রিলিজ হলো ‘বাঘি ২’ ছবির প্রথম গান । প্রথম গানেই বাজিমাত (ভিডিও)

টাইগার শ্রফ আর দিশা পাটানির এই ছবিটির প্রথম গান ‘মুন্দিয়া’। যা ধারণা করা হয়েছিল, তা-ই। বিখ্যাত ভারতীয় ভাঙড়া গায়ক, গীতিকার ও কম্পোজার লাভ জানজুয়ার সুপারহিট ভাঙড়া নাম্বার ‘মুন্দিয়া তো বাচ কে’র রি-মিক্স এটা। দেশি পার্টি নাম্বার এর মতো করে করা হয়েছে এই মুম্বাইয়া কম্পোজিশনটি।

গানটি নতুন করে লেখা হয়েছে। নতুন কথা সাজিয়েছেন গিনি দিওয়ান আর রি-কম্পোজ করেছেন সন্দ্বীপ শিরোদকার। কোরিওগ্রাফি করেছেন রাহুল শেট্টি। দারুণ এই পার্টি নাম্বারটি সবার ভালো লাগবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট সবাই।

পোস্টার আর টিজার-ট্রেলারেই অর্ধেক বাজিমাত। এবার রিলিজ হলো ছবিটির প্রথম গান। আর তাতেই পুরো বাজিমাত।

দেখুন গান টি ভিডিও তে

সূত্র : ডিএনএ

এ কেমন দরজা !! কাছে গেলে ১ মিনিটেই মৃত্যু অবধারিত !!

দুনিয়াতে অনেক রহস্যময় স্থান রয়েছে।

এমনই একটি জায়গা হলো- গ্রিসের এক প্রাচীন নিদর্শন। জায়গাটি দর্শনীয় তো বটেই। তবে তার বেশি কাছে গেলেই ভয়ানক বিপদ। কেননা, মৃত্যুর দুয়ারে টেনে নিয়ে যায় মানুষকে। বহু বছর ধরে তাই এই জায়গার ধারে-কাছেও যায় না কেউ। অবশেষে সেই রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

এই জায়গাটি ‘Hades’ Gate’ নামে পরিচিত। বর্তমানে এটি তুরস্কের ওয়েস্টার্ন ডেনিজিল প্রদেশে অবস্থিত। জানা গেছে, এটির ধারে-কাছে যেকোনো মানুষ থেকে পশুপাখি যেই যাক তার মৃত্যু হয়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, এটা শুধু গল্পকথা নয়। এটা আসলেই সত্যি।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা প্রত্নতত্ত্বের উপর লেখা একটি জার্নালে জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে সমানে বিপুল পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হচ্ছে। আজও পর্যন্ত একইভাবেই বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত গ্যাস। আর তাই সেখানে গেলেই মৃত্যু অবধারিত।

তবে কোনদিকে সূর্য উঠছে আর কোনদিকে হাওয়া বইছে, তার উপর নির্ভর করে কোনদিক থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের হবে। এখানে রাতে এতো বেশি পরিমাণ গ্যাস বের হয় যে, এক মিনিটের মধ্যে মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

প্রাচীন গল্পকথা শোনা যায়, এই জায়গায় বহু মানুষ, পশু, পাখির মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দুটি অলৌকিক ঘটনা ।।

আল্লাহ তার প্রেরিত নবী রসুলদের পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন মানুষকে হেদায়েত করার জন্য। মানুষ যাতে নবী রসুলদের প্রতি আস্থা স্থাপন করে সে জন্য তাদের আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন কিছু ক্ষমতা দান করা হয় যা অলৌকিক ক্ষমতা বলে বিবেচিত।
আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও ছিলেন এমনই অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী।

নবী (সা.)-এর অন্যতম অলৌকিক ঘটনা ‘রদ্দে শামস’ হলো অস্তমিত সূর্যকে ফিরিয়ে আনয়ন করা। হজরত আসমা বিনতে ওমায়স (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, একদা নবী করিম (সা.) খায়বারের কাছে ‘সাহবা’ নামক স্থানে ছিলেন। তার মাথা মোবারক হজরত আলী (রা.) কোলে রেখে বিশ্রাম করছিলেন। হজরত আলী (রা.) কিন্তু আসরের নামাজ আদায় করেননি। এমতাবস্থায় ওহি নাজিল শুরু হলো। শেষ পর্যন্ত সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল। নবীজি (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমরা কি আসরের নামাজ আদায় করেছ?’ হজরত আলী (রা.) বললেন, ‘না’। তখনই রসুলুল্লাহ (সা.) হস্ত উত্তোলন করে দোয়া করলেন, ‘হে আল্লাহ! আলী আপনার রসুলের অনুগত ছিল, সূর্য ফিরিয়ে দিন, যাতে সে আসরের নামাজ সঠিক ওয়াক্তে আদায় করতে পারে। ’ হজরত আসমা বিনতে মায়স (রা.) বলেন, ‘অস্তমিত সূর্য পুনরায় দিগন্তে দৃশ্যমান হলো’। ইমাম তাহাবি (রহ.) বলেন, ‘হাদিসটি বিশুদ্ধ। হাদিসের সব বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। ’ শায়খ জালাল উদ্দীন সুয়ুতী (রহ.) উল্লিখিত হাদিসটি সম্পর্কে ‘কাশফুল লাবস আন হাদিসে রদ্দে শামস’ নামে একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা রচনা করেছেন। ওই পুস্তিকায় হাদিসের সনদ নিয়ে আলোচনা করে হাদিসের বিশুদ্ধতা প্রমাণ করেছেন।

