জামিন পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপরসন খালেদা জিয়া ..।।

কারাগারে থাকা বিএনপির চেয়ারপরসন খালেদা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত জামিন পেয়েছেন। সোমবার রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

আজ (সোমবার) এ মামলায় খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা সংক্রান্ত আদেশ দেওয়ার কথা ছিল। তবে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের জামিন বাড়ানোর আবেদনের পর বিচারক এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে ১৩ ও ১৪ মার্চ এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন আদালত।

বিচারক বলেন, অন্য মামলায় (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি) খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন। এর আগে (১৩ মার্চ) জামিনে বের হলে আদালতে হাজির হতে আর আদেশ দিতে হবে না। আর জামিন না পেলে ১৩ তারিখে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে।

চলতি এসএসসি পরীক্ষা বাতিল করে নতুনভাবে নিতে রুল…।।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ফাঁস হওয়ার খবর আসে গণমাধ্যমে। পরীক্ষার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায় পরে অনুষ্ঠিত সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার প্রশ্নের।

এমনকি হাতে-নাতে ফাঁস হওয়া প্রশ্নসহ কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। সরকার প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে নানা উদ্যোগও নিয়েছে। কিন্তু তার কিছুই যেন কার্যকর হচ্ছে না। বরং শুরু থেকে এ পর্যন্ত যে কয়টি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে তার সব কয়টিরই প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে।

২০১৮ সালের চলমান মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা কেন বাতিল করে নতুনভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ ছাড়া এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

সাভারে এসএসসি পরীক্ষায় নকলঃবহিষ্কার করায় দোতলা থেকে লাফ দিল এক ছাত্রী..।।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দ্র সচিব এবং অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিটার গোমেজ বলেন, পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা চলার সময় সাভারের একটি বালিকা বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী আগে থেকে হাতের মধ্যে লিখে আনা উত্তর দেখে দেখে পরীক্ষা দিচ্ছিল।

বিষয়টি দেখে ফেলেন কেন্দ্রের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সাভার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেজবা উদ্দীন। তিনি ওই ছাত্রীর হাতে লিখে আনা উত্তরের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের উত্তরের মিল পেয়ে তাকে বহিষ্কার করেন।

এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রী জানায়, কুষ্টিয়ায় তার এক বন্ধুর কাছ থেকে ফেসবুকের মাধ্যমে এ উত্তরপত্র সংগ্রহ করেছে সে। এটি বলে সে হঠাৎ করেই কেন্দ্রের দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে। পরে আহত অবস্থায় তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। ওখানেই সে এখন চিকিৎসাধীন। তার কোমর ও বাঁ পায়ে আঘাত লেগেছে বলেও জানান কেন্দ্র সচিব।

অবশেষে ইতি ঘটছে শাকিব-অপু সংসারের…।।

শাকিব খাঁন বলেন, ‘সহ্যের সীমা আছে, অপুর জন্য কী করিনি, সে আমাকে স্বামী হিসেবে কখনো মানেনি। ২০০৮ সালে বিয়ের পর ২০১০ সালে এক নায়কের সঙ্গে তাকে হাতেনাতে ধরার কথা তখন পত্রপত্রিকায় এসেছে। একজন স্ত্রীকে পরপুরুষের সঙ্গে অন্য অবস্থায় ধরে ফেলার পর কোনো স্বামী কি তা ক্ষমা করে। কিন্তু আমি করে দিয়েছিলাম। চেয়েছিলাম সুখে শান্তিতে ঘর করতে।

তারপরেও সে নানাভাবে আমাকে মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে। সর্বশেষ গত বছরের ১০ এপ্রিল আমার বিরুদ্ধে আমার সন্তানকে নিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলে লাইভ অনুষ্ঠানে যাওয়া কি তার উচিত ছিল? সেদিন থেকে অবিরাম পত্রপত্রিকা আর টিভি চ্যানেল এবং ব্যক্তিগতভাবে সে আমার বিরুদ্ধে বিষোদগার করেই চলেছে। এটি কি ভালোবাসার নমুনা? তারপরেও আমি তার ও আমার সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বার বার সব ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। ১০ এপ্রিলের ঘটনার পরেও নিয়মিত তার বাসায় যেতাম, তার ও আমাদের সন্তানের খোঁজখবর নিতাম। মাসে যা ভরণ-পোষণ দরকার সবই দিচ্ছি। এত কিছুর পরেও সে কখনো আমাকে ঘিরে তার করা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য একবারও সরি বলেনি।

সে শুধু আমাকেই অপমান করেনি। আমার বাবা-মাকেও অসম্মান করেছে। সে যদি একবার সবার সামনে এর জন্য ক্ষমা চাইত আমি অবশ্যই সব ভুলে গিয়ে আবার ঘর সংসার শুরু করতাম।

