এই সেই স্থান, যেখানে দাঁড়িয়ে দীনের নবী (সা.) অঝরে কেঁদেছিলেন….!!

দীনের নবী – আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) দীন প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনে অনেক কষ্ট করে গেছেন। তবে নবীজী (সা.) এর জীবনে এমন একটা দিন এসেছিল যেদিন আমাদের দীনের নবী (সা.) অঝরে কেঁদেছিলেন।

মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, একদিন মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে রাসুলের (সা.) কান্না দেখে নির্বাক হয়ে পড়েছিলেন সাহাবায়ে কেরাম, রাসুলের কান্নায় তারাও কেঁদেছিলেন সেদিন।আর কোনোদিন কোথাও তাকে এভাবে কেউ কাঁদতে দেখেনি, মায়ের জন্য আপ্লুত হয়ে তিনি যেভাবে কেঁদেছিলেন।(মুসলিম, মুসনাদে আহমদ) মায়ের প্রতি রাসুলের ভালোবাসা ও সদাচারের জন্য রাসুল (সা.) এর তাগিদ দেখে সাহাবায়ে কেরামও নিজেদের মায়ের প্রতি ছিলেন পরম বিনয়ী ও সদাচারী।

রাসুল (সা.) বলেছেন, মা বাবার প্রতি ভালো ব্যবহারের শেষ সীমানা হল, তাদের যারা বন্ধুবান্ধব ছিলেন, তাদেরও সম্মান করা, ভালোবাসা ও দয়া করা। (মুসলিম) অন্যত্র আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণিত, বাবার সম্মানের চেয়ে মায়ের সম্মান ও শ্রদ্ধা তিনগুণ বেশি।

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) যখনই কোথাও যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হতেন, ডাক দিয়ে বলতেন, ‘মা আমার! তোমরা জন্য সালাম! আল্লাহ পাক তোমাকে রহমত দিয়ে ঘিরে রাখুন যেভাবে তুমি আমাকে ছোটবেলায় লালন পালন করেছিলে।’

তার মা তখন সাড়া দিয়ে বলতেন, ‘ছেলে আমার! আল্লাহ তোমাকেও রহমত দান করুন যেভাবে তুমি আমাকে এই বুড়ো বয়সে সেবাযত্ন করছো।’ (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

মাথাবিচ্ছিন্ন একটি মোরগ ৭ দিন ধরে বেঁচে আছে। (ভিডিও ভাইরাল)

থাইল্যান্ডের রচাবুরি প্রদেশের মিয়াউয়াং রাচাবুরি জেলার অদ্ভুত এ ঘটনাটি এখন সামাজিক মাধ্যমে তোলাপাড় তৈরি করেছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর মতে, মাথাবিচ্ছিন্ন একটি মোরগ ৭ দিন ধরে বেঁচে আছে।

ওই এলাকার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের ভিক্ষুরা মোরগটির দেখভাল করছেন- এমন ভিডিও ক্লিপ এখন ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যায়, মোরগটিকে সিরিঞ্জ দিয়ে খাবার দেওয়া হচ্ছে। লাখ পাঁচেকবার দেখা হয়ে গেছে এই ভিডিও এ পর্যন্ত।

থাই মিডিয়ার খবরে জানা গেছে, মোরগটিকে যেখানে পাওয়া যায়, পরে সেই স্থানের সবচেয়ে কাছের প্যাগোডার ভিক্ষুরা প্রাণীটিকে নিজেদের আশ্রয়ে নেন। এখন দেখভাল তারাই করছেন।

নোপ্পোঙ্গ থিট্টানো নামের এক ইউজার সামাজিক মাধ্যমে প্রথমে মোরগটির বিষয়ে খবর জানান। এরপর স্থানীয় পশুচিকিৎসক বোরাকরন শ্রীরোজ লোকজনের কাছ থেকে চাঁদা তুলে মোরগটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সুপাকারি অরুণ থাংগ নামের অপর চিকিৎসক প্রথম মোরগটিকে খাবার খাওয়ান সিরিঞ্জ দিয়ে। তিনি একই কায়দায় অ্যান্টিবায়োটিকও দেন মোরগটিকে। মুণ্ডুহীন মোরগের সেবক এই নারী চিকিৎসক বলেন, এর আয়ু বাকি ছিল। সে বাঁচতে চেয়েছে আর আমরা তাকে খাওয়া-দাওয়া দিয়েছি আর দেখভাল করেছি।

