পিএসজির জয়ের দিনে নেইমারের ইনজুরি…।।

নিজেদের মাটিতে লিগ ওয়ানের অন্যতম শক্ত প্রতিপক্ষ মার্সেইকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে পিএসজি। এই জয়ের ফলে শিরোপা পুনরুদ্ধারের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল ক্লাবটি। গত অক্টোবরে মার্সেইয়ের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছিল নেইমারের ক্লাবটি। কিন্তু ঘরের মাঠে তাদের কোনো সুযোগই দেয়নি লিগ শিরোপার অন্যতম দাবিদার পিএসজি। ক্লাবের সেরা খেলোয়াড় নেইমারের ইনজুরির কারণে শেষ দিকে ১০ জন নিয়ে খেললেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি মার্সেই।

মাঠে ম্যাচ গড়ানোর ১০ মিনিটেই ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে বাঁ পায়ের শটে গোলপোস্টের কাছ থেকেই লক্ষ্যভেদ করেন।

ম্যাচের ২৭ মিনিটে আত্মঘাতী গোল হজম করতে হয় মার্সেইকে। এডিনসন কাভানির উদ্দেশে নেইমারের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে গোলপোস্টের দিকে বল ঠেলে দেন পর্তুগিজ ডিফেন্ডার রোলান্ডো।

দ্বিতীয়ার্ধের দশম মিনিটে কাভানির গোলে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির। নেইমারের অ্যাসিস্টে ডান পায়ের জোরালো শটে কোনাকুনি বল জালে পাঠান এই উরুগুয়ের স্ট্রাইকার। এবারের লিগে এই নিয়ে সর্বোচ্চ ২৪ গোল করেন কাভানি। নেইমারের অ্যাসিস্ট বেড়ে দাঁড়ায় ১৩।

ম্যাচের ৭৭ মিনিটে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়ার সময় পায়ে চোট পান বিশ্বের দামি খেলোয়াড় নেইমার।

মাঠে কিছুক্ষণ চিকিৎসা নেওয়ার পর স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় এই ব্রাজিলিয়ান তারকাকে।

আগেই তিনজন খেলোয়াড় বদলি করায় ম্যাচের বাকি সময় ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় পিএসজিকে। তাতে অবশ্য মার্সেই কোনো সুবিধা পায়নি। ম্যাচের বাকি সময় কোনো গোল না হলে ৩-০ গোলে জিতে মাঠ ছাড়ে উনাই এমেরির দল।

পৃথিবীতে মোট ধর্মের সংখ্যা কত ?? জেনে নিন !!

কখনও কি আপনার মনে প্রশ্ন জেগেছে পৃথিবীতে মোট ধর্মের সংখ্যা কত? জিজ্ঞাসা করা হলে কয়টি ধর্মের নামই বা আপনি বলতে পারবেন? পাঁচটা কিংবা দশটা ধর্মের নাম গড়গড় করে বলতে পারে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম।

একটি পরিসংখ্যানে জানা যায়, বিশ্বে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীর সংখ্যার দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে খ্রীস্টান ধর্ম। ২০১৩ সনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী পৃথিবীর সাত’শ কোটি মানুষের মধ্যে খ্রীস্টান ধর্ম অনুসারী ৩৩%। সে হিসেবে সারা বিশ্বে খ্রীস্টান ধর্মালম্বীদের সংখ্যা প্রায় ২০০ কোটি।

এর পরের অবস্থান ইসলাম ধর্মের। বিশ্বজুড়ে মুসলমানের সংখ্যা প্রায় ১৫০ কোটি। সাত’শ কোটি মানুষের মধ্যে মুসলমান তথা ইসলাম ধর্মের অনুসারী হচ্ছে ২১ শতাংশ। পৃথিবীতে দ্রুত সম্প্রসারমান ধর্মের মধ্যে ইসলাম ধর্ম এক নম্বরে। ধারনা করা হচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে ইসলাম ধর্ম পৃথিবীতে প্রথম স্থানে উঠে আসবে।

ধর্মের দিক থেকে তৃতীয় অবস্থান হিন্দু ধর্মের। এর অনুসারীর সংখ্যা ৯০ কোটি। শতাংশের হিসাবে হিন্দু ধর্ম অনুসারী পৃথিবীতে ১৪%। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, নাস্তিক, অধর্মীয় বা ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের সংখ্যা কিন্তু পৃথিবীতে কম নয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী এদের সংখ্যা প্রায় ১১০ কোটি। শতাংশ হিসাব করলে প্রায় ১৬ শতাংশ মানুষ।

