স্টাইল করে চুল কাটা নিয়ে ইসলাম যা বলে !!

বর্তমান সময়ে অনেক ছেলেরাই বিভিন্ন স্টাইলে চুল কাটান। মাথার কিছু অংশের চুল মুড়িয়ে বা ছোট করে অবশিষ্ট কিছু অংশের চুল রেখে দেয়া হয়। এভাবে চুলের কাটিং করা সম্পূর্ণ নিষেধ।

একটি হাদিসে এসেছে, হযরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এভাবে চুল কাটাকে ‘কাযাআ’ শব্দ দ্বারা ব্যক্ত করেছেন। ‘কাযাআ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ, আকাশের বিক্ষিপ্ত মেঘমালা। আকাশের কিছু স্থানে মেঘ থাকে আবার কিছু স্থানে মেঘ থাকে না। এভাবে মেঘ সদৃশ্য স্টাইলে মাথার কোথাও বা কোনো অংশে চুল রাখা এবং কোনো অংশের চুল ছাঁটা ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে নিষেধ ও বর্জনীয়।
হযরত উমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ‘কাযাআ’ করতে অর্থাত মাথার কিছু অংশের চুল মুড়িয়ে অবশিষ্ট অংশের চুল রাখতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)

ইমাম বুখারি (রা.) তার বুখারি শরিফের পোশাক অধ্যায়ে এই নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত একটি পরিচ্ছেদ বিন্যস্ত করেছেন। মুসলিম শরীফের এক হাদিসে আছে, প্রিয় নবী (সা.) একটি শিশুর চুল এভাবে দেখে এরূপ চুল কাটতে নিষেধ করে বলেন, হয়তো সব চুল মু-িয়ে ফেল অথবা সব চুল রেখে দাও। (মেশকাত শরিফ ৩২৪)

আরেক বর্ণনায় পাওয়া যায়- হাজ্জাজ ইবনে হাসান বলেন, আমরা একবার হজরত আনাস (রা.) এর ঘরে গেলাম। তিনি তখন আমাকে বলনে, আমার বোন আমাকে বলেছেন, একবার নবিজী (সা.) আমাদের ঘরে এলেন। তুমি তখন ছোট। তোমার মাথার চাঁদির দুই অংশে কেবল কিছু চুল ছিলো। তিনি তোমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন এবং তোমার জন্য বরকতের দোয়া করলেন। আর অন্যদের উদ্দেশ্যে বললেন, তার মাথার ওই দুই অংশের চুলগুলিও মু-িয়ে দাও। কেননা তা ইহুদিদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি। (সুনান আবী দাউদ: ৪১৯৭

কাজা নামাজ আদায় করার হুকুম জানেন কি ???

ফরজ বা ওয়াজিব নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় না করে সময় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আদায় করলেই তাকে কাজা নামাজ বলা হয়। কাজা নামাজ আদায় করার অনুমতি শরিয়ত দিলেও ইচ্ছাকৃত নামাজ কাজা করা কবিরা গোনা। সুতরাং কোনো কারণে সময় মতো নামাজ আদায় করতে না পারলে তা কাজা করে নেয়া জরুরি। কাজা আদায়ের হুকুম তুলে ধরা হলো-
কাজা আদায়ের হুকুম

০১. ফরজ নামাজের কাজাও ফরজ এবং ওয়াজিব নামাজের (বিতর) কাজাও ওয়াজিব।

০২. কোনো মানুষ কোনো নির্ধারিত সময়ে কোনো নামাজ আদায় করার মানত করলে তা যথাসময়ে আদায় করতে না পারলে পরবর্তীতে কাজা করা ওয়াজিব।

০৩. কোনো ব্যক্তি নফল নামাজ পড়া আরম্ভ করার পর তা ওয়াজিব হয়ে যায়। কোনো কারণে নফল নামাজ নষ্ট হয়ে গেলে বা নামাজ ছেড়ে দিলে; সে নামাজ কাজা করা ওয়াজিব হয়ে যায়।

০৪. সুন্নাতে মুয়াক্কাদা (ফজর ও জোহরের পূর্বে যথাক্রমে দুই ও চার রাকাআত নামাজ) এবং নফল নামাজের কাজা নেই। তবে ফজর নামাজের সুন্নাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে ফজরের সুন্নাতের ব্যাপারে খুবই তাকিদ করা হয়েছে। তাই ফজরের সুন্নাত কাজা হলে জোহরের নামাজের পূর্বেই কাজা পড়তে হবে। আর জোহরের সময় অতিবাহিত হলে শুধু ফরজ দু’রাকাআত পড়তে হবে। ফজরের সুন্নাত কাজা পড়তে হবে না।