তাদের মতে, এই মোরগটি হচ্ছে একজন সাচ্চা যোদ্ধা। প্রাণীটির অমন হাল কী করে হলো তা নিশ্চিত করা না গলেওে স্থানীয়রা মনে করছেন অন্য কোনো পাখি বা প্রাণীর প্রাণঘাতী হামলা থেকে কোনোমতে বেঁচে যায় সে। ভিডিওতে দেখা যায়, মোরগটির মাথার একটি অংশ ছিঁড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হতে পারে এর মাথা তথা মস্তিষ্কের একটি অংশ শরীরের সঙ্গে রয়ে গেছে অর্থাৎ গলার ওপরে থাকা অংশের সঙ্গে আছে।

ইউটিউব ভিডিও দেখুন

ঐ দিন কি হয়েছিল ? নবীজির নামাজ কেন কাজা হয়েছিল ? কি হলো তারপর…..

এক রাতে নবীজি (সা.) সাহাবিদের নিয়ে সফর করছিলেন। রাত শেষে বিশ্রামের বিরতি হয়। হজরত বেলাল (রা.) কে ফজরের নামাজের জন্য জাগিয়ে দেয়ার দায়িত্ব দিলেন। এরপর সবাই ঘুমিয়ে পড়লেন। এ দিকে হজরত বেলালও (রা.) ক্লান্ত। তিনিও ঘুমে আচ্ছন্ন। ফজরে কাউকে জাগাতে পারেননি। সবার ফজরের নামাজ কাজা হয়ে যায়।

নবীজি (সা.) ঘুম থেকে জেগে সূর্য ওঠার কিছুক্ষণ পর সবাইকে নিয়ে ফজরের নামাজ কাজা করলেন। বোখারি শরিফ : ৫৯৭ জুমা নামাজের কাজা নেই : জুমা নামাজের কাজা নেই। জুমা পড়তে না পারলে চার রাকাত জোহার কাজা পড়তে হবে। কাজা নামাজের সময় : কাজা নামাজ পড়ার কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। যখনই স্মরণ হবে এবং সুযোগ হবে পড়ে নিতে হবে। তবে নিষিদ্ধ সময়গুলোতে মনে পড়লে অপেক্ষা করতে হবে।

দীর্ঘ কাজা হলে : কারো যদি কয়েক মাস এবং বছর নামাজ কাজা হয়ে যায়, তাহলে তার উচিত কাজা নামাজ একটা অনুমান করে নিয়ে কাজা পড়া শুরু করা। এ অবস্থায় কাজা নামাজ পড়ার নিয়ম এই যে, সে যে ওয়াক্তের কাজা পড়তে চাইবে সে ওয়াক্তের নাম নিয়ে বলবে যে, অমুক ওয়াক্তের সবচেয়ে প্রথম বা শেষ নামাজ পড়ছি। যেমন কাজা হওয়া নামাজের মধ্যে ফজরের নামাজের কাজা পড়তে চায়। তাহলে বলবে, ফজরের সবচেয়ে প্রথম অথবা শেষ নামাজ পড়ছি। এভাবে পড়তে থাকবে যাতে সকল কাজা নামাজ পুরা হয়ে যায়। ভ্রমণের সময়ের কাজা : সফরে যে নামাজ কাজা হবে তা মুকিম হয়ে পড়তে গেলে কসর পড়বে। কসর মানে চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজ দুই রাকাত পড়বে। তেমনি মুকিম অবস্থায় কাজা হলে সফরে তা পুরা পড়তে হবে।