এছাড়া পৃথিবীতে চীনা ঐতিহ্যগত ধর্মের অনুসারী ৩৯ কোটি ৪০ লাখ, বৌদ্ধ ধর্মালম্বী ৩৭ কোটি ৬০ লাখ এবং আদিম আদিবাসী ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা ৩০ কোটি।

জামিন পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপরসন খালেদা জিয়া ..।।

কারাগারে থাকা বিএনপির চেয়ারপরসন খালেদা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত জামিন পেয়েছেন। সোমবার রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

আজ (সোমবার) এ মামলায় খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা সংক্রান্ত আদেশ দেওয়ার কথা ছিল। তবে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের জামিন বাড়ানোর আবেদনের পর বিচারক এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে ১৩ ও ১৪ মার্চ এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন আদালত।

বিচারক বলেন, অন্য মামলায় (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি) খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন। এর আগে (১৩ মার্চ) জামিনে বের হলে আদালতে হাজির হতে আর আদেশ দিতে হবে না। আর জামিন না পেলে ১৩ তারিখে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে।

বডি স্প্রে ব্যবহার করলে নামাজ হবে কি ?? ইসলাম কি বলছে…!!!

আধুনিক যুগে আতর ব্যবহার না করে অনেকেই পারফিউম বা বডি স্প্রে ব্যবহার করে। তরুণদের মাঝে এই প্রবণতাটা অনেক বেশি। তবে প্রশ্ন হলো এই বডি স্প্রে ব্যবহার করে নামাজ সহীহ হবে কিনা।আসলে আল-কোরআন কিংবা হাদীসের কোথাও বডি স্প্রের কথা উল্লেখ নেই। তবে বলা আছে

নাপাক অবস্থায় নামাজ হবে না। অর্থ্যাৎ পাক-পবিত্র হয়ে নামাজ আদায় করতে বলার নির্দেষনা আছে।

আসলে বর্তমান বাজারগুলোতে যেসব পারফিউম বা বডি স্প্রে পাওয়া যায় এগুলোর অধিকাংশটির মধ্যেই রয়েছে অ্যালকোহল। তবে অ্যালকোহলমুক্ত পারফিউমও পাওয়া যায়। তাই পারফিউম বা স্প্রে ব্যবহার করতে চাইলে এ্যালকোহলমুক্তগুলোই খরিদ করতে হবে।

কারণ এ্যালকোহলযুক্ত স্প্রে ব্যবহার করা অনুত্তম। কারণ মুসলমানদের মদ খাওয়া হারাম। আর মদে যেহেতু অ্যালকোহলের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই অ্যালকোহলযু্ক্ত স্প্রে ব্যবহার করে নামাজ আদায় না করায় উত্তম।

নামাজে কাতার সোজা রাখার গুরুত্ব অনেক !! জেনে নিন বিস্তারিত…।।

নামাজ এমন একটি ফরজ ইবাদত, যা দিনে পাঁচবার মুসলমানদের পরস্পরে একত্রিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়। নামাজ পরস্পরের মাঝে সৌহার্দ সৃষ্টি করে একে অন্যের কাছাকাছি আনে। নামাজ সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করে থাকে। নামাজে ধনী-গরিবের মাঝে কোনো ব্যবধান থাকে না। নামাজের বিশেষ শিক্ষা হলো একতা, শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ববোধ। নামাজে যাবতীয় কল্যাণ নিহিত রয়েছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সান্নিধ্যে আসার বড় নেয়ামত। হাশরের ময়দানে শেষ বিচারের দিন প্রথম নামাজের হিসাব নেয়া হবে। যার নামাজ শুদ্ধভাবে কবুল হবে, তার অন্যান্য আমলনামা অনেক সহজ হয়ে যাবে। কোরআনের বহু আয়াতে নামাজের গুরুত্বের কথা বলা হয়েছে।