মহানবী (সা.) মিরাজ থেকে প্রত্যাবর্তন করে কুরাইশদের সম্মুখে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ এবং স্বীয় ভ্রমণকাহিনী ও মিরাজের ঘটনা বর্ণনা করেছিলেন। কুরাইশরা ঘটনার সত্যতা যাচাই করার জন্য বায়তুল মোকাদ্দাসের বিভিন্ন নিদর্শন সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিল এবং বাণিজ্য উপলক্ষে সিরিয়ার দিকে যে কাফেলা গমন করেছিল, তারা কখন মক্কায় প্রত্যাবর্তন করবে, তা জানতে চেয়েছিল।

মহানবী (সা.) উত্তর দিয়েছিলেন, ‘তারা বুধবার মক্কায় পৌঁছবে। ’ বুধবার আস্তে আস্তে অতিক্রান্ত হতে চলল, দিবসের পড়ন্ত বেলাও অতিক্রম হতে চলল। এমনকি সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার নিদর্শন পরিলক্ষিত হতে লাগল কিন্তু কাফেলা মক্কায় পৌঁছেনি। তাই মক্কার কাফিরকুল তার নবুয়তের সত্যতা সম্পর্কে সমালোচনা করতে শুরু করে দিল। এমতাবস্থায় রসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করলেন, আল্লাহপাক সূর্যের গতিরোধ করলেন। কাফেলা মক্কায় প্রবেশ করা পর্যন্ত সূর্য থেমে ছিল।
লেখক: ইসলামী গবেষক। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হয়ে যাবে ফোন।।

প্রযুক্তি মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে করেছে সহজ থেকেও সহজতর ও গতিশীল। তারপরও থেমে নেই নিত্য নতুন আবিষ্কারের সন্ধানে চলছে অব্যাহত প্রচেষ্টা। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন এমন এক যন্ত্র, যা মানুযের চলাফেরার শক্তিকে বিদ্যুতে রুপান্তরিত করে।

বলতে পারেন, চার্জার-পাওয়ার ব্যাংকের দিন শেষ। এবার থেকে জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হয়ে যাবে ফোন। অনেক সময় এমন হয় যে, বাইরে বেরোনোর সময়েই ফোনে চার্জ থাকে না। সেই রকম পরিস্থিতির জন্যই এমন উদ্ভাবন।

জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক টম ক্রুপেনকিন এই বিষয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, মানুষের চলাফেরার সময় যে শক্তির উৎপাদিত হয়, তা থেকে দেহজাত তাপ উৎপন্ন হয়। সেই তাপকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎও উপাদন করা যায়। এই গবেষণায় তাঁর সহকারী ছিলেন জে অ্যাশলি টেলর।

নানা পরীক্ষা করার পর অবশেষে তিনি এক ধরনের জুতা আবিষ্কার করেন, যা পরে হাঁটলে বিদ্যৎ তৈরি হবে। সেই বিদ্যুৎকে কাজে লাগিয়ে মোবাইলে ল্যাপটপ ইত্যাদি চার্জ দেওয়া যাবে। শক্তি-উৎপাদক এই জুতা সামরিক বাহিনীতে বিশেষ উপযোগী। কারণ, জুতার তলায় এই যন্ত্রকে লাগিয়ে সহজেই সৈন্যরা ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে বহন করতে পারবেন, তাঁদের রেডিও, নাইট ভিশন গগ্‌লস ইত্যাদিকে রিচার্জ করতে পারবেন।

এক সাক্ষাৎকারে টম জানিয়েছেন যে, এই যান্ত্রিক জুতা পরে চলাফেরা করলে প্রতিটি জুতোয় প্রায় ১০ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ দু’টি জুতা একত্রে প্রায় ২০ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, যা মোবাইল চার্জ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

এই বিষয়ে টম আরও বলেছেন যে, এই বিশেষ জুতার সোলে একটি শক্তি উৎপাদক যন্ত্র এবং ব্যাটারি-সহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক উপাদান রয়েছে। এছাড়াও আছে দু’টি প্লেটও, যারা এক ধরনের তরলের মাধ্যমে পরস্পরের থেকে পৃথক থাকে। নিচের প্লেটে অসংখ্য ছিদ্র থাকে যা মানুষের হাঁটার সময় এক ধরনের চাপের সৃষ্টি করে। যার জন্য মানুষের শরীর থেকে উৎপন্ন তাপশক্তি বিদ্যুতে রূপান্তরিত হয়।

সম্প্রতি ‘ইনস্টেপ ন্যানোপাওয়ার’ নামে এক কোম্পানিও চালু করেছেন টম এবং টেলর, যার মাধ্যমে এই প্রযুক্তিকে সারা বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিতে চান তাঁরা।