ফরজ বা ওয়াজিব নামাজ সময় মতো পড়তে না পারলে, সময় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পড়া হলে তাকে কাজা নামাজ বলে। পাঁচ ওয়াক্তের ফরজ নামাজ ছুটে গেলে কাজা করা ফরজ। এশার নামাজের সময় বেতরসহ যে কোনো ওয়াজিব নামাজের কাজা করা ওয়াজিব। নফল নামাজ শুরু করার পর ওয়াজিব হয়ে যায়। কোন কারণে নফল নামাজ নষ্ট হলে অথবা শুরু করার পর কোন কারণে যদি ছেড়ে দিতে হয়, তাহলে তার কাজা করাও ওয়াজিব। সুন্নতে মুয়াক্কাদা এবং নফলের কাজা নেই। তবে ফজরের নামাজ সুন্নত-ফরজ উভয়টা পড়তে না পারলে সুন্নত-ফরজ এক সঙ্গে কাজা করা উত্তম। দুপুরের চার রাকাত সুন্নত পড়তে না পারলে ফরজের পরও পড়ে নেওয়া যায়। ফরজের পর যে দুই রাকাত সুন্নাত আছে তার আগেও পড়া যায় এবং পরেও পড়া যায়। তবে দুপুরের ওয়াক্ত চলে গেলে কাজা ওয়াজিব হবে না।

পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খানের ধূমপানের ভিডিও আবারো ভাইরাল.!! (ভিডিও সহ )

২০১৭ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল রণবীর কাপুর ও মাহিরার একসঙ্গে ধূমপান করার ছবি। এ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। মাহিরার ধূমপান ও তাঁর ধর্ম নিয়ে তখন অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। প্রথমে সমালোচনার তীব্র জবাব দিলেও পরে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন মাহিরা।

তবে ক্ষমা চাইলেও আবার ধূমপান করে ভাইরাল হয়েছেন তিনি। ডেকান ক্রনিকেলসের খবরে প্রকাশ, গতবার ছবি ছড়িয়ে পড়লেও এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে মাহিরার ধূমপানের ভিডিও। নিজের আসন্ন পাকিস্তানি ছবি ‘ভেরনা’র প্রচারে লন্ডনে গিয়েছিলেন ‘রইস’খ্যাত এই তারকা। প্রচার শেষে লন্ডনে একটি নাচের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখানে জনপ্রিয় গানের তালে নাচ পরিবেশন করতে দেখা যায় তাঁকে। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার সামনেই ধূমপান করেন তিনি। তাঁর ব্যক্তিগত ম্যানেজার সবার সামনে ধূমপান করতে নিষেধ করলেও তা শোনেননি মাহিরা। বেশ হাসিখুশি ও সহজ ঢঙে ধূমপান চালিয়ে যান তিনি। তবে তিনি ভাবতেও পারেননি, আবারও এই ধূমপান ভাইরাল হবে।

এদিকে মাহিরার ধূমপানের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই উঠেছে প্রশ্নের ঝড়। গতবারের মতো এবারও সবার সম্মুখে মাহিরার ধূমপান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তবে এবার ইতিবাচক কিছু মন্তব্যও পেয়েছেন মাহিরা। সামাজিক মাধ্যমে মাহিরার অনেকে ভক্ত পাল্টা প্রশ্ন ছুড়েছেন, পুরুষেরা যদি সবার সম্মুখে ধূমপান করতে পারেন, তাহলে মাহিরা কেন পারবেন না?

দেখুন ভিডিও

জনৈক নরাধম যখন ঈশা (আ:) হত্যা করতে আসলো তখন কি ঘটেছিলো…

তৎকালীন রোম সম্রাট ছাতিয়ূনুস-এর নির্দেশে (মাযহারী) ঈসা (আঃ)-কে গ্রেফতারের জন্য সরকারী বাহিনী ও ইহুদী চক্রান্তকারীরা তাঁর বাড়ী ঘেরাও করে। তারা জনৈক নরাধমকে ঈসা (আঃ)-কে হত্যা করার জন্য পাঠায়। কিন্তু ইতিপূর্বে আল্লাহ ঈসা (আঃ)-কে উঠিয়ে নেওয়ায় সে বিফল মনোরথ হয়ে ফিরে যায়। কিন্তু এরি মধ্যে আল্লাহর হুকুমে তার চেহারা ঈসা (আঃ)-এর সদৃশ হয়ে যায়। ফলে ইহুদীরা তাকেই ঈসা ভেবে শূলে বিদ্ধ করে হত্যা করে।