০৫. জোহরের ফরজের পূর্বে চার রাকাআত সুন্নাত কোনো কারণ বশত পড়া না হলে ফরজের পর পড়ে নিতে হবে। জোহরের পর দু’রাকাআত সুন্নাতের পূর্বে বা পরে পড়া যাবে। আর জোহরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে গেলে কাজা করা ওয়াজিব নয়। (ফতোয়ায়ে আলমগীরী)
সুতরাং উল্লেখিত নিয়মে যে নামাজগুলো কাজা আদায় করা জরুরি, আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তা যথাযথভাবে যথা সময়ে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

কিয়ামত কি খুব নিকটে ???

হযরত জিবরাঈল (আঃ) ২৪ হাজার বার দুনিয়াতে
হুজুর (সাঃ) এর দরবারে এসেছিলেন এক সাক্ষাতে।
হুজুর (সাঃ) জিবরাঈল (আঃ) কে জিঙ্গাসা
করেছিলেনঃ হে জিবরাঈল !
আমার ইন্তেকালের পরে তুমি কতবার দুনিয়াতে আসবে? তিনি বললেন, ১০
বার আসব এবং প্রতিবারই একটি করে জিনিস তুলে
নেব।

দশম জিনিসটা তুলে নেওয়ার পর ঈসরাফিল
(আঃ) সিঙ্গায় ফুঁ দিবেন এবং কেয়ামত আরম্ভ হবে।

দশটি জিনিস হল:-
১/ বরকত তুলে নেব।।
২/ এবাদত থেকে মজা তুলে নেব।।
৩/ পরস্পর মহব্বত তুলে নেব।।
৪/ লজ্জা তুলে নেব।।
৫/ হক বিচার তুলে নেব।।
৬/ ছবর (ধর্য্য) তুলে নেব।।
৭/ আলেম থেকে সত্য কথা তুলে নেব।। (অর্থাৎ একদল আলেম জানা সত্ত্বেও হক কথা বলবে না।)
৮/ ধনীদের সৎ সাহস উঠিয়ে নেব।।
৯/ ঈমানদার থাকবে না, ঈমান উঠে যাবে।।
১০/ ক্বারীদের কাছ থেকে কোরআনের তেলোয়াত তুলে নেব।।(অর্থাৎ কোরআনকে উঠিয়ে নেব।)

আফসোস আমাদের সমাজে সর্বশেষ ৯ ও ১০
নাম্বারটি বাকী রয়েছে, যেদিন এদুটি উঠে যাবে
সেদিনই হবে শেষ সময়।
হে ভাই/বোন তুমি ভয় কর সেদিনকে, যেদিন কেও
কাওকে সাহায্য করবে না।
বিধায় এখন হতে তাওবা
করে নবরুপে নিজের জীবনকে ইসলামের রঙে
রাঙিয়ে নাও এবং অপরকেও একই পরামর্শ দাও
তাহলেই শান্তি থাকবে সবার ঘরে।

ইসলামিক পোষ্টগুলো শেয়ার করার চেষ্টা করুন।
এতে করে যেমন অন্য বন্ধুরা জানতে পারবে তেমনি
সওয়াবও পাওয়া যাবে।
#______________________________________আমিন।

পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআনের ভুল খোঁজতে গিয়ে নিজেই মুসলমান হয়ে গেলেন !!