আমি বরাবরই চাই আমাদের মধ্যে যা হয়েছে তা ঘরের চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ থাকুক। প্রতিটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই খুনসুটি কম বেশি থাকে। তাই বলে তা বাইরের মানুষকে জানিয়ে হাসির খোরাক তৈরি করা কেন? শুধু মানুষ হাসবে না, আমাদের বাচ্চা যখন বুঝতে শিখবে আর তার বাবা-মার সম্পর্কে এসব নেতিবাচক ঘটনা জানবে তখন তার মনে কি এর বিরূপ প্রভাব পড়বে না? শাকিব দুঃখ করে বলেন, আমি চাইনি এভাবে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যাক। সন্তানের স্বার্থে সব ঠিক রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গত বছরের নভেম্বরে আমি যখন ছবির শুটিংয়ে দেশের বাইরে ছিলাম তখন সেই সুযোগে সে আমার বাচ্চাকে বাসায় কাজের মানুষের কাছে রেখে ঘর তালাবদ্ধ করে দেশের বাইরে চলে যায়। এমন খবরে সন্তানের জন্য চরম উৎকণ্ঠিত হয়ে দেশে এসে সন্তানকে উদ্ধারে নিকেতনে তার বাসায় ছুটে যাই। কারণ বন্ধ ঘরে যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে বাচ্চাটির জীবন বিপন্ন হয়ে পড়বে। বাসায় গেলে অনেক ডাকাডাকির পরেও কেউ দরজা খুলল না। উল্টো ভিতর থেকে আমাকে জানিয়ে দেওয়া হলো দরজায় তালা দিয়ে অপু চাবি নিয়ে চলে গেছে।

এরপর বাবা হিসেবে আমি কেমন মানসিক যাতনায় ছিলাম তা কারও বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এরপরও কিছু বলিনি। অপু ফিরে এসে এর জন্য আমার কাছে ক্ষমা তো চায়নি বরং আমার বিরুদ্ধে আবার বিষোদগার শুরু করে। এই অবস্থায় তাকে ডিভোর্স দেওয়া ছাড়া আমার আর কোনো পথ ছিল না। ২২ নভেম্বর বাধ্য হয়ে আইনজীবী মারফত ডিভোর্স লেটার পাঠাই।

শাকিব বলেন, ঘটনা এখানেই শেষ নয়, এরপরও চাইছিলাম সে যদি ক্ষমা চায় তা হলে আমি নতুন করে চিন্তা ভাবনা করব। কিন্তু সেই সুযোগও সে আমাকে দেয়নি। বারবার বাচ্চাটি দেখার জন্য চেষ্টা করলেও সে আমাকে তা থেকে বঞ্চিত করে আসছে। বাচ্চার ভরণ-পোষণের জন্য মাসিক খরচ পাঠালে তাও ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছে। সম্পর্ক শুরুর পর থেকে কেন সে আমার সঙ্গে এমন অত্যাচার করে আসছে বুঝতে পারছি না। শিল্পী হিসেবে অন্য যে কোনো নায়িকার বিপরীতে আমি অভিনয় করতেই পারি। সেখানেও তার বাধা। এতসব যন্ত্রণা আমি আর কত সহ্য করব। মানুষ হিসেবে আমারও সহ্য আর ধৈর্যের সীমা আছে। এখন সে বাচ্চা দেখতে না দিয়ে আমাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার পথ বেছে নিয়েছে। আমি আর কিছু বলতে চাই না। মানুষ এসব ঘটনা দেখছে, জানছে। সবাই বিবেক দিয়ে তা উপলব্ধি করবে বলে আমার বিশ্বাস।

ভালোবাসা দিবসের আগেই অবসান ঘটছে শাকিব-অপু অধ্যায়ের। ১০ বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক আর ১২ বছরের ফিল্মি ক্যারিয়ার, দুটিই এখন থেমে গেছে।
শাকিবের ডিভোর্স লেটার প্রেরণের তিন মাস পূর্ণ হবে ২২ ফ্রেব্রুয়ারি। যেহেতু সিটি করপোরেশনের ডাকা সমঝোতা বৈঠকে শাকিবের সাড়া পাওয়া যায়নি তাই স্বাভাবিকভাবেই ওইদিন থেকে তাদের ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যাচ্ছে বলে সিটি করপোরেশনের পারিবারিক আদালত সূত্রে জানা গেছে। তাই এখনকার বাস্তবতা হলো শাকিব-অপুর দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি ঘটছে।

প্রশ্নফাঁস এড়াতে কখন কখন ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে ?? জেনে নিন বিস্তারিত…।।

