সালমানকে স্বামী দাবি করে সালমানের বাসায় হাজির এক নারী …।।

নিরাপত্তাকর্মীদের চোখ এড়িয়ে সালমানের বাসায় ধাতব একটি বস্তু নিয়ে ঢুকে পড়েন জনৈক নারী। মজার ব্যাপার হলো, ধরা পড়ার পর তিনিকে সালমানকে নিজের স্বামী বলে দাবি করেন।

ডেকান ক্রনিকেলসের খবরে প্রকাশ, সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে ঢোকার পর তিনি সালমানের ফ্ল্যাট খুঁজে বের করেন। সেখানে অনেকক্ষণ দরজা ধাক্কা দেওয়ার পর অ্যালার্ম বেজে ওঠে এবং পুলিশের পরিবর্তে খবর দেওয়া হয় দমকলকর্মীদের। তাঁরা এসে মেয়েটিকে অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে নিয়ে যায়।

সালমানের বাসার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, ‘দমকলকর্মীরা মেয়েটিকে বের করার আগে তাঁর হাত থেকে ধাতব বস্তু নিয়ে নেয়। তাঁকে বেশ আক্রমণাত্মক এবং মানসিক ভারসাম্যহীন মনে হচ্ছিল। সে বারবার একটাই কথা বলছিল, সালমান আমার স্বামী। তবে অবাক করা বিষয়, কেউ পুলিশে খবর দেয়নি।’ বান্দ্রা পুলিশ স্টেশনের ইন্সপেক্টর পণ্ডিত ঠাকুর জানান, এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

এবারই প্রথম নয়, এর আগেও গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে দেখা মিলেছিল অনুপ্রবেশকারীর। দালানের ভেতরে এক বাথরুম থেকে আটক করা হয় তাঁকে। এবারের ঘটনার পর আরো শক্ত করা হয়েছে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের নিরাপত্তাব্যবস্থা। তবে যাকে নিয়ে এ ঘটনা, সেই সালমান খানই ঘটনাস্থলে ছিলেন অনুপস্থিত। ‘রেস-৩’ ছবির শুটিংয়ের জন্য বর্তমানে আবুধাবিতে অবস্থান করছেন তিনি।

‘নিধাস ট্রফি ২০১৮’ এর সূচি দেখে নিন এক নজরে …।।

শনিবার (২০ জানুয়ারি) তিন জাতির এই সিরিজের সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চে স্বাধীনতার ৭০তম বার্ষিকী উদযাপন করবে শ্রীলঙ্কা। এ উপলক্ষ্যে ‘নিধাস ট্রফি ২০১৮’ শিরোনামে একটি ত্রিদেশীয় টি টোয়েন্টি সিরিজের আয়োজন করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)।

আগামী ৬ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে হবে সবগুলো খেলা।

এক নজরে দেখে নিন ‘নিদাহাস ট্রফি-২০১৮’-এর সূচি:

তারিখ দল
৬ মার্চ ২০১৮ শ্রীলঙ্কা বনাম ভারত
৮ মার্চ ২০১৮ বাংলাদেশ বনাম ভারত

১০ মার্চ ২০১৮ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা
১২ মার্চ ২০১৮ শ্রীলঙ্কা বনাম ভারত

১৪ মার্চ ২০১৮ বাংলাদেশ বনাম ভারত
১৬ মার্চ ২০১৮ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা

১৮ মার্চ ২০১৮ ফাইনাল

সাভারে এসএসসি পরীক্ষায় নকলঃবহিষ্কার করায় দোতলা থেকে লাফ দিল এক ছাত্রী..।।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দ্র সচিব এবং অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিটার গোমেজ বলেন, পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা চলার সময় সাভারের একটি বালিকা বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী আগে থেকে হাতের মধ্যে লিখে আনা উত্তর দেখে দেখে পরীক্ষা দিচ্ছিল।

বিষয়টি দেখে ফেলেন কেন্দ্রের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সাভার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেজবা উদ্দীন। তিনি ওই ছাত্রীর হাতে লিখে আনা উত্তরের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের উত্তরের মিল পেয়ে তাকে বহিষ্কার করেন।

এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রী জানায়, কুষ্টিয়ায় তার এক বন্ধুর কাছ থেকে ফেসবুকের মাধ্যমে এ উত্তরপত্র সংগ্রহ করেছে সে। এটি বলে সে হঠাৎ করেই কেন্দ্রের দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে। পরে আহত অবস্থায় তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। ওখানেই সে এখন চিকিৎসাধীন। তার কোমর ও বাঁ পায়ে আঘাত লেগেছে বলেও জানান কেন্দ্র সচিব।