ড. গ্যারি মিলার ছিলেন কানাডার একজন খ্রিষ্ট ধর্ম প্রচারক। তিনি পবিত্র কুরআনের ভুল খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন, যাতে ইসলাম ও কুরআন বিরোধী প্রচারণা চালানো সহজ হয়। কিন্তু ফল হয়েছিল বিপরীত। তিনি বলেন, আমি কোন একদিন কুরআন সংগ্রহ করে তা পড়া শুরু করলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম কুরআন নাযিল হয়েছিল আরবের মরুচারীদের মধ্যে। তাই এতে নিশ্চয় মরুভূমি সম্পর্কে কথা থাকবে।কুরআন নাযিল হয়েছিল ১৪০০ বছর আগে। তাই খুব সহজেই এতে অনেক ভুল খুঁজে পাব ও সেসব ভুল মুসলিমদের সামনে তুলে ধরব বলে সংকল্প করেছিলাম। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা ধরে কুরআন পড়ার পরে বুঝলাম আমার এসব ধারণা ঠিক নয়, বরং এমন একটা গ্রন্থে অনেক আকর্ষণীয় তথ্য পেলাম। বিশেষ করে সূরা নিসার ৮২ নম্বর আয়াতটি আমাকে গভীর ভাবনায় নিমজ্জিত করে। সেখানে আল্লাহ বলেন, ‘এরা কী লক্ষ্য করে না কুরআনের প্রতি? এটা যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও পক্ষ থেকে নাযিল হ’ত, তবে এতে অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখতে পেত’। খ্রিষ্ট ধর্ম প্রচারক গ্যারি মিলার এভাবে ইসলামের দোষ খুঁজতে গিয়ে মুসলিম হয়ে যান।

তিনি বলেছেন, ‘আমি খুব বিস্মিত হয়েছি যে, কুরআনে ঈসা (আঃ)-এর মাতা মারিয়ামের নামে একটি বড় পরিপূর্ণ সূরা রয়েছে। আর এ সূরায় তাঁর এত ব্যাপক প্রশংসা ও সম্মান করা হয়েছে যে, এত প্রশংসা বাইবেলেও দেখা যায় না। পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বিশ্বনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর নাম মাত্র ৫ বার এসেছে। কিন্তু ঈসা (আঃ)-এর নাম এসেছে ২৫ বার। আর এ বিষয়টি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ক্ষেত্রে আমার ওপর ব্যাপক প্রভাব রেখেছে’।

পবিত্র কুরআনের ভুল খোঁজতে গিয়ে নিজেই মুসলমান হয়ে গেলেন

প্রাসঙ্গিক আলোচনা
ইসলাম মানুষের জীবনকে করে লক্ষ্যপূর্ণ। কারণ এ ধর্মের দৃষ্টিতে মানুষের জীবনের রয়েছে সুনির্দিষ্ট অর্থ ও লক্ষ্য। কিন্তু পশ্চিমা সরকারগুলো ইসলাম ও মুসলিমদের সম্পর্কে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা মুসলিমদেরকে পাশ্চাত্যের জন্য বিপজ্জনক বলে তুলে ধরছে। আর এই অজুহাত দেখিয়ে পশ্চিমা সমাজে মুসলিমদের উপর আরোপ করা হয়েছে নানা সীমাবদ্ধতা। ইউরোপ-আমেরিকার ক্ষমতাসীন সরকার ও ইসলাম-বিদ্বেষী দল বা সংস্থাগুলো এভাবে মুসলিম ও ইসলামের উপর আঘাত হানার পাশাপাশি নিজেদেরকে পশ্চিমা সভ্যতা এবং পশ্চিমা জনগণের সমর্থক হিসাবে জাহির করার পাশাপাশি জনগণকে বিভ্রান্ত করার মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছেন।

পাশ্চাত্যে ইসলামের জনপ্রিয়তা ও প্রভাব ক্রমেই বাড়তে থাকায় ইসলাম বিরোধী মহলগুলোর ইসলাম-বিদ্বেষী তৎপরতাও জোরদার হয়েছে। বর্তমানে মুসলিমদের নিয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও জনমত ব্যাপক বিতর্কে মেতে রয়েছে। পাশ্চাত্যের উগ্র লেখক ফিলিপ রনডু বলেছেন, ‘মুসলিমরা হচ্ছে বিস্ফোরণের বোমার মত এবং ইসলাম বহু মানুষকে, বিশেষ করে ইউরোপের বহু মানুষকে আকৃষ্ট করছে’। বহুল প্রচারিত এক টাইম ম্যাগাজিনগুলোতে ইউরোপে মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধিকে ‘ইউরোপের পরিচিতির সংকট’ বলে অভিহিত করেছে।

