ম্যাচ বাঁচাতে লড়াই করছে বাংলাদেশ…।।

গতকাল চতুর্থ দিনের খেলায় ৮১ রান সংগ্রহ করতেই তিনটি উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল টাইগাররা। তবে আজ চট্টগ্রাম টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে লঙ্কান বোলারদের ভালোভাবেই মোকবিলা করছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এই প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশের স্কোর: ২২৭/৩।

মুমিনুল – ৯৫
লিটন – ৬২

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৫১৩ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা স্কোরবোর্ডে জমা করেছিল ৭১৩ রান। পেয়েছিল ২০০ রানের বড় লিড।

দুদিন ধরে লাগাতার ফিল্ডিংয়ের পর ব্যাট হাতে বাংলাদেশের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি। ইনিংসের ১৫তম ওভারে ১৯ রান করে সাজঘরমুখী হয়েছেন ইমরুল কায়েস। ২২তম ওভারে ৪১ রান করে তামিমও ধরেছেন সাজঘরের পথ। দিনের শেষপর্যায়ে আউট হয়ে গেছেন নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমও।

মুসলমান হলে জেনে নিন – ‘চলন্ত ট্রেনে নামাজ আদায়ের পদ্ধতি’ ।

যেহেতু আমাদের দেশের বেশিরভাগ রেললাইন মিটার গেজ- তাই ট্রেন চলার সময় বেশি ঝাঁকুনি দেয়, ফলে ট্রেন চলা অবস্থায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়া অনেকের জন্য মুশকিলের কারণ হয়। কারণ ট্রেনের ঝাঁকুনির দরুণ পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। এ ছাড়া নামাজ অবস্থায় ট্রেন দিক পরিবর্তন করলে কেবলা ঠিক রাখা যায় না। এমতাবস্থায় অনেকেই নামাজ আদায় নিয়ে খুব চিন্তিত থাকেন।

উল্লেখিত সমস্যার ক্ষেত্রে ইসলামি স্কলারদের অভিমত হলো, সম্ভব হলে ফরজ নামাজ দাঁড়িয়ে আদায় করা ফরজ। তাই ট্রেনেও ভ্রমণকালে যথাসম্ভব দাঁড়িয়ে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করবে।

প্রয়োজনে কিছু ধরেও দাঁড়াতে পারবে। অবশ্য যদি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়া সম্ভব না হয়- তবে সেক্ষেত্রে বসে নামাজ পড়তে পারবে।
আর ট্রেনেও নামাজ শুরু করার সময় কেবলার দিক নিশ্চিত করে সেদিকে ফিরে নামাজ পড়তে হবে। অতপর নামাজ অবস্থায় ট্রেন ঘুরে যাওয়ার কারণে কেবলার দিক পরিবর্তন হয়ে গেলে নামাজি তা বুঝামাত্র কেবলার দিকে ঘুরে যাবে। কেবলার দিক পরিবর্তন হয়ে গেছে জানা সত্ত্বেও নামাজে কেবলার দিকে না ঘুরলে ওই নামাজ পুনরায় পড়ে নিতে হবে।
তবে শুরুতে কেবলামুখী হয়ে দাঁড়ানোর পর নামাজের ভিতর কেবলা পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে না পারার কারণে যদি ওইভাবেই নামাজ শেষ করে; তবে তার নামাজ আদায় হয়ে যাবে। উল্লেখ্য যে, চলন্ত ট্রেনে ওই সময় নামাজে দাঁড়ানো উচিত যখন ট্রেনটি একদিকে চলতে থাকে তাহলে নামাজের ভিতর কেবলা পরিবর্তন করতে হবে না।

রিকশা চালানো শুরু করেছেন বলিউডের কিং খান..!

রিকশা চালাচ্ছেন শাহরুখ, আর তার পেছনে যাত্রী ক্যাটরিনা কাইফ আর আনুশকা শর্মা। এরকমই একটা ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন এসআরকে।

ছবিতে চালকের আসনে থাকলেও টুইটে কিং খান লিখেছেন তার পেছনে বসা মেয়ে দুটিই তাকে এক রোমাঞ্চকর যাত্রা নিয়ে যাচ্ছেন। সেই যাত্রার নাম ‘জিরো’। হ্যা, শাহরুখ খানের নতুন ছবি, যেখানে তিনি একজন বামনের চরিত্রে অভিনয় করছেন। আর ক্যাটরিনা-আনুশকা সেই ছবিতে শাহরুখের সহশিল্পী।

স্বভাবতই জিরো ছবির প্রচারণার অংশ হিসেবে এই ছবি তোলা। যেখানে ব্যস্ত কোন বাজারের ভেতরে ধবধবে সাদা পোশাক পরে বসে আছেন বলিউডের তিন সুপারস্টার। জিরো ছবিটি মুক্তি পাবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের ২১ তারিখে।

চট্টগ্রাম টেস্টে চালকের আসনে লঙ্কানরা …।

টেস্টের চতুর্থ দিন শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ৪ উইকেটে ৬১২ রান করে ৯৯ রানের লিড নিয়েছে সফরকারীরা। অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমাল ৮৭ ও নিরোশান ডিকবেলা ২৯ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