অন্যরকম এক রেকর্ড গড়লেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান।

নতুন কোনো ছবি, গান বা পুরস্কারের রেকর্ড নয়- এ এক অন্যরকম রেকর্ড। মাইক্রোব্লগিং সাইট ট্যুইটারে ৩৩ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৩০ লাখ ফলোয়ারের এক অনন্য মাইলস্টোন স্পর্শ করলেন এই তারকা।

আর এ উপলক্ষে একটি এক মিনিটের ভিডিও শেয়ার করে এই ‘রইস’ তারকা তাঁর ট্যুইটার হ্যান্ডেলে লেখেন, এসব কিছুই পরিকল্পনামাফিক হয়নি। আজ এই অলস রবিবারের দুপুরে ঘটনাটি ঘটে গেল। আমি খুব সীতিত ক্ষমতার মানুষ,

এর বেশি আমার আর কিছুই করার নেই। বিচার নয়, অনুভব করো। ধন্যবাদ।

উল্লেখ্য, শাহরুখ বর্তমানে আনন্দ এল রাই-এর সাম্প্রতিক প্রজেক্ট ‘জিরো’তে কাজ করছেন। এই ছবিতে তাঁর কো-স্টার ক্যাটরিনা কাইফ।
সূত্র : ডেকন ক্রনিকল

এক জ্বীন ও আবু হুরাইরা (রা:) এর গল্প …

আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রমজান মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে যাকাতের সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্ব দিলেন। দেখলাম, কোন এক আগন্তুক এসে খাদ্যের মধ্যে হাত দিয়ে কিছু নিতে যাচ্ছে। আমি তাকে ধরে ফেললাম। আর বললাম, আল্লাহর কসম! আমি অবশ্যই তোমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে নিয়ে যাবো। সে বলল, আমি খূব দরিদ্র মানুষ। আমার পরিবার আছে। আমার অভাব মারাত্নক। আবু হুরাইরা বলেন, আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

সকাল বেলা যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আসলাম, তখন তিনি বললেন, কী আবু হুরাইরা! গত রাতের আসামীর খবর কি? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে তার প্রচন্ড অভাবের কথা আমার কাছে বলেছে। আমি তার উপর দয়া করে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, অবশ্য সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে।দেখবে সে আবার আসবে।

আমি এ কথায় বুঝে নিলাম সে আবার আসবেই। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, সে আবার আসবে। আমি অপেক্ষায় থাকলাম। সে পরের রাতে আবার এসে খাবারের মধ্যে হাত দিয়ে খুঁজতে লাগল। আমি তাকে ধরে ফেললাম। আর বললাম, আল্লাহর কসম আমি অবশ্যই তোমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে নিয়ে যাবো। সে বলল, আমাকে ছেড়ে দাও। আমি খুব অসহায়। আমার পরিবার আছে। আমি আর আসবো না। আমি এবারও তার উপর দয়া করে তাকে ছেড়ে দিলাম। সকাল বেলা যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আসলাম, তিনি বললেন, কী আবু হুরাইরা! গত রাতে তোমার আসামী কী করেছে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে তার চরম অভাবের কথা আমার কাছে বলেছে। তার পরিবার আছে। আমি তার উপর দয়া করে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, অবশ্য সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে।
দেখো, সে আবার আসবে।

তৃতীয় দিন আমি অপেক্ষায় থাকলাম, সে আবার এসে খাবারের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে খুঁজতে লাগল। আমি তাকে ধরে ফেললাম। আর বললাম, আল্লাহর কসম আমি অবশ্যই তোমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে নিয়ে যাবো। তুমি তিন বারের শেষ বার এসেছ। বলেছ, আসবে না। আবার এসেছ। সে বলল, আমাকে ছেড়ে দাও। আমি তোমাকে কিছু বাক্য শিক্ষা দেবো যা তোমার খুব উপকারে আসবে। আমি বললাম কী সে বাক্যগুলো? সে বলল, যখন তুমি নিদ্রা যাবে তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে। তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাকে একজন রক্ষক পাহাড়া দেবে আর সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না। আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

