‘বাঘি ২’ এর আয় দেড় শ কোটি ছাড়াল …।।

অ্যাকশন এন্টারটেইনার ‘বাঘি ২’ ইতিমধ্যে বক্স অফিসে সুপারহিট তকমা পেয়েছে। ১৬তম দিন শেষে এর আয় দাঁড়িয়েছে ১৫২.৪০ কোটি রুপি। বরুণ ধাওয়ানের নতুন ছবি ‘অক্টোবর’ও ‘বাঘি ২’-এর ব্যবসার ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।

ছবিটি আয়ের অঙ্কে এ বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত সঞ্জয় লীলার পদ্মাবতের পরই অবস্থান করছে।

আহমেদ খান পরিচালিত ছবিটি তার তৃতীয় সপ্তাহে মোট ১৬০ কোটি রুপি ব্যবসা করবে বলে ধারণা করছেন ট্রেড অ্যানালিস্টরা। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা।
সূত্র : বলিউড লাইফ.কম

বিসমিল্লাহ শব্দের নাযিলের কাহিনী এবং এর ফজিলত !! জেনে নিন বিস্তারিত ।

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। সমস্ত প্রশংসাই আল্লাহ সুবহানাওয়াতায়ালার। দরুদ ও সালাম আল্লহর প্রেরিত রসূল (সাঃ) এর প্রতি।
তাফসীর-ই-ইবনে আবি হাতিমে বলেছে যে, হযরত ওসমান বিন আফফান (রাঃ) রাসূল (সাঃ) কে ‘বিসমিল্লাহ’ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেনঃ ‘এতো আল্লাহতায়ালার নাম। আল্লাহর বড় নাম এবং এই বিসমিল্লাহ এর মধ্যে এতদূর নৈকট্য রয়েছে যেমন রয়েছে চক্ষুর কালো অংশ ও সাদা অংশের মধ্যে।’
ইবনে মরদুওয়াই এর তাফসিরে রয়েছে যে; রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘আমার উপর এমন একটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে যার মত আয়াত হযরত সোলাইমান ছাড়া অন্য কোন নবীর উপর অবতীর্ণ হয় নাই। আয়াতটি হল “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”।
হযরত জাবির (রাঃ) বর্নণা করেন যে, যখন এ আয়াতটি নাযিল হয় তখন পূর্ব দিকে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়, বায়ুমন্ডলী স্তব্ধ হয়ে যায়, তরঙ্গ বিক্ষুব্দ সমুদ্র প্রশান্ত হয়ে উঠে, জন্তু গুলো কান লাগিয়ে মনযোগ সহকারে শুনতে থাকে, আকাশ থেকে অগ্নিশিখা নিক্ষিপ্ত হয়ে শয়তানকে বিতারন করে এবং বিশ্ব প্রভু স্বীয় সন্মান ও মর্যাদার কছম করে বলেনঃ ‘যে জিনিসের উপর আমার এ নাম নেওয়া যাবে তাতে অবশ্যই বরকত হবে।’

হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন যে, দোযখের ১৯টি দারোগার হাত হতে যে বাঁচতে চায় সে যেন ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ পাঠ করে। এতেও ঘটেছে ১৯টি অক্ষরের সমাবেশ। প্রত্যেকটি অক্ষর প্রত্যেক ফেরেশতার জন্য রক্ষক হিসেবে কাজ করবে।’
মুসনাদ-ই-আহমাদের মধ্যে রয়েছে, রাসূল (সাঃ) এর সোয়ারীর উপর তাঁর পিছনে যে সাহাবী (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন তাঁর বর্ণনাটি এইঃ ‘রাসুল (সাঃ) এর উষ্ট্রীটির কিছু পদস্খলন ঘটলে (হোঁচট খেলে) আমি বললাম যে শয়তানের সর্বনাশ হোক।

তখন তিনি বললেন, এরূপ বলোনা, এতে শয়তান গর্বভরে ফুলে উঠে এবং মনে করে যে, যেন সে-ই স্বীয় শক্তির বলে ফেলে দিয়েছে। তবে হাঁ ‘বিসমিল্লাহ’ বলাতে সে মাছির মত লাঞ্ছিত ও হৃতগর্ব হয়ে পরে।’ ইমাম-নাসাঈ (রঃ) স্বীয় কিতাব ‘আমালুল ইয়াওমে ওয়াল লাইলাহ’ এর মধ্যে এবং ইবনে মরদুওয়াই (রঃ) স্বীয় তাফসীরের মধ্যে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং সাহাবীর নাম বলেছেন ওসামা-বিন-ওমায়ের (রাঃ)।
হাদীসে আছে যে ‘বিসমিল্লাহ’ এর দ্বারা কাজ আরম্ভ করা না হয় তা কল্যাণহীন ও বরকত শূন্য থাকে।
হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুল (সাঃ) বলেছেন – যে ব্যাক্তি ওযুর সময় বিসমিল্লাহ বলে না তার ওযু হয় না।
রাসূল (সাঃ) হযরত ওমার বিন আবুসালামা (রাঃ) কে বলেনঃ ‘বিসমিল্লাহ বলে খাও, ডান হাতে খাও এবং তোমার সামনের দিক থেকে খেতে থাক।’
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এর অর্থঃ- ‘পরম করুনাময় ও অসীম মেহেরবান আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি।’
ইবনুল মোবারাক বলেন, ‘রহমান’ তাঁকেই বলে যাঁর কাছে চাইলে তিনি দান করেন, আর ‘রাহিম’ তাঁকে বলে যাঁর কাছে না চাইলে তিনি রাগ্বান্বিত হন। জামে’উত তিরমিযীতে আছে যে, আল্লাহতায়ালার নিকট যে ব্যাক্তি চায় না তিনি তার প্রতি রাগ্বান্বিত হন।