বিশেষ করে জামাতে নামাজ পড়ার ব্যাপারে আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.) বিশেষ ফজিলতের কথা বলেছেন। মুসলমান কোনো বিপদে পড়লে, কোনো শুকরিয়া আদায় করলে নামাজের মাধ্যমই করে থাকে। নামাজ সব ধরনের পাপ কাজ থেকেও বিরত রাখে মোমিন বান্দাকে। তাই নামাজ কেন, সর্বাগ্রে এটা আমাদের বুঝতে হবে। জানতে হবে নামাজের বিধান ও নামাজে কাতার সোজা করে দাঁড়ানোর তাৎপর্য। নামাজের কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানো, কাতারের মাঝখানে ফাঁকা না রাখাÑ এসব নামাজের অন্যতম সৌন্দর্য। ধনী-গরিব, রাজা-প্রজা সবাই এক কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজে দাঁড়াবে। নামাজে কাতারের প্রতি উদাসীন হলে নামাজ পূর্ণ হবে না। তাই মসজিদে যখন জামাতের সময় হয়, তখন ইমাম প্রথমেই কাতার ঠিক করার ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করেন।

সমাজের অনেক লোক আছেন, তারা গুরুত্ব দিয়ে নামাজ আদায় করেন ঠিকই; কিন্তু নামাজের কাতার সোজা হলো-না বাঁকা হলো, সেদিকে লক্ষ করেন না। তারা মনে করেন, মসজিদে তো অনেক জায়গাই রয়েছে, তাই একটু ফাঁকা হয়ে দাঁড়ালে ক্ষতি কী? এ মনোভাব ইসলামসম্মত নয়। হাদিসে এভাবে নামাজে দাঁড়ানোকে নিষেধ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে হাদিসে এরশাদ হচ্ছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কাতার সোজা করো, কাঁধের সঙ্গে কাঁধ বরাবর করো, ফাঁক বন্ধ করো, শয়তানের জন্য কোনো ফাঁক রাখবে না। যে ব্যক্তি কাতারের সংযোগ স্থাপন করে আল্লাহ তার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেন। আর যে কাতার ছিন্ন করে, আল্লাহ তার সঙ্গে সংযোগ ছিন্ন করেন।’ (আবু দাউদ)।

আমাদের দেশে সাধারণ নিয়ম অনুসারে ইমাম একামত হওয়ার পর বলেন, ‘কাতারের মাঝখানে ফাঁকা রাখবেন না, কাছাকাছি দাঁড়ান, কাতার সোজা করে দাঁড়ান।’ তারপর আল্লাহু আকবর বলে নামাজ শুরু করে থাকেন। নামাজের জন্য ইমাম আমাদের অনুকরণীয়, ইমামের কথা অবশ্যপালনীয়। আমরা কি মানি? কাতারে সোজা হয়ে দাঁড়াই না। তাই আমাদের মধ্যে একতা নেই, সম্প্রীতি নেই, ভালোবাসা নেই।

নামাজের কাতার সোজা করা জামাতের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এ বিধানকে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, নামাজের কাতারের মাঝে ফাঁকা থাকার কারণে মুসলমানদের মাঝে বিভেদ ও অনৈক্যের সৃষ্টি হয়। কাতারে ফাঁকা থাকলে সেখানে শয়তান অনুপ্রবেশ করে আমাদের নামাজ ও ঐক্যে ফাটল ধরায়। ফলে আমরা নামাজের প্রকৃত শিক্ষা ও সামাজিক উপকারিতা থেকে বঞ্চিত হই, যা মোটেও কাম্য নয়।

আমাদের সমাজে এবং বিশ্বে মুসলিম জাতির মাঝে যে বিভেদ-দ্বন্দ্ব, ধনী-গরিবের যে বৈষম্য সবকিছুই দূর হয়ে যাবে নিয়মিত জামাতের সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে।

কোচ বরখাস্ত করলে পিএসজি ছাড়বেন নেইমার ।।

স্প্যানিশ সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ডন ব্যালন এই তথ্য দিয়েছে। ম্যাগাজিনটি তাদের এক প্রতিবেদনে দাবি করে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালের কাছে হারার পর নেইমার আল-খেলাফিকে বলেছেন এমেরিকে যেন কম চাপ দেয়া হয়।

বর্তমান কোচ উনাই এমেরিকে বরখাস্ত করে লুইস এনরিকেকে দায়িত্ব দেয়া হলে পিএসজি ছাড়বেন নেইমার। দলের মালিক নাসের আল-খেলাফিকে এমন ‘সতর্কবার্তা’ দিয়েছেন তিনি।