২০১০ সালের শেষের দিকে সুইজারল্যান্ডে মসজিদের মিনার নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞার আইন চালু করার লক্ষ্যে এক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এই পদক্ষেপের মূল পরিকল্পনাকারী ছিল ‘সুইস পিপলস পার্টি’ নামের একটি উগ্র খ্রিষ্টানপন্থী দল। মুসলিমদের ব্যাপারে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই ছিল এই পদক্ষেপের লক্ষ্য। শেষ পর্যন্ত এই আইন পাশ করতে সফল হয় দলটি। দলটির পক্ষ থেকে সর্ব প্রথম এই আইন চাপিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন সুইস রাজনীতিবিদ ড্যানিয়েল স্ট্রিচ। তিনি পুরো সুইজারল্যান্ডে ইসলাম-বিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে দেন এবং জনগণের মধ্যে ইসলাম-অবমাননার বীজ বপন করেন। ফলে সুইস জনগণ মসজিদের মিনার নির্মাণের বিরোধী হয়ে পড়ে এবং মিনার নির্মাণ নিষিদ্ধ হয়।

কিন্তু পরবর্তীতে ইসলাম পাশ্চাত্যে পূর্বের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠে। ফলে এক পর্যায়ে তিনি ইসলামের যৌক্তিক শিক্ষাগুলো ও পবিত্র কুরআন নিয়ে পড়াশুনা শুরু করেন এবং ইসলামের অকাট্য যুক্তি ও বাস্তবতার কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এভাবেই সুইজারল্যান্ডে ইসলাম-বিদ্বেষী আন্দোলনের প্রধান নেতা সুইস রাজনীতিবিদ ড্যানিয়েল স্ট্রিচ নিজেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

ড্যানিয়েল স্ট্রিচ এখন একজন সামরিক প্রশিক্ষক এবং পৌরসভার সদস্য ও অঙ্গীকারাবদ্ধ মুসলিম। তিনি নিয়মিত মসজিদে আসেন, কুরআন অধ্যয়ন করেন ও পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত আদায় করেন। ইসলাম গ্রহণের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘ইসলাম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর যৌক্তিক জবাব দেয়, যা আমি কখনও খ্রিষ্ট ধর্মে খুঁজে পাইনি। আমি ইসলামের মধ্যেই খুঁজে পেয়ছি জীবনের বাস্তবতা’।

ড্যানিয়েল স্ট্রিচ এখন তার অতীতের কাজের জন্য লজ্জিত। তিনি সুইজারল্যান্ডে ইউরোপের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছেন। দেশটিতে এখন ৪টি মসজিদ সক্রিয় রয়েছে। ড্যানিয়েলের স্বপ্নের মসজিদটি নির্মিত হ’লে সুইজারল্যান্ডে মসজিদের সংখ্যা দাঁড়াবে ৫টিতে। তিনি দেশটিতে ইসলাম বিরোধী যে তৎপরতা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন এভাবেই তার ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন। ড্যানিয়েল এখন ধর্মীয় স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আন্দোলন গড়ে তোলারও চেষ্টা করছেন।

‘ওপিআই’ নামের একটি ইসলামী সংস্থার প্রধান আবদুল মজিদ আদলি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘ইউরোপের জনগণ ইসলাম সম্পর্কে জানতে ব্যাপকভাবে আগ্রহী। তাদের অনেকেই সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসলামের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করতে চান। ঠিক যেভাবে সুইজারল্যান্ডের ড্যানিয়েল এ পথে সচেষ্ট হয়েছিলেন। তিনি ইসলামের মোকাবেলা করতে গিয়ে পবিত্র কুরআনের সঙ্গে পরিচিত হন এবং ইসলাম সম্পর্কে ব্যাপক পড়াশুনা শুরু করেন। তিনি চেয়েছিলেন ইসলামের সঙ্গে খুব কঠোর আচরণ করবেন। কিন্তু এর ফল হয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত’।

ড্যানিয়েল বলেন, ‘মহান ধর্ম ইসলামের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য হ’ল, যারাই এর মোকাবেলা করতে চায় তাদেরকে এই পবিত্র ধর্ম চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণার মাধ্যমে এ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়ার আহবান জানায়। ফলে ইসলামের খুঁত বের করার চেষ্টা করতে গিয়ে তারা এ যে খাঁটি আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম. তা বাস্তবতা বুঝতে পারে। কারণ ইসলাম মানুষের প্রকৃতির চাহিদার আলোকে প্রণীত হয়েছে। সত্য অনুসন্ধানের ইচ্ছা নিয়ে যারাই ইসলাম সম্পর্কে গবেষণা করেন তারা এই আসমানী ধর্মের সত্যতা অস্বীকার করতে পারেন না।