রাসুল (সা:) এর মৃত্যুর করুন কাহিনি !

ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধ করে ফেললেন,আলী (রাঃ)তার দিকে উপুড় হয়ে বসলেন,জিবরাঈল তার মুখটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন।মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষ মূহুর্ত চলছে। হঠাৎ সেখানে একজনলোক এসে বললেন’সালাম’আমি কি ভিতরে আসতে পারি?ফাতিমা (রাঃ)বললেন,দুঃখিত আমার পিতা খুবই অসুস্থ।ফাতিমা (রাঃ)দরজা বন্ধ করে রাসূলের কাছে গেলেন।
মুহাম্মদ (সাঃ)বললেন,কে সেই লোক?ফাতিমা বললেন, এইপ্রথম আমি তাকে দেখেছি।আমি তাকে চিনি না।রাসূল বললেন”শুনো ফাতিমা,সে হচ্ছে আমাদের এই ছোট্ট জীবন কবজ করা ফেরেশতা “আজরাঈল।”এটা শুনে ফাতিমার অবস্থা তখন ক্রন্দনরত বোবার মতো হয়ে গিয়েছে।

রাসূল (সাঃ)বললেন,হে জিবরাঈল আমার উম্মতের কি হবে?আমার উম্মতের নাজাতের কি হবে?জিবরাঈল (আঃ) বললেন,”হে রাসুল আপনি চিন্তা করবেননা,আল্লাহ ওয়াদা করেছেন আপনার উম্মতের নাজাতের জন্যে।

”মৃত্যুর ফেরেশতা ধীরে ধীরে রাসূলের কাছে এলেন জান কবজ করার জন্যে।মালাইকাতমউত আজরাইল আরো কাছে এসে ধীরে ধীরে রাসূলের জান কবজ করতে থাকলেন।পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জিব্রাইলকে রাসূল বললেন,গোঙানির সাথে, “ওহ জিবরাঈল এটা কেমন বেদনা দায়ক জান কবজ করা।”ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধ করে ফেললেন,আলী (রাঃ)তার দিকে উপুড় হয়ে বসলেন,জিবরাঈল তার মুখটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন।রাসুল(সাঃ) বললেন,”হে জিবরাঈল তুমি মুখটা উল্টা দিকে ঘুরালে কেন?”আমার প্রতি কি তুমি বিরক্ত?জিবরাঈল বললেন, “হে রাসূলুল্লাহ সাকারাতুল মউতের অবস্থায় আমি আপনাকে কিভাবে দেখে সহ্য করতে পারি।”ভয়াবহ ব্যাথায় রাসূল ছোট্ট একটা গোঙানি দিলেন।

রাসূলুল্লাহ বললেন,হে আল্লাহ সাকারাতুলমউতটা (জান কবজের সময়)যতইভয়াবহ হোক,সমস্যা নেই,আমাকে সকল ব্যথা দাও আমি বরণ করবো,কিন্তু আমার উম্মাতকে ব্যথা দিওনা।“রাসূলের শরীরটা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসতে লাগলো।তার পা, বুক কিছুই নড়ছে না এখন আর।রাসূলের চোখের পানির সাথে তার ঠোঁটটা কম্পিত ছিলো,তিনি কিছু বলবেন মনে হয়। আলি (রাঃ) তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে নিয়ে গেলো।রাসূল বললেন,”নামাজ কায়েম করো এবং তোমাদের মাঝে থাকা দূর্বলদের যত্ন নাও।”রাসূলের ঘরের বাইরে চলছে কান্নার আওয়াজ,সাহাবীরা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে কান্নারত।আলী (রাঃ) আবার তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে ধরলো,রাসূল চোখ ভেজা অবস্থায় বলতে থাকলেন, “ইয়া উম্মাতি,ইয়া উম্মাতি,ইয়া উম্মাতি।” এই ছিল আমাদের মহানবী (সাঃ)মৃত্যুর সময়তার প্রার্থনা।

মাহিরা খানের নতুন ছবি ‘সাত দিন মোহাব্বাত ইন’ এর ফার্স্ট লুক প্রকাশ !!