ইহুদী-নাছারারা কেবল সন্দেহের বশবর্তী হয়েই নানা কথা বলে এবং ঈসাকে হত্যা করার মিথ্যা দাবী করে। আল্লাহ বলেন, ‘এ বিষয়ে তাদের কোনই জ্ঞান নেই। তারা কেবলই সন্দেহের মধ্যে পড়ে আছে। এটা নিশ্চিত যে, তারা তাকে হত্যা করতে পারেনি’(নিসা ৪/১৫৭)। বরং তার মত কাউকে তারা হত্যা করেছিল ।উল্লেখ্য যে, ঈসা (আঃ) তাঁর উপরে বিশ্বাসী সে যুগের ও পরবর্তী যুগের সকল খৃষ্টানের পাপের বোঝা নিজে কাঁধে নিয়ে প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ শূলে বিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে খৃষ্টানদের দাবী স্রেফ প্রতারণা ও অপপ্রচার বৈ কিছুই নয়।
আল্লাহর পাঁচটি অঙ্গীকার :

ইহুদীদের বিপক্ষে হযরত ঈসা (আঃ)-কে সাহায্যের ব্যাপারে আল্লাহ পাঁচটি ওয়াদা করেছিলেন এবং সবক’টিই তিনি পূর্ণ করেন। (১) হত্যার মাধ্যমে নয় বরং তার স্বাভাবিক মৃত্যু হবে (২) তাঁকে ঊর্ধ্বজগতে তুলে নেওয়া হবে (৩) তাকে শত্রুদের অপবাদ থেকে মুক্ত করা হবে (৪) অবিশ্বাসীদের বিপক্ষে ঈসার অনুসারীদেরকে ক্বিয়ামত অবধি বিজয়ী রাখা হবে এবং (৫) ক্বিয়ামতের দিন সবকিছুর চূড়ান্ত ফায়ছালা করা হবে। এ বিষয়গুলি বর্ণিত হয়েছে নিম্নোক্ত আয়াতে। যেমন আল্লাহ বলেন,

إِذْ قَالَ اللهُ يَا عِيْسَى إِنِّيْ مُتَوَفِّيْكَ وَرَافِعُكَ إِلَيَّ وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا وَجَاعِلُ الَّذِيْنَ اتَّبَعُوْكَ فَوْقَ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ثُمَّ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأَحْكُمُ بَيْنَكُمْ فِيْمَا كُنْتُمْ فِيْهِ تَخْتَلِفُوْنَ- (آل عمران ৫৫)-

‘আর স্মরণ কর যখন আল্লাহ বললেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে ওফাত দিব এবং তোমাকে আমার কাছে তুলে নেব এবং তোমাকে কাফিরদের হাত থেকে মুক্ত করব। আর যারা তোমার অনুসরণ করবে, তাদেরকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত কাফিরদের বিরুদ্ধে বিজয়ী করে রাখবো। অতঃপর তোমাদের সবাইকে আমার কাছে ফিরে আসতে হবে, তখন আমি তোমাদের মধ্যকার বিবাদীয় বিষয়ে ফায়ছালা করে দেব’ (আলে ইমরান ৩/৫৫)।

উক্ত আয়াতে বর্ণিত مُتَوَفِّيْكَ অর্থ ‘আমি তোমাকে ওফাত দিব’। ‘ওফাত’ অর্থ পুরোপুরি নেওয়া। মৃত্যুকালে মানুষের আয়ু পূর্ণ হয় বলে একে ‘ওফাত’ বলা হয়। রূপক অর্থে নিদ্রা যাওয়াকেও ওফাত বা মৃত্যু বলা হয়। যেমন আল্লাহ বলেন, اللهُ يَتَوَفَّى الْأَنْفُسَ حِيْنَ مَوْتِهَا وَالَّتِيْ لَمْ تَمُتْ فِيْ مَنَامِهَا- ‘আল্লাহ মানুষের প্রাণ নিয়ে নেন তার মৃত্যুকালে, আর যে মরেনা তার নিদ্রাকালে’ (যুমার ৩৯/৪২)। সেকারণ যাহহাক, ফাররা প্রমুখ বিদ্বানগণ مُتَوَفِّيْكَ وَرَافِعُكَ إِلىَّ -এর অর্থ বলেন, আমি আপনাকে নিজের কাছে উঠিয়ে নেব এবং শেষ যামানায় (পৃথিবীতে নামিয়ে দিয়ে) স্বাভাবিক মৃত্যু দান করব। এখানে বর্ণনার আগপিছ হয়েছে মাত্র’ (কুরতুবী, ইবনু কাছীর)। যা কুরআনের বহু স্থানে হয়েছে। ঈসার অবতরণ, দাজ্জাল নিধন, পৃথিবীতে শান্তির রাজ্য স্থাপন ইত্যাদি বিষয়ে ছহীহ ও মুতাওয়াতির হাদীছ সমূহ বর্ণিত হয়েছে। প্রায় সকল বড় বড় নবীই হিজরত করেছেন। এক্ষণে পৃথিবী থেকে আসমানে উঠিয়ে নেওয়া, অতঃপর পুনরায় পৃথিবীতে ফিরিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক মৃত্যু দান করা- এটা ঈসা (আঃ)-এর জন্য এক ধরনের হিজরত বৈ কি! পার্থক্য এই যে, অন্যান্য নবীগণ দুনিয়াতেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে হিজরত করেছেন। পক্ষান্তরে ঈসা (আঃ) দুনিয়া থেকে আসমানে হিজরত করেছেন। অতঃপর আসমান থেকে দুনিয়াতে ফিরে আসবেন। আল্লাহ সর্বাধিক অবগত এবং তিনিই সকল ক্ষমতার অধিকারী।