বিশিষ্ট ইংরেজ গবেষক জন ডেভেনপোর্ট বলেছেন, ‘কুরআন ভুল-ত্রুটিমুক্ত হওয়ায় এতে কোন ছোটখাট সংশোধনেরও দরকার নেই। তাই প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কুরআন পড়ার পরও সামান্যতম বিরক্তিও সৃষ্টি হবে না কারো মধ্যে। বছরের পর বছর ধরে পাদ্রীরা আমাদেরকে পবিত্র কুরআনের বাস্তবতা ও মহত্ত্ব থেকে দূরে রেখেছেন। কিন্তু আমরা যতই জ্ঞানের পথে এগুচ্ছি ততই অজ্ঞতা ও অযৌক্তিক গোঁড়ামির পর্দা মুছে যাচ্ছে। শিগগিরই এ মহাগ্রন্থ, যার প্রশংসা ভাষায় প্রকাশ করার সাধ্য কারো নেই। বিশ্বকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করবে এবং বিশ্বের উপর গভীর প্রভাব ফেলবে ও শেষ পর্যন্ত বিশ্বের মানুষের চিন্তা-চেতনার প্রধান অক্ষে পরিণত হবে’।

ফজরের সময় জাগ্রত হওয়ার কার্যকরী কৌশল…

মুসলমানদের জন্য ঈমান আনার পরেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আর জামাতে নামাজ পড়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে মধ্যে এশা ও ফজরের জামাতের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।

এ দুই সময়ে মানুষ সাধারণত পরিবারের সঙ্গে সময় কাটায় ও বিশ্রাম করে। ফলে জামাতদুটিতে যথেষ্ট অবহেলা ও গাফিলতি হয়ে থাকে। এজন্য হাদিসে এর প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করা হয়েছে। উবাই ইবনে কাব (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘একবার মহানবী (সা.) আমাদের ফজরের নামাজ পড়িয়েছেন। সালাম ফিরিয়ে জিজ্ঞেস করেছেন, অমুক কি আছে? লোকেরা বলল, নেই। তারপর আরেকজনের নাম নিয়ে জিজ্ঞেস করেন, অমুক কি আছে? লোকেরা বলল, নেই। তিনি বললেন, এ দুই নামাজ (এশা ও ফজর) মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে কঠিন। তোমরা যদি জানতে যে এই দুই নামাজে কী পরিমাণ সওয়াব নিহিত রয়েছে, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে আসতে। ’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৫৫৪)

ফজরের সময় জাগ্রত এর ছবি ফলাফল

সুন্নত নামাজের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ফজরের দুই রাকাত সুন্নত। হাদিসে এর প্রভূত ফজিলত বর্ণিত হয়েছে, যা অন্য সুন্নতের ক্ষেত্রে হয়নি। এক হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৭২৫)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘শত্রুবাহিনী তোমাদের তাড়া করলেও তোমরা এই দুই রাকাত কখনো ত্যাগ কোরো না। ’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১২৫৮)

সম্পর্কিত ছবি

কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, বহু মুসলমান নামাজই পড়ে না। আর যারা নামাজি, তাঁদের মধ্যে অনেকে ফজরের নামাজ নিয়মিত পড়তে পারেন না। যারা নিয়মিত পড়েন, তাঁদের মধ্যেও অনেকে ফজরের জামাতে শরিক হতে পারেন না। অলসতা ছাড়াও এর অন্যতম কারণ যথা সময়ে ঘুম থেকে জাগ্রত হতে না পারা। এখানে আমরা ফজরের সময় জাগ্রত হওয়ার কিছু কৌশল তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

আল্লাহকে চেনা :

ফজরের নামাজের জন্য জেগে উঠার প্রধান কৌশল হলো আল্লাহর বড়ত্ব ও মহত্ত্ব সম্পর্কে জানা। আপনি যদি জানেন আপনি কার ইবাদত করছেন, আর এ-ও জানেন যে তাঁর নির্দেশ হলো, আপনি প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে তাঁর ইবাদত করুন, তাহলে আপনি জেগে উঠবেনই!