নিজ দেশ পাকিস্তানে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তাঁর অভিনীত রোমান্টিক কমেডি ড্রামা ‘সাত দিন মোহাব্বাত ইন’। ছবিতে তাঁর বিপরীতে আছেন শেহরিয়ার মুনাওয়ার।

মাহিরা যে চরিত্রে রূপ দান করবেন সেটির নাম ‘নীলি’। আর এই নীলি চরিত্রটি কেমন হবে তাঁরই একটি লুক সম্প্রতি নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে ভক্তদের জন্য শেয়ার করেছেন এই প্রতিভাবান পাকিস্তানি অভিনেত্রী।

ছবিতে টিপুর (শেহরিয়ার মুনাওয়ার) কাজিন এবং খুব ভালো বন্ধু নীলি। নীলি খুব আকর্ষণীয় এবং উদ্যমী এক তরুণী। যে তার স্বপ্নের রাজ্যে বসবাস করে। এটি একটি নির্ভেজাল রোমান্টিক কমেডি ছবি।

প্রতিভাবান পাকিস্তানি পরিচালক জুটি মেনু গৌর আর ফারজাদ নবী’র সাথে চিত্রনাট্যে আছেন ফাসিহ বারী খান। রানা কামরান এর সিনেমাটোগ্রাফিতে নির্মিত ছবিটি প্রডাকশনে আছে ডন ফিল্মস। ছবিটি ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে।
সূত্র : ডিএনএ

মায়ের সম্মান নিয়ে আবু হুরায়রা (রাঃ) এর হৃদয় বিদারক ঘটনা !

মায়ের সম্মান নিয়ে আবু হুরায়রা (রাঃ) এর হৃদয় বিদারক ঘটনা —

একদিন হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) নবীজি (সা.) এর নিকট এসে কাঁদছেন। নবীজি জিজ্ঞেস করলেন, হে আবু হুরায়রা তুমি কেন কাঁদছ? জবাবে আবু হুরায়রা বললেন, আমার মা আমাকে মেরেছেন। রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কেন তুমি কি কোন বেয়াদবি করেছ?আবু হুরায়রা বললেন, না হুজুর কোন বেয়াদবি করিনি। আপনার দরবার হতে বাড়ি যেতেআমার রাত হয়েছিল বিধায় আমার মা আমাকে দেরির কারণ জিজ্ঞেস করায় আমি আপনার কথা বললাম। আর
আপনার কথা শুনে মা রাগে আমাকে মারধর করল আর বলল, “হয়ত আমার বাড়ি ছাড়বি আর না হয় মোহাম্মদ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবার ছাড়বি।”আমি বললাম, “ও আমার মা। তুমি বয়স্ক মানুষ।

তোমার গায়ে যত শক্তি আছে তত শক্তি দিয়ে মারতে থাকো। মারতে মারতে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দাও। তবুও আমি আমার রাসুলকে ছাড়তে পারবো না।”তখন রাসূল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমার মা তোমাকে বের করে দিয়েছেন আর এজন্য আমার কাছে নালিশ করতেএসেছ? আমার তো এখানে কিছুই করার নেই।”হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন, “হে রাসূল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি আমার মায়ের জন্য এখানে নালিশ করতে আসিনি।”রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তাহলে কেন এসেছ?” আবু হোরায়রা বললেন, আমি জানি আপনি আল্লাহর নবী। আপনি যদি হাত উঠিয়ে আমার মায়ের জন্য দোয়া করতেন, যাতে আমার মাকে যেন আল্লাহ হেদায়েত করেন।
আর তখনই সাথে সাথে রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত উঠিয়ে আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ! আমি দোয়া করি আপনি আবু হোরায়রার আম্মাকে হেদায়েত করে দেন।”রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করলেন আর আবু হোরায়রা বাড়ির দিকে দৌড়ে যাচ্ছেন। পিছন থেকে কয়েকজন লোক আবু হোরায়রার জামা টেনে ধরল এবং বললো, হে আবু হোরায়রা! “তুমি দৌড়াচ্ছ কেন?”তখন আবু হোরায়রা বললেন, “ওহে সাহাবীগণ তোমরা আমার জামা ছেড়ে দাও। আমাকে দৌড়াতে দাও।”“আমি দৌড়াইতেছি এই কারণে যে, আমি আগে পৌঁছলাম নাকি আমার নবীজির দোয়া আগে পৌঁছে গেছে।”
হযরত আবু হুরায়রা দরজায় ধাক্কাতে লাগলো। ভেতর থেকে তার মা যখন দরজা খুললো তখন আবু হুরায়রা দেখলেন তার মার সাদা চুল বেয়ে বেয়ে পানি পড়ছে। তখন মা আমাকে বললেন, “হে আবু হুরায়রা! তোমাকে মারার পর আমি বড় অনুতপ্ত হয়েছি, অনুশোচনা করেছি। মনে মনে ভাবলাম আমার ছেলে তো কোন খারাপ জায়গায় যায়নি। কেন তাকে মারলাম? আমি বরং লজ্জায় পড়েছি তোমাকে মেরে। হে আবু হুরায়রা! আমি গোসল করেছি। আমাকে তাড়াতাড়ি রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে নিয়ে চল।”আর তখনই সাথে সাথে আবু হুরায়রা তার মাকে রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে নিয়ে গেলেন। আর তার মাকে সেখানেই কালিমা পাঠ করে মুসলমান হয়ে গেলেন।
“পিতা মাতা জান্নাতের মাঝের দরজা। যদি চাও, দরজাটি নষ্ট করে ফেলতে পারো, নতুবা তা রক্ষা করতে পারো।” সুবাহান আল্লাহ! [তিরমিজি]

