‘বাঘি ২’ এর আয় দেড় শ কোটি ছাড়াল …।।

অ্যাকশন এন্টারটেইনার ‘বাঘি ২’ ইতিমধ্যে বক্স অফিসে সুপারহিট তকমা পেয়েছে। ১৬তম দিন শেষে এর আয় দাঁড়িয়েছে ১৫২.৪০ কোটি রুপি। বরুণ ধাওয়ানের নতুন ছবি ‘অক্টোবর’ও ‘বাঘি ২’-এর ব্যবসার ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।

ছবিটি আয়ের অঙ্কে এ বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত সঞ্জয় লীলার পদ্মাবতের পরই অবস্থান করছে।

আহমেদ খান পরিচালিত ছবিটি তার তৃতীয় সপ্তাহে মোট ১৬০ কোটি রুপি ব্যবসা করবে বলে ধারণা করছেন ট্রেড অ্যানালিস্টরা। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা।
সূত্র : বলিউড লাইফ.কম

কেন ইসলাম ধর্মে শুকরের মাংস নিষিদ্ধ জানেন কি ?? জেনে নিন কারণ !!

ইসলামে ধর্মে শুকরের মাংস – ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মের অনেকের কাছেই প্রিয় শুকরের মাংস। কিন্তু মুসলমানরা এ মাংস খান না। অনেকেই এটা নিয়ে তিরস্কার করেন মুসলিমদের। কিন্তু শুকরের মাংস কেন হারাম করা হয়েছে সেটা জানলে সবাই বলবে এটা নিষিদ্ধ হওয়াই উচিত। আসুন জেনে নেই কেন শুকরের মাংস নিষিদ্ধ হলো ইসলামে।

কুরআনে নিষিদ্ধতা
শুকরের মাংস খাওয়া নিষেধ অন্তত চারটি স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে ২:১৭৩, ৫:৩, ৬:১৪৫, এবং ১৬:১১৫।

সুরা বাকারায় বর্ণিত হয়েছে, ‘নিষিদ্ধ করা হলো তোমাদের জন্য (খাদ্য হিসেবে) মৃত জন্তুর মাংস, প্রবাহিত রক্ত, শুকরের মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে উৎসর্গ করা হয়।’

শুকর মাংস মারাত্মক রোগের কারণঃ
অন্যান্য অমুসলিম ও নাস্তিকরা হয়তো উপযুক্ত কারণ ও বিজ্ঞানের যুক্তি প্রমাণে মেনে নিতে পারে- শুকরের মাংস ভক্ষণ কমপক্ষে সত্তরটি রোগের উদ্ভব ঘটাতে পারে। প্রথমত, আক্রান্ত হতে পারে বিভিন্ন প্রকার ক্রিমির দ্বারা। যেমন বৃত্তাকার ক্রিমি, ক্ষুদ্র কাঁটাযুক্ত ক্রিমি এবং বক্র ক্রিমি। এর মধ্যে সবচাইতে ভয়ঙ্কর ও মারাত্মক হলো ‘টাইনিয়া সোলিয়াম’। সাধারণভাবে যেটাকে ফিতা ক্রিমি’ বলা হয়। এটা পেটের মধ্যে বেড়ে ওঠে এবং অনেক লম্বা হয়। এর ডিম রক্ত প্রবাহে প্রবেশ করে এবং দেহের প্রায় সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ঢুকে পড়তে পারে, যদি এটা মস্তিস্কে ঢোকে, তাহলে কারণ ঘটাতে পারে স্মৃতি ভ্রষ্ট হয়ে যাবার। হৃদ-যন্ত্রের মধ্যে ঢুকলে বন্ধ করে দিতে পারে হৃদযন্ত্রক্রিয়া। চোখে ঢুকলে অন্ধত্বের কারণ হয়, কলিজায় ঢুকলে সেখানে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি করে অর্থাৎ এটা শরীরের যে কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কর্মক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

এরপরও আছে আরো ভয়ঙ্কর ‘ত্রীচুরা টিচুরাসীস্থ।’ এ সম্পর্কে একটা সাধারণ ধারণা হলো ভালো করে রান্না করলে এর ডিম্ব মারা যায়। এর ওপরে আমেরিকায় গবেষণা চালানো হয়েছে। ফলাফল, ভালো করে রান্না করার পরও প্রতি ২৪ জনের ২২ জন এই ‘ত্রীচুরাসীস্থ’ দ্বারা আক্রান্ত। প্রমাণ হলো সাধারণ রান্নায় এ ডিম্ব ধ্বংস হয় না।