অতঃপর ঈসার অনুসারীদের ক্বিয়ামত অবধি বিজয়ী করে রাখার অর্থ ঈমানী বিজয় এবং সেটি ঈসা (আঃ)-এর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর অনুসারীদের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। ঈমানী বিজয়ের সাথে সাথে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিজয় যেমন খেলাফত যুগে হয়েছে, ভবিষ্যতে আবারও সেটা হবে। এমনকি কোন বস্তিঘরেও ইসলামের বিজয় নিশান উড়তে বাকী থাকবে না। সবশেষে ক্বিয়ামত প্রাক্কালে ঈসা ও মাহদীর নেতৃত্বে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক বিজয় সংঘটিত হবে এবং সারা পৃথিবী শান্তির রাজ্যে পরিণত হবে।[7]

অবসর ভেঙে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছেন বুমবুম আফ্রিদি …!!

সবশেষ ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর চূড়ান্তভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান বুমবুমখ্যাত এ তারকা।

চিরশত্রু ভারতে অনুষ্ঠিত ওই আসরে তার নেতৃত্বে পাকিস্তানের চরম ভরাডুবি ঘটলে তীব্র সমালোচনার মুখে এ সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সম্প্রতি ফের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন এ তারকা। আফ্রিদিকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়ার কথা ভাবছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সময় ও সুযোগ বুঝে তাকে বিদায়ী ম্যাচ খেলিয়ে ভালোভাবে গুডবাই জানাতে চায় বোর্ড, প্রস্তুতিও নিচ্ছে।

পিসিবি চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি বলেন, আমাদের কাছে আফ্রিদি কোনো ইস্যু নয়। পাকিস্তান ক্রিকেটকে দীর্ঘসময় সেবা দেয়ার জন্য তাকে ধন্যবাদ। সময়সাপেক্ষে ওকে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিদায় জানানো হবে। পাকিস্তান বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তে রাজিও নাকি হয়েছিলেন আফ্রিদি! তবে এখন অবস্থান পাল্টেছেন তিনি। ফের ফিরতে চান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে।

রোববার পেশোয়ারে গণমাধ্যমে তিনি বলেন, পাকিস্তানের হয়ে ২০ বছর ক্রিকেটে খেলেছি, পিসিবির জন্য নয়। আমি কেবল একটি ম্যাচ খেলার জন্য মুখিয়ে নেই। ভক্ত-সমর্থকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছি তাই আমার জন্য বড় পুরস্কার।

ব্যাট হাতে যেমন বোলারদের কচুকাটা করতে পারেন আফ্রিদি, তেমনই হাত ঘুরিয়েও নাচিয়ে ছাড়তে পারেন প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের। বয়স ৩৮ হয়ে গেলেও খেলাটি এখনও দারুণ উপভোগ করছেন তিনি; আমি মনে করি না;আমার ক্যারিয়ার শেষ। এখন ক্রিকেট উপভোগ করছি। ক্রিকেটের সর্বোচ্চপর্যায়ে খেলতে চাই। নির্বাচকরা এ বিষয়ে অবহিত। এখন তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন।

জেনে নিন… মৃত্যুর পরও যে সকল আমল চলমান থাকে !!!