স্টিফেন হকিং এর পরকাল তত্ত্ব এবং এই বিষয়ে ইসলাম কি বলে ?? জেনে নিন বিস্তারিত

*** স্টিফেন হকিং এর পরকাল তত্ত্ব এবং এই বিষয়ে ইসলাম কি বলে?

তিনি বলেছেন পরকাল বলতে কিছু নাই।আসুন আমরা এর বিষয়ে নিচে দেখি ইসলাম এটা নিয়ে কি বলে।

আপেক্ষিকতা সূত্রের (Law of Relativity) উদ্গাতা জন আইনস্টাইনের পর অনেকের নিকট বর্তমান বিশ্বের সেরা পদার্থ বিজ্ঞানী ড. স্টিফেন হকিং (জন্ম : লন্ডন, ১৯৪২), যিনি মধ্যাকর্ষণ শক্তির উদ্ভাবক স্যার আইজাক নিউটনের ন্যায় কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘লুকাসিয়ান অধ্যাপক’-এর বিরল সম্মাননায় ভূষিত, তিনি স্বীয় গবেষণা বিষয়বস্ত্ত তথা ফিজিক্স-এর বাইরে গিয়ে মেটাফিজিক্স বা থিওলজি সম্পৃক্ত বিষয় নিয়ে সম্প্রতি এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা তাঁর সুউচ্চ সম্মানকে কালিমালিপ্ত করেছে। বৃটেনের প্রভাবশালী দৈনিক গার্ডিয়ানের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ‘পরকাল’ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর পরে আর কোন জীবন নেই। স্বর্গ ও নরক মানুষের অলীক কল্পনা মাত্র’। এর আগেও গত বছর তিনি ‘স্রষ্টার অস্তিত্ব ও মহাবিশ্বের শৃংখলা’ নিয়ে তার বই ‘দি গ্রান্ড ডিজাইনে’ অনেক ঔদ্ধত্যপূর্ণ কটাক্ষ করেন। সেখানে তিনি দাবী করেন যে, মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ব্যাখ্যার জন্য ঈশ্বর ধারণার কোন প্রয়োজন নেই। তিনি সৃষ্টিকর্তাকে ‘মানব কল্পিত রূপক’ হিসাবে বর্ণনা করেন। হকিং-এর এসব মন্তব্য স্রেফ কল্পনা নির্ভর হলেও যেহেতু তারা বিজ্ঞানী, অতএব তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন বহু মানুষ। বিশেষ করে দুর্বল বিশ্বাসী, কপট বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী ব্যক্তিগণ এইসব মন্তব্যগুলিকে তাদের পক্ষে বড় দলীল হিসাবে সোৎসাহে পেশ করে থাকেন।

খৃষ্টীয় অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে যথাক্রমে শিল্পবিপ্লব ও বিজ্ঞানের নানামুখী আবিষ্কারে হতচকিত হয়ে সাময়িকভাবে অনেক বিজ্ঞানী বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছিলেন এবং তারা বিশ্ব চরাচরের সবকিছুকে ‘প্রকৃতির লীলাখেলা’ মনে করতেন। কিন্তু এখন তাদের অধিকাংশের হুঁশ ফিরেছে এবং হোয়াইট হেড, আর্থার এডিংটন, জেম্স জীন্স (১৮৭৭-১৯৪৬) সহ বিরাট সংখ্যক বিজ্ঞানী স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, Nature is alive ‘প্রকৃতি এক জীবন্ত সত্তা’। কেবল জীবন্ত নয়, বরং ডব্লিউ.এন. সুলিভানের ভাষায় বিজ্ঞানীদের বক্তব্যের সার নির্যাস হল, The ultimate nature of the universe is mental. ‘বিশ্বলোকের চূড়ান্ত প্রকৃতি হল মানসিক’। অর্থাৎ সৌরজগত আপনা-আপনি সৃষ্টি হয়নি বা এটা কোন বিগব্যাং বা মহা বিস্ফোরণের ফসল নয় বা অন্ধ-বোবা-বধির কোন ন্যাচার বা প্রকৃতি নয়, বরং একজন প্রজ্ঞাময় সৃষ্টিকর্তার মহা পরিকল্পনার ফসল। আর তিনিই হচ্ছেন ‘আল্লাহ’। যিনি বিশ্ব প্রকৃতির সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তা। যাঁর পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনায় সবকিছু চলছে {দেখুন সূরা ইউনুস, আয়াত ৩১}।