এতে চর্বি উৎপাদনের উপাদান প্রচুরঃ
শুকরের মাংসে পেশী তৈরির উপাদান অত্যন্ত নগণ্য পরিমাণ। পক্ষান্তরে চর্বি উৎপাদনের উপাদান প্রচুর। এ জাতীয় চর্বি বেশিরভাগ রক্ত নালীতে জমা হয়, যা কারণ ঘটায় হাইপার টেনশান এবং হার্ট এটাকের। অবাক হওয়ার কিছু নেই যে ৫০ ভাগ আমেরিকান হাইপার টেনশানের রুগী।

শুকর নোংরা ও পঙ্কিলতম প্রাণীঃ
এ প্রাণীটি বসবাস করতে সাচ্ছন্দ বোধ করে নিজেদের বিষ্ঠা, মানুষের মল ও ময়লাপূর্ণ জায়গায়। আল্লাহ তাআলা সমাজবদ্ধ সৃষ্টিকূলের ধাঙর, মেথর বা ময়লা পরিষ্কারক হিসাবেই বোধকরি এ প্রাণিটি সৃষ্টি করেছেন। আজ থেকে পঞ্চাশ কি ষাট বছর আগেও যখন সেনিটারি পায়খানা আবিষ্কৃত হয়নি তখন যে কোনো শহরের পায়খানার ধরণ ছিল, পেছন থেকে মেথর এসে তা ট্যাঙ্কি ভরে নিয়ে যেত এবং শহরের উপকণ্ঠে কোথাও ফেলতো। যা ছিল শুকরদের পরম আনন্দ নিবাস এবং শেষ পর্যন্ত সেগুলোই সব বিষ্ঠার রুপান্তর ঘটতো।

অনেকেই হয়তো এখন বিতর্কে নেমে পড়বেন উন্নত বিশ্বে এখন শুকরের পরিচ্ছন্ন খামার করা হয়েছে যেখানে ওগুলো লালিত পালিত হয়। তাদের এই অনেক উন্নত, স্বাস্থ্যকর খামারেও ওগুলো নোংরা। অত্যন্ত আনন্দের সাথেই ওরা ওদের নিজেদের ও সঙ্গিদের বিষ্ঠা নিয়ে ওদের চোখ নাক দিয়ে নাড়া চড়া করে আর উৎসবের খাদ্য হিসেবেই খায়।

নির্লজ্জ পশুঃ
ভু-পৃষ্ঠের ওপরে শুকর অশ্লীলতায় নির্লজ্জতম প্রাণী। একমাত্র পশু যেটা তার স্ত্রী-সঙ্গীর সাথে সংগম করার জন্য অন্যান্য পুরুষ-সঙ্গীদের ডেকে নেয়। আমেরিকার ও ইউরোপের অধিকাংস মানুষের প্রিয় খাদ্য শুকরের মাংস। খাদ্যভ্যাস আচরণে প্রকাশ পায়, বিজ্ঞানের এ সূত্রের জীবন্ত নমুনা ওরাই। ওদের প্রিয় সংস্কৃতি ডান্স পার্টিগুলোতে নেচে নেচে উত্তেজনায় উন্মত্ত হয় তখন একে অপরের সাথে বউ বদল করে। অনেকেই আবার জীবন্ত নীল ছবির স্বাদ দিতে জন্য স্ত্রীর সাথে মিলিত হতে বন্ধু-বান্ধব ডেকে নেয়। এসব প্রমাণ করে শুকরের মাংস মানুষকে নির্লজ্জতার দিকে ধাবিত করে।

আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৮টায় মাঠে গড়াবে আইপিএলের একাদশ আসর।

সন্ধ্যায় আইপিএলের পর্দা উঠছে।

দুইবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হবে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। ধোনির দলকে মোকাবিলার আগে অনুশীলনে বেশ ঘাম ঝড়িয়েছেন এ বছরই সানরাইজার্স হায়দরাবাদ থেকে মুম্বাইয়ে যোগ দেওয়া ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমান।