আন্তরিকতা :

ফজরের নামাজের জন্য জেগে উঠার ব্যাপারে আন্তরিক হোন। এটা ভাববেন না যে যদি আমি ফজরের ওয়াক্তে উঠতে পারি তাহলে ফজরের নামাজ পড়ব, বরং আন্তরিকভাবে প্রতিজ্ঞা করুন যে আমি ফজরের ওয়াক্তে জেগে উঠবোই, ইনশাআল্লাহ!

ঘুমাতে যাওয়ার আগে ওজু করা :

মহানবী (সা.) বারা ইবনে আজেব (রা.)-কে বলেছিলেন, যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন নামাজের ওজুর মতো ওজু করবে। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৪৮৮৪)

বিতরের নামাজের পর দোয়া :

শেষ রাতে উঠার অভ্যাস না থাকলে বিতরের নামাজ আদায় না করে ঘুমাবেন না। আর বিতরের নামাজ আদায়ের সময় আল্লাহর কাছে অনুনয়-বিনয় করুন, যাতে তিনি আপনাকে ঘুম থেকে জেগে উঠতে সাহায্য করেন।

কোরআন পাঠ করে নিদ্রায় যাওয়া :

মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের মাধ্যমে দিনের সমাপ্তি অবশ্যই আপনার মনোযোগকে ফজরের নামাজের জন্য জেগে উঠার দিকে নিবদ্ধ করবে। মহানবী (সা.) ঘুমাতে যাওয়ার আগে সুরা সাজদাহ ও সুরা মুলক (৩২ ও ৬৭ নম্বর সুরা) পাঠ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

ঘোষণাকৃত পুরস্কারের কথা স্মরণ :

মুনাফেক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার হাত থেকে বেঁচে থাকা, শেষ বিচারের দিন আলোকিত হওয়া, সারাদিন আল্লাহর নিরাপত্তায় থাকা, জীবন থেকে অলসতা কেটে যাওয়া, কর্মঠ হওয়া ইত্যাদি পুরস্কারগুলোর কথা স্মরণ করুন, ইনশাআল্লাহ আপনি জেগে উঠতে পারবেন।

জাগিয়ে দেওয়ার জন্য বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের বলা :

পরিবারের অন্য সদস্য কিংবা বন্ধুদের বলুন আপনাকে জাগিয়ে দিতে। আর পরস্পরকে সাহায্য করুন। যদি আপনি আগে জেগে উঠেন, তাহলে অন্যদেরও জাগিয়ে তুলুন।

দুপুরে ভাত খেয়ে সামান্য ঘুম :

আরেকটি কৌশল জানা যায় সুন্নাহ থেকে। আর তা হলো, দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর সামান্য ঘুমানো। আরবিতে এটাকে ‘কায়লুলা’ বলা হয়। এই সামান্য বিশ্রামের ফলে রাতের দীর্ঘ ঘুম থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি এই সামান্য ঘুম আপনাকে করে তুলবে উজ্জীবিত। মস্তিস্ককে করে তুলবে সতেজ। ফলে অলসতার ঘোর কেটে যাবে।