পিএসজি লিগ-১ এ ১২ পয়েন্টের ব্যবধানে শীর্ষে অবস্থান করছে। ফ্রেঞ্চ কাপেরও কোয়ার্টার ফাইনালে তারা। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে রিয়ালের কাছে ৩-১ গোলে হেরে গেছে। এরপরই মূলত পিএসজিতে এমেরির ভবিষ্যৎ শঙ্কায় পড়েছে।

শোনা যাচ্ছে, এমেরির পরিবর্তে বার্সার সাবেক কোচ লুইস এনরিকেকে আনতে চাচ্ছে পিএসজি। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না নেইমার। নেইমারকে দলে ভেড়াতে রিয়াল মাদ্রিদ বেশ তোড়জোড় চালাচ্ছে। ব্রাজিলিয়ান তারকা এখনো মুখ ফুটে প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কিছুই বলেননি।

রেকর্ড দামে পিএসজিতে যাওয়ার পর কাভানির সঙ্গে নেইমারের মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়। সেই সময়ে এমেরি নেইমারকে বেশ সমর্থন করেন।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অভিনেত্রী শ্রীদেবীর আকস্মিক মৃত্যু…!!

গতকাল শনিবার দুবাইতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন তিনি। মাত্র ৫৪ বছর বয়সে এই মেধাবী অভিনেত্রীর মৃত্যু এখনও পর্যন্ত বিশ্বাস করতে পারছেন না তার অগণিত ভক্ত দর্শক থেকে শুরু করে তার কাছের তারকারাও। আর তাই শ্রীদেবীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলিউডে।

শ্রীদেবীর মৃত্যুর সংবাদটি গণমাধ্যমে জানিয়েছেন তার স্বামীর ছোট ভাই সঞ্জয় কাপুর। মৃত্যুর সময় এই নায়িকার পাশে ছিলেন তার স্বামী বনি কাপুর এবং ছোট মেয়ে খুশি কাপুর। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে সঞ্জয় কাপুর জানান, ‘হ্যাঁ এটি সত্যি যে আমরা শ্রীদেবীকে হারিয়েছি। আমি মাত্র এখানে এসে পৌঁছেছি। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রাত ১১টা থেকে ১১.৩০ এর মধ্যে। এইটুকু ছাড়া আমার কাছে আর কোন তথ্য দেওয়ার মতো নেই।’

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সূত্র থেকে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় স্বামী বনি কাপুর ও ছোট মেয়ে খুশি কাপুরকে সঙ্গে নিয়ে দুবাইতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বলিউড ডিভা। হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেখানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার। রীতেশ দেশমুখ, রাজ কুন্দ্রা, সুস্মিতা সেন সহ আরও অনেকেই টুইটারে শোকপ্রকাশ করেছেন শ্রীদেবীর অকাল প্রয়াণে।

সালাতুল তাসবীহ পড়ার ফজিলত এবং সালাতুল তাসবিহ নামাজের নিয়ম…!!

——————— সালাতুল তাসবীহ ——————
———————- 👇👇👇————————-

سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ خَمْسَ عَشْرَةَ

উচ্চারনঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার

অর্থঃ আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করিতেছি, এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আল্লাহ ব্যতীত কোন মা’বুদ নাই, তিনি সর্বশ্রষ্ঠ।

উৎসঃ {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-১২৯৯, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৩৮৭, সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীস নং-১২১৬, সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-৪৬৯৫}

বিস্তারিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) তাঁর চাচা সাইয়্যিদুনা আব্বাস (রা:) কে বলেন, আমি আপনাকে রহমতের কথা বলব? আমি আপনাকে পুরস্কারের কথা বলব? আমি আপনাকে প্রাপ্তির কথা বলব? আমি আপনাকে স্রষ্টার অনুগ্রহের কথা বলব? আমি আপনাকে সৃষ্টিকর্তার দয়া-অনুগ্রহ ও অনুকম্পার কথা বলব? যখন আপনি নামায-টি পড়বেন তখন আল্লাহতা’লা আপনার অতীত ও ভবিষ্যতের, নতুন ও পুরোনো , জানা এবং অজানা, ছোট-বড়, গুপ্ত ও প্রকাশিত সব পাপ মাফ করে দিবেন। তারপর নবীজী (দ:) সালাতুল তাসবীহ পড়ার পুরো ব্যাপারটি দেখিয়ে দিলেন এবং আরো বলেন, যদি পারেন তবে এই নামাজ দিনে একবার পরবেন, নাহলে প্রতি জুমআর দিনে , যদি তাও না পারেন তবে মাস এ একবার, আর তাও না সম্ভব হলে বছর এ একবার, আর এটাও যদি সম্ভব না হয় তবে পুরো জীবদ্দশায় একবার।