জানা গেছে, প্রশ্নফাঁস রোধে আজকে রাতে আধা ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট বন্ধ রেখে ট্রায়াল দেয়া হয়েছে। বিটিআরসি তথ্য জানানো হয়েছে।

এছাড়া আরো জানা গেছে, এসএসসি পরীক্ষা যেদিন যেদিন চলবে সেদিন সকাল ৮টা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত সারাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে।

সবাই যার যার মত ইন্টারনেট চালাচ্ছে। রাত দশটার পরেই বন্ধ হয়ে যায় নেট। তবে শুধুমাত্র ঢাকায় নয়। সারাদেশেই এই নেট বন্ধ ছিল।

জেনে নিন, কখন ও কয়টায় পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট

১১-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০
১২-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০
১৩-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০
১৫-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০
১৭-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০
১৮-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে দশটা আর দুপুর ১২টা থেকে ২.৩০
১৯-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০
২০-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০
২২-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০
২৪-০২-১৮ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড…।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তারেক রহমানকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পুরান ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো: আখতারুজ্জামান বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন। এসময় খালেদা জিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মাদ আলী, সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুর রেজাক খান, সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ও আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি এই মামলার উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হলে আদালত রায়ের জন্য আট ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই জরুরি অবস্থার মধ্যে রমনা থানায় এই মামলাটি করে দুদক। তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার বিএনপির সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে এই মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

এরপর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত খালেদাসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪০৯ এবং দুদক আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে। ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়া জামিনে ছিলেন। আর বিএনপির সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ রয়েছেন কারাগারে। এদিকে তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক। আলোচিত এই মামলায় দুদক ও আসামিপক্ষ আদালতে মোট ১৬ কার্যদিবস যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। আর মোট ২৩৬ কার্যদিবস শুনানির পর মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসে। এদিকে খালেদা জিয়ার অনাস্থার কারণে উচ্চ আদালতের নির্দেশে এর আগে তিনবার এই মামলার বিচারক বদল হয়েছে।

ক্রিকেটার মুশফিকুর রহীম ছেলের বাবা হলেন….।

মুশফিকুরের বাবা মাহবুব হামিদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি স্ট্যাটাস দেন।

স্ট্যাটাসে মুশফিকের বাবা লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ!!! অবশেষে বহু কাঙ্ক্ষিত সেই দাদা ভাই, সকাল নয়টা আটাশ মিনিটে এই দুনিয়ায় চলে এলেন। শুকরিয়া গো খোদা তোমার প্রতি। দোয়ার জন্য সকলের কাছে দরখাস্ত। মা ও ছেলে দুইজনেই সুস্থ আছে। আল্লাহ যেন দাদা ভাইকে ভাল মানুষ করেন। আমিন!!!’

মুশফিকুর রহীম যে বাবা হবেন, এ খবর জানা গিয়েছিল আগেই। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকে ফিরে আসার পরই স্ত্রী জান্নাতুল কিফায়াত মন্ডিকে ডাক্তার দেখানোর জন্য তিনি থাইলল্যান্ড গিয়েছিলেন মুশফিক। তখনই জানা গিয়েছিল খুব শিগগিরই বাবা হতে যাচ্ছেন টেস্ট দলের সাবেক এ অধিনায়ক।

এদিকে সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার সময় স্ত্রীর পাশে থাকার জন্যই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট শেষ করার পরই ঢাকার উদ্দেশ্যে বিমান ধরছেন মুশফিক।

আজ থেকে শুরু হল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

এবারের এসএসসিতে ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রশ্ন ফাঁস হওয়া আটকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের সাড়ে ৯টার মধ্যে কেন্দ্রে হাজির হয়ে যার যার আসনে বসতে হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রথম দিনের পরীক্ষা শুরু হয়।

প্রথম দিন এসএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র, সহজ বাংলা প্রথমপত্র এবং বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংষ্কৃতি বিষয়ের পরীক্ষা চলছে।

এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এসএসসি ভোকেশনালে বাংলা-২ (১৯২১) বিষয়ের পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

এসএসসি ও সমামানের পরীক্ষায় গতবছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন। আর এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৯ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসেবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার ২৮৬ জন।

২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মাতাবে এলআরবি, আর্টসেল ও আর্বোভাইরাস।

কনসার্টটির যৌথ আয়োজক উইজার্ড শোবিজ ও আইআরবি ইভেন্ট।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি বসুন্ধরার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারের এক্সপো জোনে এটি অনুষ্ঠিত হবে।

আর এতে অংশ নেবে তিনটি ব্যান্ড। এগুলো হলো এলআরবি, আর্টসেল ও আর্বোভাইরাস।

আইআরবি ইভেন্ট লিমিটেডের কর্ণধার মঈন আল হেলাল সুপল বলেন, ‘আমরা নিয়মিত কনসার্ট আয়োজন করে আসছি। এবার শীতকে ঘিরে কনসার্টের এ আয়োজন। যেহেতু রক ঘরানার অনুষ্ঠান, তাই ব্যান্ডের নামের তালিকাও সেভাবে তৈরি করা হয়েছে।’