গুহায় আঁটকে পড়া সেই ঐতিহাসিক তিন যুবক ……ইসলামিক গল্প…

একবার তিনজন লোক পথ চলছিল,
এমন সময় তারা বৃষ্টিতে আক্রান্ত
হ’ল। অতঃপর তারা এক পাহাড়ের
গুহায় আশ্রয় নিল। হঠাৎ পাহাড় হ’তে
এক খন্ড পাথর পড়ে তাদের গুহার
মুখ বন্ধ হয়ে গেল। তখন তারা একে
অপরকে বলল, নিজেদের কৃত কিছু
সৎকাজের কথা চিন্তা করে বের কর,
যা আললাহর সন্তুষ্টির জন্য
তোমরা করেছ এবং তার মাধ্যমে
আললাহর নিকট দো‘আ কর। তাহ’লে
হয়ত আল্লাহ্ তোমাদের উপর হ’তে
পাথরটি সরিয়ে দিবেন।
তাদের একজন বলতে লাগল, হে
আল্লাহ্! আমার আববা-আম্মা খুব
বৃদ্ধ ছিলেন এবং আমার ছোট ছোট
সন্তানও ছিল। আমি তাদের ভরণ-
পোষণের জন্য পশু পালন করতাম।
সন্ধ্যায় যখন আমি বাড়ি ফিরতাম
তখন দুধ দোহন করতাম এবং আমার
সন্তান্দের আগে আমার আববা-
আম্মাকে পান করাতাম। একদিন
আমার ফিরতে দেরী হয় এবং সন্ধ্যা
হওয়ার আগে আসতে পারলাম না।
এসে দেখি তারা ঘুমিয়ে পড়েছেন।
আমি দুধ দোহন করলাম, যেমন
প্রতিদিন দোহন করি। তারপর আমি
তাঁদের শিয়রে (দুধ নিয়ে) দাঁড়িয়ে
রইলাম। তাদেরকে জাগানো আমি
পছন্দ করিনি এবং তাদের আগে
আমার বাচ্চাদেরকে পান করানোও
সঙ্গত মনে করিনি। অথচ বাচ্চাগুলো
দুধের জন্য আমার পায়ের কাছে পড়ে
কান্নাকাটি করছিল। এভাবে ভোর
হয়ে গেল। হে আল্লাহ্! আপনি
জানেন আমি যদি শুধু আপনার
সন্তুষ্টির জন্যই এ কাজটি করে
থাকি তবে আপনি আমাদের হ’তে
পাথরটা খানিক সরিয়ে দিন, যাতে
আমরা আসমানটা দেখতে পাই। তখন
আল্লাহ পাথরটাকে একটু সরিয়ে
দিলেন এবং তারা আসমান দেখতে
পেল।

allah is on এর ছবি ফলাফল


দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্!
আমার এক চাচাতো বোন ছিল।
পুরুষরা যেমন মহিলাদেরকে
ভালবাসে,আমি তাকে তার চেয়েও
অধিক ভালবাসতাম। একদিন আমি
তার কাছে চেয়ে বসলাম (অর্থাৎ
খারাপ কাজ করতে চাইলাম)। কিন্তু
তা সে অস্বীকার করল যে পর্যন্ত
না আমি তার জন্য একশ’ দিনার নিয়ে
আসি। পরে চেষ্টা করে আমি তা
যোগাড় করলাম (এবং তার কাছে
এলাম)। যখন আমি তার দু’পায়ের
মাঝে বসলাম (অর্থাৎ সম্ভোগ
করতে তৈরী হলাম) তখন সে বলল, হে
আললাহর বান্দা! আল্লাহকে ভয়
কর। অন্যায়ভাবে মোহর (পর্দা)
ছিঁড়ে দিয়ো না। (অর্থাৎ আমার
সতীত্ব নষ্ট করো না)। তখন আমি
দাঁড়িয়ে গেলাম। হে আল্লাহ! আপনি
জানেন আমি যদি শুধু আপনার
সন্তুষ্টির জন্য এ কাজটি করে
থাকি, তবে আপনি আমাদের জন্য
পাথরটা সরিয়ে দিন। তখন পাথরটা
কিছুটা সরে গেল।

allah is on এর ছবি ফলাফল


তৃতীয় ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্!
আমি এক ‘ফারাক’ চাউলের বিনিময়ে
একজন শ্রমিক নিযুক্ত করেছিলাম।
যখন সে তার কাজ শেষ করল
আমাকে বলল, আমার পাওনা দিয়ে
দাও। আমি তাকে তার পাওনা দিতে
গেলে সে তা নিল না। আমি তা দিয়ে
কৃষি কাজ করতে লাগলাম এবং এর
দ্বারা অনেক গরু ও তার রাখাল জমা
করলাম। বেশ কিছু দিন পর সে আমার
কাছে আসল এবং বলল, আল্লাহকে
ভয় কর (আমার মজুরী দাও)। আমি
বললাম, এই সব গরু ও রাখাল নিয়ে
নাও। সে বলল, আল্লাহকে ভয় কর,
আমার সাথে ঠাট্টা কর না। আমি
বললাম, আমি তোমার সাথে ঠাট্টা
করছি না, ঐগুলো নিয়ে নাও। তখন
সে তা নিয়ে গেল। হে আল্লাহ!
আপনি জানেন, যদি আমি আপনার
সন্তুষ্টি লাভের জন্য এ কাজটি করে
থাকি, তবে পাথরের বাকীটুকু সরিয়ে
দিন। তখন আল্লাহ পাথরটাকে
সরিয়ে দিলেন।
(বুখারী হা/২৩৩৩, ‘চাষাবাদ’ অধ্যায়,
অনুচেছদ-১৩; মুসলিম হা/২৭৪৩,
মিশকাত হা/৪৯৩৮)। #আমিন

কুকুর পোষা বৈধ হবে কিনা..? জেনে নিন ইসলামে কি বলে…??