***কিভাবে সালাতুল তাসবীহ পড়তে হয়?***

>>জাওয়াল, সুর্যাস্ত, সূর্যোদয়, নামায এর জন্য নিষিদ্ধ ও মাকরুহ সময় বাদে দিন অথবা রাতের যেকোন সময় একবারে চার রাকাত এ এই নামায আদায় করতে হয়।

>>সালাতুল তাসবীহ তে যে তাসবীহ পড়তে হবেঃ
“সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার”

>>বিস্তারিত নিয়মঃ
নিম্নোক্ত উপায়ে পুরো চার রাকাত এ মোট ৩০০ বার উপর্যুক্ত তাসবীহ পড়তে হবে>

1. ১ম রাকাত এ সানা পড়ার পরে তাসবীহ টি ১৫ বার পড়তে হবে
2. তারপর স্বাভাবিক নিয়মে সুরা ফাতিহা ও অন্য আরেকটি সুরা অথবা অন্তত তিন আয়াত পড়ার পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে ।
3. এরপর রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবীহ পরার পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে
4. এরপর কিয়াম এ গিয়ে”রাব্বানা লাকাল হামদ”পড়ার পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে ।
5. এরপর সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে ।
6. প্রথম সিজদা থেকে বসে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে ।
7. এরপর আবার সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পরে তাসবীহ টি ১০ বার পড়তে হবে ।
8. তারপর একই ভাবে ২য় রাকাত পড়তে হবে, কিন্তু ২য় রাকাত এ সুরা ফাতিহা পড়ার আগে তাসবীহ টি ১৫ বার পড়তে হবে ।
9. অতপর ২য় রাকাত এর ২য় সিজদার পর”আত্তহিয়্যাতু পড়ার পরে সালাম না ফিরিয়ে , ১ম রাকাত এর মতো ৩য় রাকাত শুরু করতে হবে (তাসবীহ টি ১৫ বার পড়ে স্বাভাবিক নিয়মে সুরা ফাতিহা ও অন্য আরেকটি সুরা পড়তে হবে) একই প্রক্রিয়া পরবর্তী ২রাকাত শেষ করতে হবে।

হাঁসি-ঠাট্টার মাঝেও মিথ্যা বলা যাবে নাহ .. মিথ্যা সর্বাবস্থায় হারাম।।

মিথ্যা ইসলামে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হারাম গোনাহগুলির অন্যতম। মিথ্যা বলা মুনাফিকের অন্যতম চিহ্ন। মিথ্যা সর্বাবস্থায় হারাম। সবচেয়ে জঘন্যতম মিথ্যা হলো আল্লাহ বা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামে, হাদীসের নামে বা ধর্মের নামে মিথ্যা বলা। এরপর জঘন্য মিথ্যা হলো মিথ্যার মাধ্যমে কোনো মানুষের অধিকার নষ্ট করা, সম্পদ দখল করা বা মিথ্যা কথা বলে কিছু বিক্রয় করা। বিভিন্ন হাদীসে এরূপ কর্মের জন্য কঠিন অভিশাপ ও কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে।

ইসলামে হাসি-মস্করা, আনন্দ ও বিনোদনকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কিন্ত সে জন্য মিথ্যা বলা বৈধ করা হয় নি।রাসুলুল্লাহ (সাঃ) হাঁসি-মস্করা করতেন, কিন্তু মিথ্যা পরিহার করতেন। এক বৃদ্ধাকে বলেন, কোনো বুড়ো মানুষ তো জান্নাতে যাবে না। এতে বেচারী কান্নাকাটি শুরু করে। তখন তিনি বলেন, বুড়োবুড়িকে আল্লাহ জোয়ান বানিয়ে জান্নাতে দিবেন। অপর একব্যক্তি তাঁর কাছে এসে সফরের জন্য একটি উট চান। তিনি বলেন, তোমাকে আমি একটি উটনীর বাচ্চা দিব।