খেলা হবে মুম্বাইয়ের ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। ঘরের মাঠের দর্শক সমর্থন তাই পুরোটাই পাবে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস।

ম্যাচের আগের দিন ফ্লাড লাইটেও অনুশীলন করেছেন রোহিত শর্মা, মুস্তাফিজ, বুমরাহরা। মুম্বাই ইন্ডিয়ানস তাদের ফেসবুক পেজে অনুশীলনের ভিডিও এবং ছবি নিয়মিত আপলোড করে। ম্যাচের আগেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। তারকাদের অনুশীলনের কিছু অংশ তারা সরাসরি দেখিয়েছে।

তা ছাড়া বাংলাদেশের কাটার-মাস্টারকে পেয়ে একটু যেন বেশিই উচ্ছ্বসিত মনে হলো মুম্বাইকে। দলে পৌঁছানো থেকে শুরু করে নিয়মিত নিজেদের পেজে আপডেট দিয়ে যাচ্ছিল এই ক্রিকেটারকে নিয়ে। এমনকি মুস্তাফিজের ভাষাগত সমস্যার কারণে দোভাষী হিসেবে সাবেক ওপেনার নাফিস ইকবালকেও দেশ থেকে উড়িয়ে নিয়ে গেছে দলটি। বোঝাই যাচ্ছে, বাংলাদেশি তারকাকে মাঠের লড়াইয়ে দেখতে কতটা মুখিয়ে আছে মুম্বাই।

পিতাকে বাবা ডাকা কি ঠিক ?? ইসলাম কি বলে !! জেনে নিন বিস্তারিত ।।

নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

প্রশ্ন : আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা আমাদের যার যার পিতাকে আব্বা, বাবা ইত্যাদি বিভিন্ন নামে ডাকি। কিন্তু আমি শুনেছি, বাবা বলে ডাকা নাকি ঠিক না। হিন্দুরা নাকি বাবা বলে ডাকে। ইসলামের দৃষ্টিতে এটা কতটা যুক্তিসংগত?

উত্তর : এই শব্দগুলো ভাষাগত পার্থক্য ছাড়া আর কিছুই না। বাবা শব্দটি আরবি, উর্দু, ফার্সি, তুর্কি ও বাংলায় ব্যবহার হয়ে থাকে। এই শব্দটি পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এই দুটি শব্দ মনে হয় সারা পৃথিবীতে মিলে যায়, একটি হচ্ছে মা, আরেকটি হচ্ছে বাবা। এ দুই শব্দের ক্ষেত্রে প্রায় কাছাকাছি শব্দ ব্যবহার হয়ে থাকে।

বাবা শব্দটি বহুল প্রচলিত, যেহেতু আরবরা সবাই ব্যবহার করে। সুতরাং এটা হারাম বা নিষিদ্ধ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটি বিশেষ কোনো সম্প্রদায়ের শব্দও নয়। এটি একেবারে বৈধ শব্দ।

১৬ টি কুফরি বাক্য যা না জেনে আমরা নিয়মিত বলে থাকি, প্রত্যেক মুসলিমের জেনে রাখা উচিৎ…

১৬ টি কুফরি বাক্য যা আমরা নিয়মিত বলে থাকি, জেনে রাখা উচিৎ প্রত্যেক মুসলিমের!!- না জেনে বুঝে এসব সমাজে প্রচলিত বাক্য আমরা প্রায়ই বলে ফেলি , জেনে নিন সেগুলো …

১. আল্লাহর সাথে হিল্লাও লাগে।

২. তোর মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।

( ফুল চন্দন হিন্দুদের পুজা করার সামগ্রী)

৩. কস্ট করলে কেস্ট মেলে

( কেস্ট হিন্দু দেবির নাম, তাকে পাবার জণ্য কস্ট করছেন?)

৪. মহভারত কি অশুদ্ধ হয়ে গেল?