হাঁ, বিগব্যাং যদি হয়ে থাকে, তবে সেটা দুনিয়ার মানুষ বিজ্ঞানীদের বহু পূর্বে নিরক্ষর নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর মুখ দিয়ে শুনেছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন,
‘অবিশ্বাসীরা কি দেখে না যে, আসমানসমূহ ও পৃথিবী (এক সময়) ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিলো, অতঃপর আমিই এদের উভয়কে আলাদা করে দিয়েছি এবং আমি প্রাণবান সব কিছুকেই পানি থেকে সৃষ্টি করেছি, (এসব জানার পরও) কি তারা ঈমান আনবে না?’ {সূরা আল আম্বিয়া, আয়াত ৩০}।

অতঃপর পরকাল কেন? কেন মানুষকে পুনরায় সৃষ্টি করা হবে? আল্লাহ বলেন,
‘… নিশ্চয় তিনিই প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন, (মৃত্যুর পর) তিনিই আবার তাকে (তার জীবন) ফিরিয়ে দেবেন, যাতে করে যারা (তাঁর ওপর) ঈমান আনে, ভালো কাজ করে, (যথার্থ) ইনসাফের সাথে তিনি তাদের (কাজের) বিনিময় দান করতে পারেন এবং (এ কথাটাও পরিস্কার করে দিতে পারেন,) যারা (আল্লাহ তায়ালাকে) অস্বীকার করে তাদের জন্যে উত্তপ্ত পানীয় ও কঠিন শাস্তি রয়েছে, কেননা তারা (পরকালের এ শাস্তি) অস্বীকার করতো।’ {সূরা ইউনুস, আয়াত ৪}।

আল্লাহ বলেন,
‘(তিনিই সেই মহান সত্তা) যিনি (গোটা) সৃষ্টি (জগত)-কে প্রথমবার পয়দা করেছেন, অতঃপর (কেয়ামতের দিন) তাকে আবার আবর্তিত করবেন, সৃষ্টির (প্রক্রিয়ায়) সে (কাজ)-টি তাঁর জন্যে খুবই সহজ; (কেননা) আসমানসমূহ ও যমীনে সর্বোচ্চ মর্যাদা তো তাঁর জন্যেই নির্ধারিত এবং তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’ {সূরা আর রূম, আয়াত ২৭}।

অদৃশ্য জগতের জ্ঞান বিজ্ঞানীদের নেই। তাই তাদের জ্ঞান অপূর্ণ। সেকারণেই বিজ্ঞানী আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫) বলেছেন, Religion without science is blind and Science without religion is lame. ‘বিজ্ঞান ব্যতীত ধর্ম অন্ধ এবং ধর্ম ব্যতীত বিজ্ঞান পঙ্গু।’

আজকের হকিংদের ন্যায় সেকালে মক্কার মুশরিক নেতাদের অনেকের ধারণা ছিল যে, মানুষ আপনা-আপনি সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রাকৃতিক নিয়মেই তারা ধ্বংস হবে। যেমন আল্লাহ বলেন,
‘এ (মূর্খ) লোকেরা বলে, আমাদের এ পার্থিব দুনিয়া ছাড়া আর কোনো জীবনই নেই, আমরা (এখানেই) মরি বাঁচি, কালের আবর্তন ছাড়া অন্য কিছু আমাদের ধ্বংসও করেনা। (মূলত) এদের এ ব্যাপারে কোনোই জ্ঞান নেই, এরা শুধু আন্দায অনুমানের ভিত্তিতেই কথা বলে।’ {সূরা আল জাছিয়া, আয়াত ২৪}।

আরব নেতারা বলেছিল, ‘আমরা যখন মরে যাবো এবং আমরা যখন মাটি হয়ে যাবো (তখন পুনরায় আমাদের জীবন দান করা হবে), এ তো সত্যিই এক সুদূরপরাহত ব্যাপার!’ {সূরা ক্বাফ, আয়াত ৩}। এ নিয়ে তারা ঝগড়ায় লিপ্ত ছিল। আল্লাহ বলেন,
‘কোন বিষয় সম্পর্কে তারা একে অপরকে জিজ্ঞেস করছে? (তারা কি) সেই (গুরুত্বপূর্ণ) মহাসংবাদের ব্যাপারেই (একে অপরকে জিজ্ঞেস করছে), যে ব্যাপারে তারা নিজেরাও বিভিন্ন মত পোষণ করে; না, (তা আদৌ ঠিক নয়, সঠিক ঘটনা) এরা তো অচিরেই জানতে পারবে, আবারও (তোমরা শুনে রাখো, কেয়ামত আসবেই এবং) অতি সত্বরই তারা (এ সম্পর্কে জানতে পারবে।’ {সূরা আন নাবা, আয়াত ১-৫}।