লোকটি হতাশ হয়ে বলে, বাচ্চাতে আমার কি হবে? তিনি বলেন, সকল উটই তো উটনীর বাচ্চা। এরূপ অনেক ঘটনা হাদীসে রয়েছে। সাহাবীগণও হাসি-মস্করা করতেন, তবে মিথ্যা বর্জন করতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: «وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ بِالحَدِيثِ لِيُضْحِكَ بِهِ القَوْمَ فَيَكْذِبُ، وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ» ‘‘যে ব্যক্তি মানুষ হাসানোর জন্য মিথ্যা বলে তার জন্য ধ্বংস! তার জন্য ধ্বংস! তার জন্য ধ্বংস!’’ তিরমিযী, আস-সুনান ৪/৫৫৭; হাদীস নং ২৩১৫; আবূ দাউদ, আস-সুনান ৪/২৯৭; হাদীস নং ৪৯৯০। অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, «أَنَا زَعِيمٌ بِبَيْتٍ فِي رَبَضِ الْجَنَّةِ لِمَنْ تَرَكَ الْمِرَاءَ وَإِنْ كَانَ مُحِقًّا، وَبِبَيْتٍ فِي وَسَطِ الْجَنَّةِ لِمَنْ تَرَكَ الْكَذِبَ وَإِنْ كَانَ مَازِحًا وَبِبَيْتٍ فِي أَعْلَى الْجَنَّةِ لِمَنْ حَسَّنَ خُلُقَهُ» ‘‘যে ব্যক্তি সর্বদা মিথ্যা বর্জন করে, মস্করা বা কৌতুক করতেও মিথ্যা বলে

না, তার জন্য জান্নাতের মধ্যদেশে একটি বাড়ির জন্য আমি দায়িত্ব গ্রহণ করলাম।’’ আবূ দাউদ, আস-সুনান ৪/২৫৩; হাদীস নং ৪৮০০। মস্করা বা কৌতুকচ্ছলে কাউকে ভয় পাইয়ে দেওয়াও জায়েয নয়। এক সফরে সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ -এর সাথে ছিলেন। একজন সাহাবী ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তখন অন্য একজন গিয়ে তার রশিটি নিয়ে আসেন। এতে ঘুমন্ত ব্যক্তি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে উঠে পড়েন। তার ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থা দেখে সাহাবীগণ হেসে উঠেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা হাসছ কেন? তারা ঘটনাটি বললে তিনি বলেন: «لَا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يُرَوِّعَ مُسْلِمًا» ‘‘কোনো মুসলিমের জন্য বৈধ নয় যে, সে অন্য মুসলিমকে ভয় পাইয়ে দিবে।’’ আবূ দাউদ, আস-সুনান ৪/৩০১;হাদীস নং ৫০০৪।

আমরা অনেক সময় কৌতুকভরে বা ভুলানোর জন্য শিশুদের সাথে মিথ্যা বলি। অথচ এরূপ মিথ্যাও মিথ্যা এবং গোনহের কাজ। শুধু তাই নয়, এরূপ মিথ্যার মাধ্যমে আমরা শিশুদেরকে মিথ্যায় অভ্যস্ত করে তুলি এবং মিথ্যার প্রতি তাদের ঘৃণা ও আপত্তি নষ্ট করে দিই। কিশোর সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু আমির বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ  আমাদের বাড়িতে বসা ছিলেন, এমতাবস্থায় আমার মা আমাকে ডেকে বলেন, এস তোমাকে একটি জিনিস দিব। রাসূলুল্লাহ  বলেন, তুমি তাকে কি দিতে চাও? তিনি বলেন: আমি তাকে একটি খেজুর দিতে চাই। রাসূলুল্লাহ  বলেন: «أَمَا إِنَّكِ لَوْ لَمْ تُعْطِهِ شَيْئًا كُتِبَتْ عَلَيْكِ كِذْبَةٌ» ‘‘তুমি যদি তাকে কিছু না দিতে তবে তোমার নামে একটি মিথ্যার গোনাহ লেখা হতো।’’ আবূ দাউদ, আস-সুনান ৪/২৯৮; হাদীস নং ৪৯৯১।