( মহাভারত একটি উপন্যাস, যা সবসময় অশুদ্ধ)

৫. মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।

( এটি ইসলামের নামে কটূক্তি করা)

৬. লক্ষী ছেলে, লক্ষী মেয়ে, লক্ষী স্ত্রী বলা।

( হিন্দুদের দেব-দেবির নাম লক্ষী তাই ইসলামে এটি হারাম)

৭. কোন ঔষধকে জীবন রক্ষকারী বলা।

( জন্ম- মৃত্য

একমাত্র আল্লাহর হাতে)

৮. দুনিয়াতে কাউকে শাহেনসা বলা।

৯. নির্মল চরিত্র বোঝাতে ধোয়া তুলশি পাতা বলা।

( এটি অনইসলামিক পরিভাষা যা হারাম)

১০. ইয়া খাজাবাবা, ইয়া গাঊস, ইয়া কুতুব ইত্যাদি বলা।

( এটি শির্ক, ইসলামের সবচেয়ে বড় পাপ)

১১. ইয়া আলি, ইয়া রাসুল (সাঃ) বলে ডাকা এবং সাহায্য প্রার্থনা করা (আল্লাহ ছাড়া পৃথীবির কাউকে ডাকা শির্ক)

১২. বিসমিল্লায় গলদ বলা।

( এটি সরাসরি কুফরি)

১৩. মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়া বলা।

( কুফরি বাক্য, সাবধান। )

১৪. মধ্যযুগি বর্বরতা বলা।

( মধ্যযুগ ইসলামের সর্ণযুগ)

১৫. মন ঠিক থাকলে পর্দা লাগে না।

( ইসলাম ধংসকারী মতবাদ)

১৬. নামাজ না পড়লে ঈমান ঠিক আছে বলা।

( ইসলাম থেকে বের করার মূলনিতী। )

এই গুলি অজ্ঞতার কারনে হয়ে থাকে। হে মুসলিম উম্মাহ আসুন আমরা নিজে অতপর নিজের পরিবারকে সচেতন করি, তাদের মাঝে এই গুলি প্রচার করি, আর কত দিন এই অজ্ঞতায় পড়ে থাকবো?

আসুন না একজন আরেকজন কে সচেতন করার জন্য উৎসাহ দেই,

এই বাক্য গুলি আপনি যে কোন ভাবে প্রচার করুন।

ইসলাম কি বলে ? ঘুষের টাকায় চাকুরীর, আয় হালাল নাকি হারাম হবে ??

আমরা অনেকেই চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ ব্যবহার করে থাকি। তবে ঘুষের টাকায় হওয়া চাকরির প্রাপ্ত বেতন আমাদের জন্য আদৌও হালাল না হারাম তা নিয়ে অকনেকেই সংশয়ে থাকি। আসুন জেনে নেই ঘুষের টাকায় চাকরির বেতন আপনার জন্য কতটুকু কার্যকরী। ঘুষের টাকার চাকরি, আয় হালাল নাকি হারাম?

প্রথমত ঘুষ দেওয়াটাই হারাম। ঘুষ দেওয়ার পর আপনি যে চাকরিটা নিয়েছেন সেখানে দুইটি বিষয় হতে পারে। একটা হচ্ছে চাকরিটা পাওয়ার জন্য আপনি যোগ্য ছিলেন, কিন্তু ঘুষ না দেওয়ার জন্য চাকরিটা হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ঘুষ দিয়ে চাকরি পেলে আপনার চাকরিটা জায়েজ হবে। কিন্তু ঘুষ দেওয়াটা নাজায়েজ হবে। আবার চাকরির জন্য যোগ্য না হওয়ার পরও যদি ঘুষ দিয়ে চাকরি নেন, তাহলে পুরো জীবনে যা উপার্জন করেছেন তার সবটাই হারাম হবে।

‘রেস থ্রি’-তে ভিলেনরূপে দেখা যাবে সালমান খানকে !!

প্রায় ত্রিশ বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে সালমান ইতিবাচক চরিত্রে পর্দায় হাজির হয়েছেন। কখনো তাকে ভিলেনরূপে দেখা যায়নি। অনেক সাক্ষাৎকারে সালমান জানিয়েছিলেন, তিনি কখনো ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করবেন না। নায়কের চরিত্রই তার বেশি পছন্দ।

কিন্তু এবার খল চরিত্রে দেখা যাবে মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর সালমান খানকে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।

সালমান খানের পরবর্তী সিনেমা ‘রেস থ্রি’। রেমো ডেসুজা পরিচালিত এ সিনমোয় খল চরিত্রে অভিনয় করছেন সালমান। তবে বিশেষ একটি শর্তে নাকি এমন চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হয়েছেন তিনি। তথাকথিত খলনায়করা সিনেমায় যে সব ‘ভিলেনসূলভ’ কাজকর্ম করে থাকেন, তার কিছুই করতে হবে না বলিউডের এই ভাইজানকে। সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এ তথ্য জানিয়েছে।

