্যান্ট, লুঙ্গি ইত্যাদি সর্বাবস্থায় টাখনুর ওপরে পরিধান করা আবশ্যক। বিষয়টি নিজে অনুধাবন করে আমল করুন এবং অন্যকে এর কঠিক শাস্তির ব্যাপারে সতর্ক করুন। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন।

বি.দ্র. : মহিলারা সর্বাবস্থায় টাখনুর নিচে কাপড় পরবে।

উমর (রাঃ) কর্তৃক শয়তান কে আছাড় দেয়ার সেই ঘটনা !! জেনে নিন পুরো ঘটনা ।।

হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, একবার রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাহাবীদের মধ্য হতে একজন কোথাও গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে শয়তানের সাক্ষাৎ হয়।

এবং বেশ সংঘর্ষও হয়। শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাহাবী শয়তানকে আছাড় মেরে ধরাশায়ী করে ফেললেন। শয়তান তখন বলে, আমাকে ছেড়ে দিন। আমি আপনাকে এমন আশ্চর্যজনক কথা বলতেছি, যা আপনি পছন্দ করবেন।

তো সেই সাহাবী তাকে ছেড়ে দিলেন। তারপর সে কথা বলতে বললেন। কিন্তু শয়তান তখন বললো, না, বলবো না। ফলে ফের মুকাবিলা হল। এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাহাবী তাকে ফের আছড়ে ফেললেন। শয়তান বললো, আমাকে ছেড়ে দিন। আমি আপনাকে এমন একটি জিনিস বলতেছি, যা আপনার পছন্দ হবে।

তো তিনিতাকে ছেড়ে দিলেন এবং বললেন, বলো কি বলতে চাও। সে বললো, না বলবো না। ফলে তৃতীয়বারেও মুকাবিলা হল। এবারেও রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাহাবী তাকে আছড়ে ফেললেন এবং তার উপর চড়ে বসে তার আঙ্গুল ধরে মোচড় দিলেন। শয়তান তখন বললো, আমাকে ছেড়ে দিন। সাহাবী বললেন, এবার না বলা পর্যন্ত তোমাকে ছাড়বো না। শয়তান তখন নিরুপায় হয়ে বললো, সূরা আল বাকারাহ এর প্রতিটি আয়াত এমন, যা পড়লে শয়তান পালিয়ে যায়।

এবং যে ঘরে এই সূরাহ পড়া হয় সেই ঘরে শয়তান ঢুকতে পারে না।* হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) ওই সাহাবীর নাম হযরত উমর বিন খাত্তাব (রাঃ) বলে বর্ণনা করেছেন।{মাকায়িদুশ্ শাইত্বান, ইবনু আবিদ দুনইয়া (৬৩), পৃস্টা ৮৫, কিতাবুল গারীব, আবূ উবায়দ, দালায়িলুন নুবুওয়াত, ৭:১২৩}

পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই পরচুল পরা হারাম..। জেনে নিন বিস্তারিত…।।

প্রশ্ন : একটি হাদিসে দেখলাম পরচুল পরা নিষেধ। কিন্তু যাদের চুলে খোঁপা হয় না, তাঁরা কি পরতে পারবে?

উত্তর : আপনি যে হাদিসের কথা উল্লেখ করেছেন, সেটি সহিহ। পরচুল তিনি পরে থাকেন তাঁকে রাসুল (সা.) অভিশাপ দিয়েছেন, তাই এটি হারাম। কারো যদি খোঁপা না হয়ে থাকে, তিনি চুল শুধু বেঁধে রাখবেন। চুল খোঁপা করতেই হবে, এটি শর্ত নয়।
চুল খোঁপা হওয়া সৌন্দর্যের বিষয়, কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু যাকে আল্লাহ সুবনাহুতায়ালা সুন্দর করেননি, তিনি কি আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালার ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে থাকবেন? তিনি মনে করবেন আল্লাহ তাঁকে অবশ্যই অন্য দিক থেকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছেন। সব দিক থেকে সৌন্দর্যমণ্ডিত বা সবদিক থেকে সুন্দর এমন কোনো পারফেক্ট মানুষ পৃথিবীতে পাওয়া যাবে না। বরং কোনো না কোনো দিক থেকে কিছু না কিছু ঘাটতি থেকেই যাবে। সুতরাং এই ঘাটতির জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের শুকরিয়া আদায় করা দরকার এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করা দরকার। সামান্য ঘাটতির জন্য আপনি হারাম কাজে লিপ্ত হতে পারেন না।

পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই পরচুল পরা হারাম। তবে হাদিসের মধ্যে নারীদের কথা স্পষ্ট এসেছে। একদল ওলামায়ে কেরাম বলেছেন, পুরুষদের ক্ষেত্রেও কিয়াস করা হয়েছে। যেহেতু সৌন্দর্যের জন্য নারীদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সে ক্ষেত্রে নারীদের যেহেতু অনুমোদন দেওয়া হয়নি, সেহেতু পুরুষদের জন্যও এটি অনুমোদিত বিষয় নয়। তবে পুরুষদের জন্য সুস্পষ্ট হাদিস আসেনি।

(উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।)