কি সে মহা সংবাদ? সেটি হল পুনর্জন্মের সংবাদ। কেননা মানবজীবনে সবচেয়ে বড় সুসংবাদ হল জন্মগ্রহণ করা। আর সবচেয়ে দুঃসংবাদ হল মৃত্যুবরণ করা বা বিলীন হয়ে যাওয়া। এ দুনিয়াতে কেউ মরতে চায় না। কিন্তু যে মানুষের জন্য আসমান-যমীন সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে, সেই মানুষ গড়ে একশ বছরের মধ্যেই মরে শেষ হয়ে যাচ্ছে। অথচ ইহজীবনে তার আশা-আকাংখার অনেক কিছুই পূরণ হচ্ছে না। তাই এই অস্থায়ী ও অসম্পূর্ণ জগত থেকে চিরস্থায়ী ও পরিপূর্ণ আরেকটি জগতে হিজরত করতে হয়। যেখানে যালেম তার সমুচিত শাস্তি পাবে এবং মযলূম তার যথাযথ পুরস্কার পেয়ে তৃপ্ত হবে। আর সে জগতটাই হল পরজগত। মৃত্যুর পরেই হবে যার শুরু এবং ক্বিয়ামতের দিন হবে যার পূর্ণতা। আল্লাহ বলেন,
‘তোমরা সে দিনটিকে ভয় করো, যেদিন তোমাদের সবাইকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেয়া হবে, সেদিন প্রত্যেক মানব সন্তানকে (জীবনভর) কামাই করা পাপপুণ্যের পুরোপুরি ফলাফল দিয়ে দেয়া হবে, (কারো ওপর সেদিন) কোনো ধরনের যুলুম করা হবে না।’ {সূরা আল বাক্বারা, আয়াত ২৮১}।

আর এটাই হল জগদ্বাসীর প্রতি আল্লাহর সর্বশেষ নাযিলকৃত আয়াত। অতএব যদি পরকাল বিশ্বাস না থাকত, তাহলে সবল ও দুর্বলের হানাহানিতে পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ত। অবিশ্বাসীদের সন্দেহ দূর করার জন্যই আল্লাহ স্বীয় নবীকে মেরাজে নিয়ে জান্নাত-জাহান্নাম স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করিয়েছেন। এরপরেও কি হকিংদের চোখ খুলবে না।

হে বিজ্ঞানী স্টিফেন! কোন সে শক্তি যিনি আপনাকে ১৯৬৩ সাল থেকে বিগত ৪৮ বছর যাবত মাথা ব্যতীত পুরা দেহ প্যারালাইসিসে পঙ্গু করে রেখেছেন? দুনিয়ার সকল চিকিৎসা সুবিধা নাগালের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও কেন আপনি সুস্থ হতে পারছেন না? আপনার বুকের মধ্যের রূহটা কি কখনো দেখতে পেয়েছেন? ওটা কার হুকুমে এসেছে, আর কার হুকুমে চলে যাবে? আপনি কি ১৯৮৬ সালে শিকাগো শহরে আগের বছরের দেয়া তত্ত্বের ভুল স্বীকার করেননি? বিজ্ঞান স্রেফ অনুমিতি নির্ভর বস্ত্ত নয় কি? অথচ ‘আল্লাহর কালাম সত্য ও ন্যায় দ্বারা পরিপূর্ণ..’ {সূরা আল আন’আম, আয়াত ১১৫}। ঐ শুনুন আপনার সৃষ্টিকর্তার বাণী, ‘(হে মানুষ,) নিশ্চয়ই তোমাদের মালিক হচ্ছেন আল্লাহ তায়ালা, যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনি ‘আরশে’ সমাসীন হন, তিনি (তার) কাজ (স্বহস্তে) নিয়ন্ত্রণ করেন … {সূরা ইউনুস, আয়াত ৩}।

অতএব তওবা করুন! মুসলিম হয়ে মৃত্যুবরণ করুন!! পরকালে ভাল থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দুটি অলৌকিক ঘটনা ।।

আল্লাহ তার প্রেরিত নবী রসুলদের পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন মানুষকে হেদায়েত করার জন্য। মানুষ যাতে নবী রসুলদের প্রতি আস্থা স্থাপন করে সে জন্য তাদের আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন কিছু ক্ষমতা দান করা হয় যা অলৌকিক ক্ষমতা বলে বিবেচিত।
আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও ছিলেন এমনই অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী।