কনসার্টটি শুরু হবে এদিন দুপুর ৩টায়। আর চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত।
আয়োজকরা জানান, টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছে ২০০ টাকা। পাওয়া যাবে বিএফসি’র আউটলেটে। এছাড়া দারাজ ও আইআরবি-এর ফেসবুক পেইজ থেকেও টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।

তাদের আচরণ দেখলে গাধার কথা মনে পড়ে

সুশীল সমাজের কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, উন্নয়নের গতিধারায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সারা বিশ্ব বাংলাদেশের স্বীকৃতি দিচ্ছে। কিন্তু এ দেশের কিছু মানুষ উন্নয়নটা চোখে দেখে না। তাদের আচরণ দেখলে গাধার কথা মনে পড়ে।

জাতীয় সংসদে আজ বুধবার প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ফজিলাতুন্নেসার সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, কিছু সুশীল ও পণ্ডিতজন সংবাদ সম্মেলন করে বলছেন, দেশের অর্থনৈতিক কোনো অগ্রগতি দেখতে পারছেন না। উন্নয়নের ছোঁয়া দেখতে পারছেন না। এ বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মত জানতে চান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা চোখ থাকতে অন্ধ, কান থাকতে বধির, তাদের হাজার বলেও দেখানো, শোনানো যাবে না। তাদের বোঝানোর কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বলা হচ্ছে সুশীল। আমি জানি না, এই সুশীলের অর্থটা কী, ব্যাখ্যাটা কী। কোন তত্ত্বের ভিত্তিতে তারা সুশীল। সেটাই প্রশ্ন হয়ে দেখা দেয়, যখন তারা কোনো কিছু দেখেনও না, শোনেনও না, বোঝেনও না। তারা সুশীল না অসুশীল তা আমি জানি না।’

সার্কাসের গাধার গল্প সংসদে শুনিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করার আশায় গাধা দড়ি ছেঁড়ার অপেক্ষায় বসে থাকে। ওই শ্রেণিটা গাধার মতো দড়ি ছেঁড়ার অপেক্ষায় বসে থাকে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি কাউকে গাধা বলছি না। তারা জ্ঞানী-গুণী, শিক্ষিত। বিদেশ থেকে উচ্চ ডিগ্রিপ্রাপ্ত। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন। তবে, তাদের আচরণগুলো যখন দেখি, খুব স্বাভাবিকভাবেই গাধার কথা মনে পড়ে।’ শেখ হাসিনা বলেন, কিছু মানুষ সব সময় নিজেদের অশুভ শক্তির কাছে বিক্রি করতে প্রস্তুত থাকে। রাস্তার পাশে ডাস্টবিনে লেখা থাকে ‘ইউজ মি’। তেমনি তারাও রাজনীতি ও ক্ষমতার ক্ষেত্রে বুকে সাইন বোর্ড লিখে বসে থাকে—‘ইউজ মি’। তারা সব সময় আশায় বসে থাকে, কেউ অসাংবিধানিক পথে ক্ষমতা দখল করলে একটি পতাকা পাবে। ক্ষমতায় যেতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের এই না দেখাটা একধরনের অসুস্থতা। কারণ, তাদের দৃষ্টি অবৈধ ক্ষমতা দখলের দিকে। তাদের আকাঙ্ক্ষা ক্ষমতায় যাওয়ার। কিন্তু তারা জনগণের কাছে যেতে পারেন না। ভোটের রাজনীতিতে তারা অচল। এই শ্রেণি ক্ষমতায় যেতে বাঁকা পথ খোঁজে।

বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সাংসদ ফখরুল ইমাম সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চান, প্রধানমন্ত্রী একাই অর্জন করে যাবেন, নাকি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে যাবেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সবাইকে নিয়ে চলতে চান। তবে কথা আছে, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে…।’

সরকারের অর্জনগুলোকে সম্মিলিত প্রয়াসের ফল উল্লেখ শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিরোধী দলকে ধন্যবাদ জানাই। তারা গঠনমূলক বক্তব্য রেখেছে। গঠনমূলক আচরণ করেছে। অন্তত এইটুকু বলতে পারি, বিএনপি থাকতে তখন যে খিস্তিখেউড় হতো, যেসব আলাপ-আলোচনা হতো তা কান পেতে শোনা যেত না। এখন সেসব নেই। অত্যন্ত গণতান্ত্রিক মনোভাব নিয়ে বিরোধী দল গঠনমূলক আলোচনা করছে এবং সর্বক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে।’