মাথাবিচ্ছিন্ন একটি মোরগ ৭ দিন ধরে বেঁচে আছে। (ভিডিও ভাইরাল)

থাইল্যান্ডের রচাবুরি প্রদেশের মিয়াউয়াং রাচাবুরি জেলার অদ্ভুত এ ঘটনাটি এখন সামাজিক মাধ্যমে তোলাপাড় তৈরি করেছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর মতে, মাথাবিচ্ছিন্ন একটি মোরগ ৭ দিন ধরে বেঁচে আছে।

ওই এলাকার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের ভিক্ষুরা মোরগটির দেখভাল করছেন- এমন ভিডিও ক্লিপ এখন ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যায়, মোরগটিকে সিরিঞ্জ দিয়ে খাবার দেওয়া হচ্ছে। লাখ পাঁচেকবার দেখা হয়ে গেছে এই ভিডিও এ পর্যন্ত।

থাই মিডিয়ার খবরে জানা গেছে, মোরগটিকে যেখানে পাওয়া যায়, পরে সেই স্থানের সবচেয়ে কাছের প্যাগোডার ভিক্ষুরা প্রাণীটিকে নিজেদের আশ্রয়ে নেন। এখন দেখভাল তারাই করছেন।

নোপ্পোঙ্গ থিট্টানো নামের এক ইউজার সামাজিক মাধ্যমে প্রথমে মোরগটির বিষয়ে খবর জানান। এরপর স্থানীয় পশুচিকিৎসক বোরাকরন শ্রীরোজ লোকজনের কাছ থেকে চাঁদা তুলে মোরগটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সুপাকারি অরুণ থাংগ নামের অপর চিকিৎসক প্রথম মোরগটিকে খাবার খাওয়ান সিরিঞ্জ দিয়ে। তিনি একই কায়দায় অ্যান্টিবায়োটিকও দেন মোরগটিকে। মুণ্ডুহীন মোরগের সেবক এই নারী চিকিৎসক বলেন, এর আয়ু বাকি ছিল। সে বাঁচতে চেয়েছে আর আমরা তাকে খাওয়া-দাওয়া দিয়েছি আর দেখভাল করেছি।

তাদের মতে, এই মোরগটি হচ্ছে একজন সাচ্চা যোদ্ধা। প্রাণীটির অমন হাল কী করে হলো তা নিশ্চিত করা না গলেওে স্থানীয়রা মনে করছেন অন্য কোনো পাখি বা প্রাণীর প্রাণঘাতী হামলা থেকে কোনোমতে বেঁচে যায় সে। ভিডিওতে দেখা যায়, মোরগটির মাথার একটি অংশ ছিঁড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হতে পারে এর মাথা তথা মস্তিষ্কের একটি অংশ শরীরের সঙ্গে রয়ে গেছে অর্থাৎ গলার ওপরে থাকা অংশের সঙ্গে আছে।

ইউটিউব ভিডিও দেখুন

নাপাক অবস্থায় খাবার গ্রহণ করা জায়েজ আছে কী ?? জেনে নিন !!

নাপাক অবস্থায় শুধু কোরআন পড়া, স্পর্শ করা, মসজিদে প্রবেশ ও নামাজ পড়া যাবে না। এ ছাড়া, খাওয়া দাওয়া, লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজ করা যাবে।

তবে নাপাক অবস্থায় বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়। মেয়েরা পিরিয়ডকালীন রোজাও রাখতে পারবেন না। তবে স্বামী-স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক হয়েছে এই অবস্থায় সেহেরি খেয়ে রোজা রাখতে পারবে।
এতে রোজার কোনো সমস্যা হবে না। এক্ষেত্রে ফজর নামাজের আগে তাদেরকে গোসলের মাধ্যমে পাক হতে হবে।

আবার রোজা অবস্থায় ঘুমের মধ্যে কারো স্বপ্নদোষের মাধ্যমে নাপাকি ঘটলে রোজা নষ্ট হবে না। ফরজ গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন : ফরয গোসলের ইসলামিক সঠিক নিয়ম ও শর্তসমূহ !!

ইসলামি ভাষায় ফরজ গোসল করার সঠিক নিয়ম ও ফরয গোসলের শর্তসমূহ !!ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম না জানার কারণে অসংখ্য মুসলিম ভাই- বোনের সালাত সহ নানা আমল কবুল হয় না। যেটা ঈমানের ক্ষেত্রে চরম ভয়ানক ব্যাপার।

যেসব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ
১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে।
২. নারী-পুরুষ মিলনে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)।
৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে।
৪. ইসলাম গ্রহন করলে(নব-মুসলিম হলে)।

ফরজ গোসলের ফরজ সমূহ হলো-
গোসলের ফরজ মোট তিনটি। এই তিনটির কোনো একটি বাদ পরলে ফরজ গোসল আদায় হবে না। তাই ফরজ গোসলের সময় এই তিনটি কাজ খুব সর্তকতার সাথে আদায় করা উচিত।
১. গড়গড়া কুলি করা।
২. নাকে পানি দেওয়া।
৩. এরপর সারা দেহে পানি ঢালা ও ভালোভাবে গোসল করা

ফরজ গোসলের সঠিক নিয়মঃ
১. গোসলের জন্য মনে মনে নিয়্যাত করতে হবে। বাড়তি মুখে কোন আরবি শব্দ উচ্চারণ করে নিয়্যাত করা বিদ’আত।
২. প্রথমে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ৩ বার ধুতে হবে।
৩. এরপর ডানহাতে পানি নিয়ে বামহাত দিয়ে লজ্জাস্থান এবং তার আশপাশ ভালো করে ধুতে হবে। শরীরের অন্য কোন জায়গায় বীর্য বা নাপাকি লেগে থাকলে সেটাও ধুতে হবে।

৪. এবার বামহাতকে ভালো করে ধুইয়ে পেলতে হবে।
৫. এবার ওজুর নিয়মের মত করে ওজু করতে হবে তবে দুই পা ধুয়া যাবে না।
৬. ওজু শেষে মাথায় তিনবার পানি ঢালতে হবে।
৭. এবার সমস্ত শরীর ধোয়ার জন্য প্রথমে ৩ বার ডানে তারপরে ৩ বার বামে পানি ঢেলে ভালোভাবে ধুতে হবে, যেন শরীরের কোন অংশই বা কোন লোমও শুকনো না থাকে। নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় পানি দিয়ে ধুতে হবে।
৮. সবার শেষে একটু অন্য জায়গায় সরে গিয়ে দুই পা ৩ বার ভালোভাবে ধুতে হবে।

অবশ্যই মনে রাখতে হবেঃ
১. পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে।
২. এই নিয়মে গোসলের পর নতুন করে আর ওজুর দরকার নাই, যদি ওজু না ভাঙ্গে।

(আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে কুর’আন ও সহিহ সুন্নাহ মেনে চলার তাওফিক দিক এবং পূর্বের না জেনে করা ভুল ক্ষমা করুক।