‘কুল্লু নাফসিন জায়েক্বাতুল মাউত’ অর্থাৎ প্রত্যেক জানদারকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে। মানুষ এক সময় মৃত্যুবরণ করে চলে যাবে পরপারে। যেমনিভাবে চলে গেছে আমাদের পূর্ববর্তীরা। চলে যাব আমরা। আমাদের পরে যারা আসবে তারাও মৃত্যু বরণ করবে। মৃত্যুর এ ধারা থাকবে বহমান। মৃত্যু পরকালীন জীবনে মানুষের কোনো নেক আমল করার সুযোগ নেই। কিন্তু এমন কিছু কাজ রয়েছে যা করলে কিয়ামত পর্যন্ত তার ছাওয়াব বা প্রতিদান বহমান থাকবে। এ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি হাদিস তুলে ধরা হলো :

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,‘যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু তিনটি আমল ব্যতীত। এই তিনটি আমল হলো, প্রবহমান ছাদাকা, এমন ইলম যা দ্বারা উপকৃত হওয়া যায় এবং এমন সুসন্তান যে তার জন্য দোয়া করে। (মুসলিম, তিরমিজি, মিশকাত)

১ প্রবাহমান ছাদাকা
এমন দান-অনুদান করা। এই অনুদানের অস্তিত্ব যতদিন থাকবে, তার ছাওয়াবা বা প্রতিদান ততদিন চলতে থাকবে। হাদিসে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে মুসলিম অপর মুসলিমকে একটি কাপড় পড়াবে, যতক্ষণ ঐ কাপড়ের একটি টুকরাও তার গায়ে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দানকারী আল্লাহর হেফাজতে থাকবে (মিশকাত)

২ উপকারী ইলম
যে ইলম আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা প্রচারে কাজে আসে। যে ইলমে আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দ্বীনে দাওয়াতে কাজে আসে। যে লোক ইলম অর্জন করে সে ইলম অন্যকে শিক্ষা দিয়ে যায়। এভাবে ধারা চলতে থাকে যতদিন এ ধারা অব্যাহত থাকবে এর ছাওয়াব বা প্রতিদান মৃতব্যক্তি পেতে থাকবে।

৩ . সু-সন্তান-
মানুষ মৃত্যুর পূর্বে যদি এমন সন্তান রেখে যায়, যে সন্তান ইসলামের খেদমতে তথা আল্লাহর বিধি-বিধান পালন করে। নামাজ রোজাসহ আল্লাহর আনুগত্য হয়ে কাজ করে। সে সন্তানের দোয়া পিতা-মাতার আমল নামায় যোগ হতে থাকে। এভাবে প্রত্যেক সন্তান যদি তার পরবর্তী প্রজন্মকে সৎ শিক্ষা দিয়ে যান। যতদিন এ ধারা অব্যাহত থাকবে। তার আমল নামায় এর ছাওয়াব বা প্রতিদান যোগ হতে থাকবে।

পরিশেষে :
আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা, পৃথিবীতে প্রতি মানুষকে মৃত্যুর পূর্বে এই তিনটি আমল বা এর কোনো একটি করার তাওফিক দান করেন। আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পথে মতে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।

‘১০২ নট আউটে’র ট্রেইলার প্রকাশ…(ভিডিও সহ)

২৭ বছর পর ‘১০২ নট আউট’ ছবির মাধ্যমে আবার একসঙ্গে পর্দায় অভিনয় করতে দেখা যাবে অমিতাভ বচ্চন ও ঋষি কাপুরকে। শুধু তাই নয়, ছবির নামানুসারে পর্দায় অমিতাভের বয়স দেখানো হবে ১০২ বছর।

অন্যদিকে ঋষি কাপুরের বয়স দেখানো হবে ৭৫ বছর এবং তাঁদের মধ্যকার সম্পর্কটা বাপ-ছেলের। তাই একসময়ের এ দুই তারকার ভিন্নধর্মী কাহিনীর এই ছবিটিকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই।