নিজের সাথে নিজে মিথ্যা বলাও বৈধ নয়। আর এজন্যই কেউ যদি নিজের মনে শুধু নিজের জন্যই কোনো বিষয়ের কসম করে যে, আমি অমুক কাজটি করব বা করব না, কিন্তু পরে তার ব্যক্তিগত কসম না রাখতে পারে তবে তাকে কসমের কাফ্‌ফারা দিতেই হবে। কাজেই নিজের মনে নিজের জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা পূরণ করুন, নিজের মনকে মিথ্যায় অভ্যস্ত করবেন না। শুধু নিশ্চিত মিথ্যাই নয়, মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনা আছে এরূপ কথা বলতে বা যা কিছু শোনা যায় সবই বলাবলি করতে নিষেধ করেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।

তিনি বলেন: «كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ» ‘‘একজন মানুষের মিথ্যাবাদি হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনবে তাই বলবে।’’ মুসলিম, আস-সহীহ ১/১০-১১; এ অপরাধটি আমরা সকলেই করি। ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র, বিশ্ব ইত্যাদি সম্পর্কে মুখরোচক গল্প, গণমাধ্যমের খবর ইত্যাদি যা কিছু শুনি তাই বলি। অথচ বিষয়টি সঠিক কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে কথা বলা ঠিক নয়। যদি কোনো মানুষের ব্যক্তিগত মর্যাদাহানী বা গীবত জাতীয় কিছু না হয়, তবে সে ক্ষেত্রে বড়জোর বলা যেতে পারে যে, অমুক একথা বলেছে বলে শুনেছি, সত্য মিথ্যা বলতে পারি না। সর্বদা সত্য বলুন।

সত্যপ্রীতি আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: «عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ، فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ، وَإِنَّ الْبِرَّ يَهْدِي إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَصْدُقُ وَيَتَحَرَّى الصِّدْقَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللهِ صِدِّيقًا، وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ، وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَكْذِبُ وَيَتَحَرَّى الْكَذِبَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللهِ كَذَّابًا» ‘‘তোমরা সর্বদা সত্য আঁকড়ে ধরবে; কারণ সত্য পুণ্যের দিকে ধাবিত করে আর পুণ্য জান্নাতে নিয়ে যায়।

একজন মানুষ যখন সর্বদা সত্য বলতে থাকে এবং সত্য বলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে তখন সে এক পর্যায়ে আল্লাহর কাছে ‘‘সিদ্দীক’’ বা মহাসত্যবাদী বলে লিখিত হয়ে যায়। আর তোমরা মিথ্যা সর্বোতভাবে বর্জন করবে। কারণ মিথ্যা পাপের পথে পরিচালিত করে এবং পাপ জাহান্নামে নিয়ে যায়। একজন মানুষ যখন মিথ্যা বলে এবং মিথ্যা বলার সুযোগ খুঁজে বেড়ায় তখন সে এক পর্যায়ে আল্লাহর নিকট মহামিথ্যাবাদী বলে লিখিত হয়ে যায়। মুসলিম, আস-সহীহ , হাদীস নং- ২৬০৭।

ভয়ংকর ‘ডন’ রূপে রজনীকান্ত……’কালা’র পোস্টার প্রকাশ …।।

ছবির নাম ‘কালা’। ভয়ংকার ডন চরিত্রে এ ছবিতে আসছেন ভারতের ছবির সুপার পারসনালিটি রজনীকান্ত, যিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। আর এ ছবিতে তাঁর সঙ্গে আছেন কন্যা ঐশ্বর্য।

আগামী মাসের ১ তারিখে আসবে ছবিটির টিজার, তার আগে ছবিটির একটি পোস্টার মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ছবির পোস্টারটি নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে শেয়ার করে ধানুষ লেখেন, আপনারা সবাই তো এ খবরটির জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। ‘কালা’র টিজার আসছে ১ মার্চ। তৈরি হয়ে নিন আমাদের ‘ওয়ান অ্যান্ড ওনলি’ মহাতারকাকে এক অন্য রূপে দেখার জন্য।

পোস্টারে পুরো কালো পোশাকে দেখা যাবে রজনীকান্তকে। সেই সাথে তাঁর দুর্দান্ত প্রফেশনাল ‘ডন’ লুক।