জেনে নিন সহজেই… স্মার্টকার্ড কবে পাবেন ??

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, মেশিন রিডেবল নতুন এই স্মার্টকার্ডে একটি ক্ষুদ্র চিপসে একজন নাগরিকের ৩২টি মৌলিক তথ্য আছে। বর্তমানে পাসপোর্ট, ব্যাংকিং, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, শেয়ার ব্যবসাসহ ২৫টি সেবা গ্রহণের সুবিধা থাকছে। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরো বাড়বে।

কম্পিউটার, ল্যাপটপে এ-সংক্রান্ত একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করে ফিঙ্গার প্রিন্টের সাহায্যে যেকোনো কার্ডধারী স্মার্টকার্ডের প্রাথমিক তথ্য যাচাই করতে পারবেন। খুব শিগগির এ প্রক্রিয়া চালু হতে যাচ্ছে।

দীর্ঘ পাঁচ বছরের অপেক্ষার পর গত ৩ অক্টোবর থেকে দেওয়া হচ্ছে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড।

তবে যাঁরা এখনো স্মার্টকার্ড পাননি, তাঁরা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জানতে পারেন, কবে পাবেন সেটি। এসএমএসের মাধ্যমে স্মার্টকার্ড পেতে আপনাকে যা করতে হবে :

প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে sc স্পেস nid স্পেস ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর লিখতে হবে। যাঁদের এনআইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের, তাঁরা প্রথমে জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন। এরপর তা যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে ১০৫ নম্বরে পাঠালেই ফিরতি মেসেজে পাবেন আপনার স্মার্টকার্ডের তথ্য।

তবে যাঁরা এখনো এনআইডি পাননি, তাঁরা প্রথমে sc লিখে স্পেস দেবেন। এরপর f লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন ফরম নম্বর লিখবেন। আবারও স্পেস দিয়ে d লিখে yyyy-mm-dd ফরম্যাটে জন্মতারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ পাঠাবেন। ফিরতি মেসেজে আপনার এনআইডি কবে কোথায় কোন ক্যাম্পে দেওয়া হবে তা জানানো হবে।

এ ছাড়া মোবাইলের মাধ্যমে ১০৫ নম্বরে কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে স্মার্টকার্ড সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ওয়েবসাইট ব্যবহার করেও আপনার স্মার্টকার্ড কবে, কোথায় দেওয়া হবে, তা জানতে পারবেন। এ জন্য যা যা করতে হবে :

১. এই লিংকে প্রবেশ করুন- https://services.nidw.gov.bd/card_distribution

২. আপনার এনআইডি নম্বর বা ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্মতারিখ ও ক্যাপচা লিখুন।

৩. ‘কার্ড বিতরণ তথ্য দেখুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৪. এরপর যে উইন্ডো আসবে সেখানেই থাকবে কবে, কোন ক্যাম্পে আপনার স্মার্টকার্ডটি কবে দেওয়া হবে।

৫. যদি লেখা ওঠে ‘No data found for: Your card distribution date is not scheduled yet, please try later,’ তাহলে বুঝতে হবে আপনার এলাকায় কবে স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে তার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। আর কিছুদিন পর আবার ট্রাই করবেন।

চোট নিয়েও অনুশীলনে ক্ষতবিক্ষত রোনালদো…

 

দেপোর্তিভো লা করুনাকে ঘরের মাঠে পেয়ে জোড়া গোল উদযাপন করলেন রিয়াল মাদ্রিদের এ তারকা।

স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে রোনালদোর সঙ্গে গ্যারেথ বেল ও নাচো ফার্নান্দেজের জোড়া গোলে লা লিগায় বছরের প্রথম জয়ের দেখা পেলো রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথমে পিছিয়ে পড়েও নির্ধারিত সময় শেষে ৭-১ গোলের বিশাল জয় তুলে নেয় জেনোদিন জিদানের শিষ্যরা।

টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচ ধরে গোলশূন্য থাকার পর গোলে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত হয়ে মাঠ ছেড়েছেন রোনালদো।

৮৪ মিনিটে লুকাস ভাসকেসের ক্রসে ডাইভিং হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এ সময় প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের বুটের আঘাতে তার কপাল থেকে রক্ত পড়তে দেখা যায়। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

কিন্তু সেই চোট, যন্ত্রণা উপেক্ষা করে মঙ্গলবারেই অনুশীলনে নেমে পড়লেন এই রিয়াল মাদ্রিদের এই পর্তুগিজ তারকা।

লেগানেসের বিপক্ষে মাঠে নামতে মরিয়া পর্তুগিজ সুপারস্টার এ দিন অনুশীলনে নেমে পড়েন চোখের তলায় কালশিটে ও কোণের দিকে ক্ষতস্থান গজ লাগানো অবস্থাতেই।

রোনালদোর এই দায়বদ্ধতা দেখে মুগ্ধ রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জিনেদিন জিদানও। বলছেন, ‘বাঁ চোখের পাশে তিনটে সেলাই করতে হয়েছিল রোনালদোকে। কিন্তু দলের স্বার্থে ও বিশ্রাম না নিয়ে মাঠে নেমে ক্লাবের প্রতি সে ভালবাসা প্রমাণ করল।

জমজমের পানি অনেক বরকতময়। ..জমজমের পানি পানের ফজিলত জানেন কি ?

দুনিয়ায় সকল খাবার খাওয়া ও পানীয় পান করার সময় তা বসে খেতে হয়। শুধু ব্যতিক্রম জমজমের পানি পান করায়। এ বরকতময় পানি পান করার সময় দাঁড়িয়ে ক্বিবলামুখী হয়ে পান করতে হয়। জমজমের পানি পানের বরকত ‍তুলে ধরা হলো-

> জমজমের পানির বরকতে আল্লাহ তাআলা পানকারীর মনের সকল চাওয়া পূরণ করে দেন। হজরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জমজমের পানি যে উদ্দেশ্য নিয়ে পান করবে তা পূরণ হবে। (মুনসাদে আহমদ)

> জমজমের পানি মানুষের ক্ষুধা নিবারণকারী এবং অসুস্থ ব্যক্তির জন্য শেফা। হাদিসে এসেছে, হজরত আবু জর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জমজমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য এবং রোগীর ঔষধ।’ (তাবারানি, বাযযার)

>> বিশ্বনবি সবসময় জমজমের পানি সঙ্গে রাখতেন যার প্রমাণ পাওয়া যায় হজরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার হাদিসে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের সাথে পাত্রে এবং মশকে করে জমজমের পানি বহন করতেন। তা  অসুস্থদের ওপর ছিটিয়ে দিতেন এবং তাদের পান করাতেন। (তিরমিজি, তারিখুল কবির, বাইহাকি)

>> এ কারণেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়াতে এ পানিকে শ্রেষ্ঠ পানি হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জমিনের ওপর সর্বোত্তম পানি হলো জমজমের পানি। (তাবারানি কাবির, ইবনে হিব্বান)

মুসলিম উম্মাহর সকল হজ পালনকারীদেরকে যথাযথ সম্মান ও আদবের সঙ্গে জমজমের পানি পান করার তাওফিক দান করুন। জমজমের পানি পানকারী সকলকে বরকত, সুস্থতাসহ সকল উপকারিতা দান করুন। হজের অন্যান্য কার্যাবলী যথাযথ আদায়ের তাওফিক দান করুন। আমিন।