নবী (সা.)-এর অন্যতম অলৌকিক ঘটনা ‘রদ্দে শামস’ হলো অস্তমিত সূর্যকে ফিরিয়ে আনয়ন করা। হজরত আসমা বিনতে ওমায়স (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, একদা নবী করিম (সা.) খায়বারের কাছে ‘সাহবা’ নামক স্থানে ছিলেন। তার মাথা মোবারক হজরত আলী (রা.) কোলে রেখে বিশ্রাম করছিলেন। হজরত আলী (রা.) কিন্তু আসরের নামাজ আদায় করেননি। এমতাবস্থায় ওহি নাজিল শুরু হলো। শেষ পর্যন্ত সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল। নবীজি (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমরা কি আসরের নামাজ আদায় করেছ?’ হজরত আলী (রা.) বললেন, ‘না’। তখনই রসুলুল্লাহ (সা.) হস্ত উত্তোলন করে দোয়া করলেন, ‘হে আল্লাহ! আলী আপনার রসুলের অনুগত ছিল, সূর্য ফিরিয়ে দিন, যাতে সে আসরের নামাজ সঠিক ওয়াক্তে আদায় করতে পারে। ’ হজরত আসমা বিনতে মায়স (রা.) বলেন, ‘অস্তমিত সূর্য পুনরায় দিগন্তে দৃশ্যমান হলো’। ইমাম তাহাবি (রহ.) বলেন, ‘হাদিসটি বিশুদ্ধ। হাদিসের সব বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। ’ শায়খ জালাল উদ্দীন সুয়ুতী (রহ.) উল্লিখিত হাদিসটি সম্পর্কে ‘কাশফুল লাবস আন হাদিসে রদ্দে শামস’ নামে একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা রচনা করেছেন। ওই পুস্তিকায় হাদিসের সনদ নিয়ে আলোচনা করে হাদিসের বিশুদ্ধতা প্রমাণ করেছেন।

মহানবী (সা.) মিরাজ থেকে প্রত্যাবর্তন করে কুরাইশদের সম্মুখে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ এবং স্বীয় ভ্রমণকাহিনী ও মিরাজের ঘটনা বর্ণনা করেছিলেন। কুরাইশরা ঘটনার সত্যতা যাচাই করার জন্য বায়তুল মোকাদ্দাসের বিভিন্ন নিদর্শন সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিল এবং বাণিজ্য উপলক্ষে সিরিয়ার দিকে যে কাফেলা গমন করেছিল, তারা কখন মক্কায় প্রত্যাবর্তন করবে, তা জানতে চেয়েছিল।

মহানবী (সা.) উত্তর দিয়েছিলেন, ‘তারা বুধবার মক্কায় পৌঁছবে। ’ বুধবার আস্তে আস্তে অতিক্রান্ত হতে চলল, দিবসের পড়ন্ত বেলাও অতিক্রম হতে চলল। এমনকি সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার নিদর্শন পরিলক্ষিত হতে লাগল কিন্তু কাফেলা মক্কায় পৌঁছেনি। তাই মক্কার কাফিরকুল তার নবুয়তের সত্যতা সম্পর্কে সমালোচনা করতে শুরু করে দিল। এমতাবস্থায় রসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করলেন, আল্লাহপাক সূর্যের গতিরোধ করলেন। কাফেলা মক্কায় প্রবেশ করা পর্যন্ত সূর্য থেমে ছিল।
লেখক: ইসলামী গবেষক। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

‘ব্ল্যাকমেল’-এর টিজার প্রকাশ…।। অর্ধনগ্ন ইরফান খান…।।

টিজারে ছবির মূল চরিত্রে রূপদানকারী ইরফান খানকে একটি পেপার ব্যাগে মুখ ঢাকা অবস্থায় দেখা গেছে। এবার একই পন্থায় অন্যদেরও পরিচয় করিয়ে দিয়েছে এর নির্মাতারা।

কী এই পেপার ব্যাগের রহস্য? যদিও এটা একটা সাধারণ ‘ব্রা ও প্যান্টি’ বিক্রেতা দোকানের পেপার ব্যাগ, তারপর হয়তো এর মধ্যেই আছে ছবির মূল কাহিনির রসদ। ধোঁয়াশা থেকে যাচ্ছে। আর ইচ্ছে করেই এটা রাখছেন এর নির্মাতারা। এটাকে নতুন ধরনের স্টান্ট বলছেন চলচ্চিত্র বোদ্ধারা।

মুক্তি পাওয়া টিজারটি সত্যিই দারুণ মজার। অর্ধনগ্ন (শুধু একটি বক্সার শর্টস পরা আর পেপার ব্যাগে মুখ ঢাকা) ইরফান খানের প্রতি দর্শকদের আগ্রহ বাড়বে ছাড়া কমবে না। টিজার জুড়ে রহস্যময়তা।

দেখুন টিজারটি ভিডিও তে

বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানি (র:) এর একটি ঘটনা ।।

একবার এক মরুপ্রান্তরে হযরত বড়পীর (রহ.) ভ্রমণ করছিলেন। ইবাদত-বন্দেগী ও ধ্যানসাধনার এক বিশেষ ক্ষণে অদৃশ্য থেকে আওয়াজ এলো!