আমাদের নবী (সা.) কুকুর প্রীতির বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে প্রথমে কুকুরকে হত্যা করার নির্দেশ দেন এর পরে বলেন যে ঘরে কুকুরের বা অন্য কোন প্রাণীর মূতি থাকবে সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করবে না।

আমাদের আশেপাশে অনেকেই এখন শখ করে বাড়িতে বিদেশী কুকুর পোষে এবং তার জন্য অনেক অর্থও খরজ করে। কেউ কেউ আবার ঘর সাজানোর জন্য বিভিন্ন প্রণীর মূতি ও ছবি রাখে।

আমার জানার বিষয় হচ্ছে শরীআতের দৃষ্টিতে এসবের হুকুম কী?

আমাদের দেশে ধনীদের কুকুর প্রীতি মূলত পশ্চিমা সভ্যতা থেকে আমদানি হয়েছে। আমাদের নবী সা.) এর আবির্ভাব হওয়ার পূর্বে আরবদের মাঝেও কুকুর প্রীতির সভ্যতা ছিলো।

কিন্তু আমাদের নবী (সা.) কুকুর প্রীতির বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে প্রথমে কুকুরকে হত্যা করার নির্দেশ দেন এর পরে বলেন যে ঘরে কুকুরের বা অন্য কোন প্রাণীর মূতি থাকবে সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করবে না।

সুতরাং বোঝায় যাচ্ছে কুকুর পালন কারা ও কুকুরের প্রতি ভালোবাসা পোষণ করা কতটা জঘন্য। ঘর বা বাড়ি যদি সাজাতেই হয় তাহলে ফুর, ঝর্ণা, গাছ পালা ইত্যাদি দিয়ে সাজাতে তো কোন প্রকার মানা নেই। [ফাতাওয়ায়ে মাহমূদিয়া-৫ঃ ১৮৮ পৃঃ]

জমজমের পানি অনেক বরকতময়। ..জমজমের পানি পানের ফজিলত জানেন কি ?

দুনিয়ায় সকল খাবার খাওয়া ও পানীয় পান করার সময় তা বসে খেতে হয়। শুধু ব্যতিক্রম জমজমের পানি পান করায়। এ বরকতময় পানি পান করার সময় দাঁড়িয়ে ক্বিবলামুখী হয়ে পান করতে হয়। জমজমের পানি পানের বরকত ‍তুলে ধরা হলো-

> জমজমের পানির বরকতে আল্লাহ তাআলা পানকারীর মনের সকল চাওয়া পূরণ করে দেন। হজরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জমজমের পানি যে উদ্দেশ্য নিয়ে পান করবে তা পূরণ হবে। (মুনসাদে আহমদ)

> জমজমের পানি মানুষের ক্ষুধা নিবারণকারী এবং অসুস্থ ব্যক্তির জন্য শেফা। হাদিসে এসেছে, হজরত আবু জর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জমজমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য এবং রোগীর ঔষধ।’ (তাবারানি, বাযযার)

>> বিশ্বনবি সবসময় জমজমের পানি সঙ্গে রাখতেন যার প্রমাণ পাওয়া যায় হজরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার হাদিসে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের সাথে পাত্রে এবং মশকে করে জমজমের পানি বহন করতেন। তা  অসুস্থদের ওপর ছিটিয়ে দিতেন এবং তাদের পান করাতেন। (তিরমিজি, তারিখুল কবির, বাইহাকি)

>> এ কারণেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়াতে এ পানিকে শ্রেষ্ঠ পানি হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জমিনের ওপর সর্বোত্তম পানি হলো জমজমের পানি। (তাবারানি কাবির, ইবনে হিব্বান)

মুসলিম উম্মাহর সকল হজ পালনকারীদেরকে যথাযথ সম্মান ও আদবের সঙ্গে জমজমের পানি পান করার তাওফিক দান করুন। জমজমের পানি পানকারী সকলকে বরকত, সুস্থতাসহ সকল উপকারিতা দান করুন। হজের অন্যান্য কার্যাবলী যথাযথ আদায়ের তাওফিক দান করুন। আমিন।