সকাল বেলা যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আসলাম, তখন তিনি বললেন, কী আবু হুরাইরা! গত রাতে তোমার আসামী কী করেছে? আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে আমাকে কিছু উপকারী বাক্য শিক্ষা দিয়েছে, তাই আমি তাকে ছেড়ে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তোমাকে সে কী শিক্ষা দিয়েছে? আমি বললাম, সে বলেছে, যখন তুমি নিদ্রা যাবে, তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে। তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাকে একজন রক্ষক পাহাড়া দেবে আর সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না।
আর সাহাবায়ে কেরাম এ সকল শিক্ষণীয় বিষয়ে খুব আগ্রহী ছিলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, সে তোমাকে সত্য বলেছে যদিও সে মিথ্যাবাদী। হে আবু হুরাইরা! গত তিন রাত যার সাথে কথা বলেছো তুমি কি জানো সে কে?

আবু হুরাইরা বলল, না, আমি জানি না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, সে হল শয়তান।
(বর্ণনায় : বুখারী)

এ হাদীস থেকে আমরা যা শিখতে পেলাম তা হল:
(১) জনগণের সম্পদ পাহাড়া দেয়া ও তা রক্ষা করার জন্য আমানতদার দায়িত্বশীল নিয়োগ দেয়া কর্তব্য। আবু হুরাইরা রা. ছিলেন একজন বিশ্বস্ত আমানতদার সাহাবী।
(২) আবু হুরাইরা রা. দায়িত্ব পালনে একাগ্রতা ও আন্তরিকতার প্রমাণ দিলেন। তিনি রাতেও না ঘুমিয়ে যাকাতের সম্পদ পাহাড়া দিয়েছেন।
(৩) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এটি একটি মুজেযা যে, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেও আবু হুরাইরার কাছে বর্ণনা শুনেই বুঝতে পেরেছেন শয়তানের আগমনের বিষয়টি।
(৪) দরিদ্র অসহায় পরিবারের বোঝা বাহকদের প্রতি সাহাবায়ে কেরামের দয়া ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ দয়াকে স্বীকৃতি দিলেন। তিনি আবু হুরাইরা রা. কে বললেন না, তাকে কেন ছেড়ে দিলে? কেন দয়া দেখালে?
(৫) সাহাবায়ে কেরামের কাছে ইলম বা বিদ্যার মূল্য কতখানি ছিল যে, অপরাধী শয়তান যখন তাকে কিছু শিখাতে চাইল তখন তা শিখে নিলেন ও তার মূল্যায়নে তাকে ছেড়েও দিলেন।
(৬) খারাপ বা অসৎ মানুষ ও জিন শয়তান যদি ভাল কোন কিছু শিক্ষা দেয় তা শিখতে কোন দোষ নেই। তবে কথা হল তার ষড়যন্ত্র ও অপকারিতা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, সে তোমাকে সত্য বলেছে, তবে সে মিথ্যুক। এ বিষয়টিকে শিক্ষার একটি মূলনীতি হিসাবে গ্রহণ করা যায়।
(৭) জিন শয়তান মানুষের খাদ্য-খাবারে হাত দেয়। তা থেকে গ্রহণ করে ও নষ্ট করে।
(৮)আয়াতুল কুরসী একটি মস্তবড় সুরক্ষা। যারা আমল করতে পারে তাদের উচিত এ আমলটি ত্যাগ না করা। রাতে নিদ্রার পূর্বে এটি পাঠ করলে পাঠকারী সকল প্রকার অনিষ্টতা থেকে মুক্ত থাকবে ও জিন শয়তান কোন কিছু তার উপর চড়াও হতে পারবে না।
(৯) আয়াতুল কুরসী হল সূরা আল বাকারার ২৫৫ নং এই আয়াত :
اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
অর্থ: আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সুপ্রতিষ্ঠিত ধারক। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। তাঁর জন্যই আসমানসমূহে যা রয়েছে তা এবং যমীনে যা আছে তা। কে সে, যে তাঁর নিকট সুপারিশ করবে তাঁর অনুমতি ছাড়া? তিনি জানেন যা আছে তাদের সামনে এবং যা আছে তাদের পেছনে। আর তারা তাঁর জ্ঞানের সামান্য পরিমাণও আয়ত্ব করতে পারে না, তবে তিনি যা চান তা ছাড়া। তাঁর কুরসী আসমানসমূহ ও যমীন পরিব্যাপ্ত করে আছে এবং এ দুটোর সংরক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। আর তিনি সুউচ্চ, মহান।