পুরুষদের টাকনুর নিচে প্যান্ট পরিধানের ভয়াবহতা অনেক ।। জেনে নিন বিস্তারিত।।

অনেকেরই ধারনা সুন্নাত করলে নেকি আছে, না করলে অসুবিধা নেই, নামাজ রোজা ঠিক থাকলেই হল। কিন্তু এমন কিছু সুন্নাত রয়েছে যা পালন করা খুবই জরুরী। যেমন দাড়ি রাখা, পুরুষের ক্ষেত্রে পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরিধান করা ইত্যাদি। এগুলো হল সেই সুন্নাত যা ছেড়ে দিলে কঠিন গোনাহগার হতে হয় এবং ঐসব সুন্নাত যথাযথভাবে পালন না করলে জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করতে হবে।

আমাদের নবীজী মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন যে, পুরুষদের নিচের অংশের পরিধেয় পোশাকের যে অংশ টাখনুর নিচে ঝুলানো থাকে, সে অংশটা জাহান্নামে যাবে। (সহীহ বুখারী, ৭নং খন্ড, পোশাক অধ্যায়, হাদীসে নং- ৬৭৮)
এছাড়া একই গ্রন্থের ৫ নং অধ্যায়ের ৬৭৯-৬৮৩ পর্যন্ত হাদীসগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি বেপরোয়াভাবে অহংকার বশত চলাফেরা করে, যার প্যান্ট টাখনুর নিচে মাটিতে ঝুলানো থাকে আল্লাহ্‌ তাকে অভিশাপ দেবেন।
এখানে আল্লাহ্‌ রাসুলের (সাঃ) কথাটা ভালভাবে একটু বোঝার চেষ্টা করুনঃ
মিথ্যা বললে জাহান্নামে যেতে হবে একথা আল্লাহ্‌র রাসুল (সাঃ) বলেন নি, অথচ মিথ্যা বলা মহাপাপ, গীবত করলে জাহান্নামে যেতে হবে একথা আল্লাহ্‌র রাসুল (সাঃ) বলেন নি, অথচ গীবত করা মহাপাপ, একটু খেয়াল করে দেখুন অন্যসব সুন্নাতের ক্ষেত্রে আল্লাহ্‌র রাসুল (সাঃ) একথা বলেন নি যে এই কাজের জন্য সরাসরি জাহান্নামে যেতে হবে। কিন্তু যে পুরুষে পায়ের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পরিধান করবে তাঁর ক্ষেত্রে আল্লাহ্‌র রাসুল (সাঃ) সরাসরি বললেন যে- সে জাহান্নামী। সুতরাং আমাদের নবী করীম (সাঃ) এর আদেশ অনুযায়ী টাখনুর নিচে যায় এমন প্যান্ট বা অন্য কোন কাপড় পরা যাবে না। আশা করি বিষয়টি স্পষ্ট।
এক্ষেত্রে আমি দোষ দিব পিতাকে। কারন সে যখন বাজার থেকে প্যান্ট বা অন্য কোন কাপড় কিনে আনে তখন সে দেখছে ঐ প্যান্টটা আমার ছেলের টাখনুর নিচে চলে যাবে। এর পরেও সে ঐ প্যান্ট কিনে কি করে? যদিও সে কিনল তারপরে তো দর্জির দোকান থেকে প্যান্ট টা কেটে ঠিক করে যাতে টাখনুর উপরে থাকে তারপর বাসায় নিয়ে তার ছেলের হাতে দিতে পারত! তাহলে কি এটাই বুঝা যায় না যে পিতাই ছেলেকে রাসুলের (সাঃ) অবাধ্য হিসেবে বড় করে তুলছে?
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেছেনঃ “যে কেউ আল্লাহ ও তার রসূলের অবাধ্যতা করে এবং তার সীমা অতিক্রম করে, তিনি তাকে আগুনে প্রবেশ করাবেন। সে সেখানে চিরকাল থাকবে। তার জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি। (সূরা নিসাঃ ১৪)
আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের আদেশ করছেনঃ “ হে বিশ্বাসীগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে সেই অগ্নি থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও প্রস্তর, যাতে নিয়োজিত আছে পাষাণ হৃদয়, কঠোরস্বভাব ফেরেশতাগণ। তারা আল্লাহ তা’আলা যা আদেশ করেন, তা অমান্য করে না এবং যা করতে আদেশ করা হয়, তাই করে।(সূরা আত তাহরীমঃ ৬)
এখানে বিষয়টি ভালভাবে খেয়াল করুনঃ
১. আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের আদেশ করলেন- আমাদের পরিবার-পরিজন, সন্তান-সন্ততিকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে।
২. নবী (সাঃ) বললেনঃ টাখনুর নিচে প্যান্ট পড়লে জাহান্নামে যাবে।
তাহলে ঐ পিতা তার সন্তানকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাল কোথায়? ঐ পিতা তো উল্টো নিজের সন্তানকে জাহান্নামের আগুনে ঠেলে দিল!!
আশা করি বিষয়টি স্পষ্ট।
সুতরাং যাদের আল্লাহ্‌ভীতি রয়েছে, যারা পরকালকে ভয় করে তাদের উচিৎ টাখনুর উপর প্যান্ট পরা।
এটা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই বিষয়টি যদি কেউ গাফেলতি করে তবে হাশরের দিন তার পরিণতি হবে খুবই করুন।

মহান আল্লাহ্‌ বলেনঃ “যেদিন অগ্নিতে তাদের মুখমন্ডল ওলট পালট করা হবে; সেদিন তারা বলবে, হায়। আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম”। (সূরা আল আহযাবঃ ৬৬)