তৃতীয় দিনের ৩ উইকেটে ৫০৪ রানের পুঁজি নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে লঙ্কাবাহিনী। পরে দলীয় ৫৫০ রানের মাথায় ১০৯ রান করা রোশন সিলভাকে সাজঘরে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ।

এর আগে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম টেস্টে শ্রীলংকার প্রথম ইনিংসে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি তুলে নেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান রোশেন সিলভা।

অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমালের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে তার শতরানের জুটিতে ভর করে টেস্টের প্রথম ইনিংসে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে লিড নেয় শ্রীলংকা।

খুব শীঘ্রই বিয়ে বলিউড তারকা সোনম কাপুরের …।।

আসছে জুনে দীর্ঘদিনের প্রেমিক আহুজাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন বলিউডের অভিনেতা অনিল কাপুরের মেয়ে।

এই বিয়ের বিষয়ে প্রথম দিকে বাবা অনিল কাপুর আহুজাকে নিয়ে কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। সব বাবাই মেয়েদের প্রেমিক নিয়ে প্রথম প্রথম একটু চিন্তায় থাকেন। কিন্তু অনিল কাপুর আর তাঁর স্ত্রী সুনিতা এখন আনন্দকে ঘরের ছেলে করে নিয়েছেন।

কাপুরদের যেকোনো পার্টিতে আনন্দের সাবলীল উপস্থিতি দেখে তা বেশ বোঝা যায়। এ ছাড়া সোনমের ছোট ভাই নায়ক হর্ষবর্ধন কাপুরের সঙ্গে নাকি হবু ভগ্নিপতির ভীষণ ভাব। তাই সোনম আর আনন্দের বিয়ে এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

মজার ব্যাপার হলো, জুন মাসেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে সোনম কাপুরের ছবি ‘ভিড়ে দি ওয়েডিং’। সোনমদের পারিবারিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের এই ছবির গল্প একটি বিয়েকে ঘিরে। আগামী ১ জুন ছবিটি মুক্তি পাবে ।

সম্প্রতি কলকাতার একটি গয়নার দোকানে সোনমকে কেনাকাটা করতেও দেখা গেছে। প্রত্যেক্ষ দর্শীদের মতে এ সময় তাঁর সঙ্গী ছিলেন আনন্দ আহুজার মা।

প্রথম ইনিংসে শেষপর্যন্ত ৫১৩ করল বাংলাদেশ…।

দ্বিতীয় দিনে শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। দিনের শুরুতেই হারিয়েছে তিনটি উইকেট। তবে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর লড়াকু ব্যাটিংয়ে ভর করে বাংলাদেশ পার করেছে ৫০০ রানের কোটা। শেষপর্যন্ত স্কোরবোর্ডে ৫১৩ রান জমা করে প্রথম ইনিংস শেষ করেছে টাইগাররা। ৮৩ রান করে শেষপর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনের প্রায় পুরোটা সময়ই দাপট দেখিযেছিলেন মুমিনুল হক। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করে তুলে নিয়েছিলেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্ট শতক। অপরাজিত ছিলেন ১৭৫ রানে।

দ্বিতীয় দিনের শুরুটা করেছিলেন দ্বিশতকের স্বপ্ন চোখে নিয়ে। তবে শেষ পর্যন্ত তেমনটা হলো না। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছে মুমিনুলকে। প্রথম দিনের সঙ্গে তিনি যোগ করতে পেরেছেন মাত্র ১ রান। খুব বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি মোসাদ্দেক হোসেন। ফিরে গেছেন মাত্র ৮ রান করে।

২০ রানের ইনিংস খেলে দুর্ভাগ্যবশত রানআউটের ফাঁদে পড়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অষ্টম উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে দিয়েছিরেন মাহমুদউল্লাহ ও সানজামুল ইসলাম। শেষ উইকেট জুটিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে সঙ্গে নিয়েও ৩৫ রান যোগ করেছেন মাহমুদউল্লাহ।

আয়াতুল কুরসি লেখা কাগজ ঘরে ঝুলিয়ে রাখা যাবে কি ?

পবিত্র কোরআনের ১১৪টি সূরার ৬৬৬৬টি আয়াতের সবই ফজিলতপূর্ণ। প্রত্যেকটি আয়াতের রয়েছে আলাদা আলাদা তাৎপর্য ও রহস্য। তার পরও সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত বলা হয়। আয়াতটি সমাজে আয়াতুল কুরসি নামে বেশি পরিচিত।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাঁধা থাকে না। -নাসাই শরিফ

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূরা বাকারায় একটি শ্রেষ্ঠ আয়াত রয়েছে, সেটি হলো আয়াতুল কুরসি। যে ঘরে এটি পাঠ করা হবে সেখান থেকে শয়তান পালাতে থাকে। -মুসতাদরাকে হাকিম