ভক্তদের আগ্রহকে আরো বাড়িয়ে দিতে সম্প্রতি মুক্তি দেওয়া হয়েছে ছবিটির ট্রেইলার।

দেখুন ট্রেইলার…

একই কাপে কফিতে চুমুক দেন সালমান ও ক্যাটরিনা। (ভিডিও ভাইরাল )

বলিউড টাইমস এক প্রতিবেদনে জানায়, আর এবার ফের একসঙ্গে দেখা গেল সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিকদের সামনে হাজির হয়ে এবার একই কাপে কফিতে চুমুক দেন সালমান ও ক্যাটরিনা। তাদের দু’জনকে যখন একই কাপে কফিতে চুমুক দিতে দেখা যায়, তখন থেকেই শুরু হয় জোর জল্পনা।

যদিও যতই জল্পনা হোক না কেন, বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটেন সালমান ও ক্যাটরিনা। কিন্তু দু’জনে মুখে কুলুপ আঁটলেও, ওই ভিডিও প্রকাশ হওয়ার পর পরই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

এদিকে ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ মুক্তির পর থেকেই রমরমিয়ে ব্যবসা করছে পরিচালক আলি আব্বাস জাফরের ওই ছবি। ‘এক থা টাইগার’-এর পর ওই ছবির সিক্যুয়েল নিয়েও দর্শকদের মধ্যে প্রত্যেশার পারদ চড়তে শুরু করে।

দেখুন ভিডিও তে

মৃত্য ব্যক্তির নামে কোরআন খতম-চল্লিশা …. ইসলাম কি বলে…?

আমাদের সমাজে একটা রীতি প্রচলিত রয়েছে সেটা হলো- কোন ব্যক্তি যদি মারা যায়, তাহরের মারা যাওয়ার সাত দিনের পর অথবা মারা যাওয়ার পর প্রথম শুক্রবার আল কোরআনের হাফেজদের ডেকে কোরআন খতম করানো। এছাড়া মৃত্যুর চল্লিশ দিনের মাথায় বিশাল মজলিশের মাধ্যমে মেজবানের আয়োজন করা হয়। ইসলামে মূলত এগুলো জায়েজ আছে কিনা জানতে হলে নিচের বর্ণনাটি পড়ুন।

মেজবান বলতে বোঝায় মানুষকে খাওয়ানো। লোকদের খাওয়ানো একটি ভালো কাজ। বুখারি শরিফের মধ্যে রাসুল (সা.) বলেছেন, এটি একটি আফতারুল ইসলাম, ইসলামের মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ কাজ। সুতরাং আপনি লোকদের খাওয়াইতে পারেন; কিন্তু সেখানে আনুষ্ঠানিকতা চার দিনে, ১০ দিনে, চল্লিশা ইত্যাদি করেন তাহলে আপনি সুন্নাহ পরিপন্থী কাজ করলেন।
সে ক্ষেত্রে সওয়াব তো দূরের কথা, বেদাত হওয়ার কারণে আপনি বড় ধরনের কবিরা গুনাহর মধ্যে লিপ্ত হয়ে গেলেন। সুতরাং এ ধরনের কাজ করবেন না, তাহলে আমলও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একাধিক হাদিস দ্বারা এই ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

তাই মেজবান বা চল্লিশা এ জাতীয় নাম না দিয়ে আপনি যেকোনো দিন আপনার সুবিধামতো আত্মীয়স্বজন বা গরিবদের খাওয়াতে পারেন, মৃত ব্যক্তিদের জন্য দোয়া করতে পারেন।
এরপর কোরআন খতম আপনি নিজে করবেন। কোরআন খতম করে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করবেন। মৃত ব্যক্তির জন্য কোরআন খতম করার বিষয়টি রাসুলুল্লাহ (সা.) অথবা সাহাবিদের আমল দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। এটাও আমরা নিজেরাই আবিষ্কার করে নিয়েছি।

মৃত ব্যক্তির জন্য কোরআন খতম না করে কোরআন খতম আমরা নিজেরাই করব, তারপর আমরা লোকদের মেজবান খাওয়াব। আমরা মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে দান-খয়রাত করব, ছদকায়ে জারিয়া করব। আর বেশি বেশি করে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করব। এটা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।