‘রেস থ্রি’ সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘‘অভিনয় ক্যারিয়ারের এত বছর যখন খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হচ্ছিলেন না সালমান তখন রেস থ্রি-এর জন্য রাজি হলেন তিনি। তবে তিনি ‘সাইকোলজিক্যাল’ ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হয়েছেন। ভিলেন মানেই নায়ককে অহেতুক ভয় দেখানো, নায়িকার পেছনে তাড়া করা আর বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে মদ্যপান, এসবে আগেই বিরক্ত সালমান। তিনি রুপালি পর্দায় পরিকল্পনা মাফিক কুকর্ম করতে রাজি হয়েছেন। যে প্ল্যানের পরতে পরতে রহস্য থাকবে। এমন খলনায়কের চরিত্র নিয়ে হাজির হবেন সালমান খান।’

ইতোমধ্যে সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়েছে। সালমান খান ফিল্মস ও টিপস ফিল্মস যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করছে। আগামী ১৫ জুন সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে।

এই সেই স্থান, যেখানে দাঁড়িয়ে দীনের নবী (সা.) অঝরে কেঁদেছিলেন….!!

দীনের নবী – আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) দীন প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনে অনেক কষ্ট করে গেছেন। তবে নবীজী (সা.) এর জীবনে এমন একটা দিন এসেছিল যেদিন আমাদের দীনের নবী (সা.) অঝরে কেঁদেছিলেন।

মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, একদিন মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে রাসুলের (সা.) কান্না দেখে নির্বাক হয়ে পড়েছিলেন সাহাবায়ে কেরাম, রাসুলের কান্নায় তারাও কেঁদেছিলেন সেদিন।আর কোনোদিন কোথাও তাকে এভাবে কেউ কাঁদতে দেখেনি, মায়ের জন্য আপ্লুত হয়ে তিনি যেভাবে কেঁদেছিলেন।(মুসলিম, মুসনাদে আহমদ) মায়ের প্রতি রাসুলের ভালোবাসা ও সদাচারের জন্য রাসুল (সা.) এর তাগিদ দেখে সাহাবায়ে কেরামও নিজেদের মায়ের প্রতি ছিলেন পরম বিনয়ী ও সদাচারী।

রাসুল (সা.) বলেছেন, মা বাবার প্রতি ভালো ব্যবহারের শেষ সীমানা হল, তাদের যারা বন্ধুবান্ধব ছিলেন, তাদেরও সম্মান করা, ভালোবাসা ও দয়া করা। (মুসলিম) অন্যত্র আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণিত, বাবার সম্মানের চেয়ে মায়ের সম্মান ও শ্রদ্ধা তিনগুণ বেশি।

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) যখনই কোথাও যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হতেন, ডাক দিয়ে বলতেন, ‘মা আমার! তোমরা জন্য সালাম! আল্লাহ পাক তোমাকে রহমত দিয়ে ঘিরে রাখুন যেভাবে তুমি আমাকে ছোটবেলায় লালন পালন করেছিলে।’

তার মা তখন সাড়া দিয়ে বলতেন, ‘ছেলে আমার! আল্লাহ তোমাকেও রহমত দান করুন যেভাবে তুমি আমাকে এই বুড়ো বয়সে সেবাযত্ন করছো।’ (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

মাথাবিচ্ছিন্ন একটি মোরগ ৭ দিন ধরে বেঁচে আছে। (ভিডিও ভাইরাল)

থাইল্যান্ডের রচাবুরি প্রদেশের মিয়াউয়াং রাচাবুরি জেলার অদ্ভুত এ ঘটনাটি এখন সামাজিক মাধ্যমে তোলাপাড় তৈরি করেছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর মতে, মাথাবিচ্ছিন্ন একটি মোরগ ৭ দিন ধরে বেঁচে আছে।

ওই এলাকার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের ভিক্ষুরা মোরগটির দেখভাল করছেন- এমন ভিডিও ক্লিপ এখন ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যায়, মোরগটিকে সিরিঞ্জ দিয়ে খাবার দেওয়া হচ্ছে। লাখ পাঁচেকবার দেখা হয়ে গেছে এই ভিডিও এ পর্যন্ত।