হে আবদুল কাদের আমি তোমার প্রতি সন্তুষ্ট। সাধনার মাধ্যমে তুমি আজ এমন এক পর্যায়ে উপনীত হয়েছ যে, আমি আল্লাহ তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছি।

অতএব, এখন থেকে শরীয়তের কোন বিধান তোমার উপর বাধ্যতামূলক নেই। তুমি ইবাদত কর বা না কর, এতে কিছু আসবে যাবে না। যে কোন ধরনের কাজে তুমি এখন থেকে স্বাধীন।

এ ধরনের কথা শুনে হযরত জিলানী (রহ.) খুব দৃঢ়তার সাথে ‘লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ পড়লেন। অদৃশ্য আওয়াজটি বন্ধ হয়ে গেল। তিনি বলতে লাগলেন হে অভিশপ্ত শয়তান, তোর কুমন্ত্রণা থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি।

তোর এ প্রস্তাব শুনেই আমি বুঝতে পেরেছি যে, এ তোর ভয়াবহ কৌশল। আমকে পথচ্যুত করার এক মারাত্মক কূটচাল। কেননা, পবিত্র কোরআনে আছে, আল্লাহ কোন মানব সন্তানের সাথে সরাসরি কথা বলেন না।

তাছাড়া সাধনার কোন পর্যায়েই ইবাদত-বন্দেগীর দায়িত্ব কারো উপর থেকে তুলে নেয়া হয় না। শরীয়ত অমান্য করার নির্দেশ আল্লাহ কখনও কোন ব্যক্তিকে দেন না।তোর আওয়াজ শোনামাত্রই আমি বুঝতে পেরেছি যে, এমন বাণী আল্লাহর পক্ষ থেকে আসতে পারে না। এ নিশ্চয়ই শয়তানের কৌশল।

এ কথা শুনে শয়তান বলল, এ ধরনের কথা বলে এর আগে আমি এই প্রান্তরেই অন্তত ২৭ জন সাধকের সর্বনাশ করেছি। আজ আপনি নিজ প্রজ্ঞা, জ্ঞান ও উচ্চপর্যায়ের সাধনাবলেই রক্ষা পেয়ে গেলেন, হে যুগশ্রেষ্ঠ ওলী।

তখন এ কথা শুনে হযরত জিলানী (রহ.) আবার পড়লেন ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’। অর্থাৎ আল্লাহর খাস রহমত ছাড়া ধূর্ত প্রতারক শয়তান থেকে বেঁচে থাকার কোন শক্তি ও ক্ষমতা আমার নেই।

শয়তানের প্ররোচনা থেকে রক্ষা পাওয়ারও দোয়া আল্লাহর প্রিয় নবী (সা.) আমাদের শিক্ষা দিয়ে গিয়েছেন। হযরত জিলানী (রহ.) এ দোয়া পড়ে বলতে লাগলেন, ঘটনার শেষ অংশে এসে তুই আমাকে নতুন করে আবার ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করছিস হে বিতাড়িত শয়তান।

তুই বুঝাতে চাইছিস যে, আমার জ্ঞান ও প্রজ্ঞার দ্বারা আমি রক্ষা পেয়েছি। অথচ আমি যে দোয়াটি পড়েছি, এতে বলা আছে ‘আল্লাহর সাহায্য ও করুনা ছাড়া রক্ষার কোন উপায় বান্দার নেই।

এ মন্তব্য শুনে শয়তান বলল, সত্যিই আপনি আল্লাহর প্রকৃত খাস বান্দা। কোনভাবেই আমি আপনাকে খোদাবিমুখ করতে পারলাম না। একথা বলে শয়তান ব্যর্থ হয়ে দূরে সরে গেল।

সিদ্ধার্থ এবং রাকুল প্রীত এর ভিডিও ভাইরাল …..।।

সম্প্রতি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা রাকুল প্রীতের সাথে তাদের ছবির সম্প্রচারের জন্য দিল্লি পৌঁছেছিলেন। এখানে তাঁরা তাদের ছবির “লে ডুবা” গানে পারফর্ম করছিলেন।

তখন সিদ্ধার্থ রাকুল প্রীত সিংকে কোলে তুলে নেন। এই কারণে রাকুল প্রীত অস্বস্তি বোধ করেন। তিনি এমন পোষাক পড়েছিলেন যার মধ্যে তাঁকে কোলে তোলা উচিত ছিল না।

এই ইভেন্টের ভিডিও আইয়ারির অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা হয়েছে। ভিডিওতে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং রাকুল প্রীতকে “লে ডুবা” গানে পারফর্ম করতে দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে সিদ্ধার্থ রাকুলকে কোলে তোলার পর তাঁর জামা ওপর দিকে উঠে যায়। এরপর তিনি তাঁর কাপড় ঠিক করতে থাকেন।

রাকুল ভালোভাবে বিষয়টিকে পরিচালনা করেছেন। তিনি পুরো ইভেন্টে হাঁসতে থাকেন এবং কাউকে এই ঘটনার সম্পর্কে জানতে দেননি।

দেখুন ভিডিও