থাই মিডিয়ার খবরে জানা গেছে, মোরগটিকে যেখানে পাওয়া যায়, পরে সেই স্থানের সবচেয়ে কাছের প্যাগোডার ভিক্ষুরা প্রাণীটিকে নিজেদের আশ্রয়ে নেন। এখন দেখভাল তারাই করছেন।

নোপ্পোঙ্গ থিট্টানো নামের এক ইউজার সামাজিক মাধ্যমে প্রথমে মোরগটির বিষয়ে খবর জানান। এরপর স্থানীয় পশুচিকিৎসক বোরাকরন শ্রীরোজ লোকজনের কাছ থেকে চাঁদা তুলে মোরগটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সুপাকারি অরুণ থাংগ নামের অপর চিকিৎসক প্রথম মোরগটিকে খাবার খাওয়ান সিরিঞ্জ দিয়ে। তিনি একই কায়দায় অ্যান্টিবায়োটিকও দেন মোরগটিকে। মুণ্ডুহীন মোরগের সেবক এই নারী চিকিৎসক বলেন, এর আয়ু বাকি ছিল। সে বাঁচতে চেয়েছে আর আমরা তাকে খাওয়া-দাওয়া দিয়েছি আর দেখভাল করেছি।

তাদের মতে, এই মোরগটি হচ্ছে একজন সাচ্চা যোদ্ধা। প্রাণীটির অমন হাল কী করে হলো তা নিশ্চিত করা না গলেওে স্থানীয়রা মনে করছেন অন্য কোনো পাখি বা প্রাণীর প্রাণঘাতী হামলা থেকে কোনোমতে বেঁচে যায় সে। ভিডিওতে দেখা যায়, মোরগটির মাথার একটি অংশ ছিঁড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হতে পারে এর মাথা তথা মস্তিষ্কের একটি অংশ শরীরের সঙ্গে রয়ে গেছে অর্থাৎ গলার ওপরে থাকা অংশের সঙ্গে আছে।

ইউটিউব ভিডিও দেখুন

পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খানের ধূমপানের ভিডিও আবারো ভাইরাল.!! (ভিডিও সহ )

২০১৭ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল রণবীর কাপুর ও মাহিরার একসঙ্গে ধূমপান করার ছবি। এ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। মাহিরার ধূমপান ও তাঁর ধর্ম নিয়ে তখন অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। প্রথমে সমালোচনার তীব্র জবাব দিলেও পরে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন মাহিরা।

তবে ক্ষমা চাইলেও আবার ধূমপান করে ভাইরাল হয়েছেন তিনি। ডেকান ক্রনিকেলসের খবরে প্রকাশ, গতবার ছবি ছড়িয়ে পড়লেও এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে মাহিরার ধূমপানের ভিডিও। নিজের আসন্ন পাকিস্তানি ছবি ‘ভেরনা’র প্রচারে লন্ডনে গিয়েছিলেন ‘রইস’খ্যাত এই তারকা। প্রচার শেষে লন্ডনে একটি নাচের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখানে জনপ্রিয় গানের তালে নাচ পরিবেশন করতে দেখা যায় তাঁকে। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার সামনেই ধূমপান করেন তিনি। তাঁর ব্যক্তিগত ম্যানেজার সবার সামনে ধূমপান করতে নিষেধ করলেও তা শোনেননি মাহিরা। বেশ হাসিখুশি ও সহজ ঢঙে ধূমপান চালিয়ে যান তিনি। তবে তিনি ভাবতেও পারেননি, আবারও এই ধূমপান ভাইরাল হবে।

এদিকে মাহিরার ধূমপানের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই উঠেছে প্রশ্নের ঝড়। গতবারের মতো এবারও সবার সম্মুখে মাহিরার ধূমপান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তবে এবার ইতিবাচক কিছু মন্তব্যও পেয়েছেন মাহিরা। সামাজিক মাধ্যমে মাহিরার অনেকে ভক্ত পাল্টা প্রশ্ন ছুড়েছেন, পুরুষেরা যদি সবার সম্মুখে ধূমপান করতে পারেন, তাহলে মাহিরা কেন পারবেন না?

দেখুন ভিডিও