আয়াতুল কুরসির এমন ফজিলতের কথা ভেবে অনেকেই ঘরে আয়াতুল কুরসির লিখিত কাগজ বাঁধাই করে ঝুলিয়ে রাখেন। অনেকে এটাকে খুব গুরুত্বও দেন। কিন্তু এভাবে ঘরে আয়াতুল কুরসি লিখিত কাগজ বাঁধাই করে রাখার আলাদা কোনো উপকারিতা, সুফল কিংবা ফজিলত নেই।

ইসলামি স্কলারদের অভিমত হলো, আয়াতুল কুরসি কোরআনে কারিমের একটি আয়াত বৈ অন্য কিছু নয়। কোরআনে কারিমে এ ছাড়া আরও আয়াত রয়েছে। মুসলমানের ঘরে ঘরে রয়েছে কোরআন। মনে রাখবে, কোরআন ঘরে রাখার মাঝে আলাদা কোনো ফজিলত নেই। ঘরে রাখা কোরআনে কারিম তেলাওয়াত করলেই কেবল ঘরে কোরআন রাখা স্বার্থক হবে। কোরআন তেলাওয়াত না করে কোথাও কোরআনের আয়াত লিখে তা ঝুলিয়ে রাখার কথা বলা হয়নি।

যেহেতু ঘরে কোরআন রয়েছে, তাহলে আবার আয়াতুল কুরসি লিখে বিশেষভাবে ঝুলিয়ে রাখা কেন? এটা আসলে দৃষ্টিভঙ্গিগত বিষয়। এমন কাজ শুদ্ধ নয়, সঠিক কাজ নয়।

আর যদি কোনো ধরনের প্রভাব থেকে ঘরকে মুক্ত রাখার নিয়তে এমন কাজ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উত্তম হলো- কোরআনে কারিমের এই আয়াত তেলাওয়াত করা। আয়াতুল কুরসি বেশি বেশি করার অনেক ফজিলত।

যদি নিরাপত্তার জন্য এবং কোনো ধরনের প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য এ আয়াত তেলাওয়াত করতে হয়, তা যথাসম্ভব উচ্চআওয়াজে তেলাওয়াত করা। এভাবে কোরআন তেলাওয়াত করে ফায়দা নেওয়া। তেলাওয়াত না করে তা শুধু লিখে রাখার আলাদা কোনো ফজিলত নেই।

কোরআন তেলাওয়াত না করলে, কোরআনের বিধান না মানলে শুধু আয়াতুল কুরসি কেন- পুরো কোরআন লিখে ঝুলিয়ে রাখলেও এর মাধ্যমে কোনো সওয়াব হবে না। এমন কাজ সমাজের মানুষে আবেগের বশে করে থাকে।

আল্লাহর কালাম তো অবতীর্ণ হয়েছে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে। এর কাজ কী হবে, এর হক কী হবে- এগুলো স্পষ্ট করে আল্লাহতায়ালা জানিয়ে দিয়েছেন। সেগুলো না করে কোরআন কিংবা কোরআনের আয়াতের এমন ব্যবহার মূলত কোরআনে কারিমকে অবমাননা ছাড়া আর কিছুই নয়। এ কাজ থেকে সবার বিরত থাকা আবশ্যক।

আজ থেকে শুরু হল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

এবারের এসএসসিতে ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রশ্ন ফাঁস হওয়া আটকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের সাড়ে ৯টার মধ্যে কেন্দ্রে হাজির হয়ে যার যার আসনে বসতে হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রথম দিনের পরীক্ষা শুরু হয়।

প্রথম দিন এসএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র, সহজ বাংলা প্রথমপত্র এবং বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংষ্কৃতি বিষয়ের পরীক্ষা চলছে।

এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এসএসসি ভোকেশনালে বাংলা-২ (১৯২১) বিষয়ের পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

এসএসসি ও সমামানের পরীক্ষায় গতবছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন। আর এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৯ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসেবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার ২৮৬ জন।

সুন্নাতে খাৎনা উপলক্ষে অনুষ্ঠান করা যাবে কি ?? ইসলাম কি বলে ??

সুন্নাতে খাৎনা উপলক্ষে অনুষ্ঠান করার বিধান —
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমাদের সমাজে তো আজকাল খাৎনা উপলক্ষে বিশাল বিশাল অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। আত্মীয়-স্বজনসহ সকলকে দাওয়াত দেয়া হয় সাথে সাথে কার্ড ছাপানো হয় আর যারা ধনী আছে তারা তো এই অনুষ্ঠানে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে থাকে। এই বিষয়ে ইসলাম কী বলে?

খাৎনার অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং এর দাওয়াতও খাওয়া যাবে না। কারণ এগুলো কুসংস্কার, যা সমাজ থেকে তুলে দেয়া যরূরী। খাৎনা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত এবং ইসলামী নিদর্শন সমূহের অন্যতম। যা সন্তানের অভিভাবককে পালন করতে হবে। যেখানে কোন প্রচার থাকবে না বা কোন অনুষ্ঠান থাকবে না। রাসূল ও ছাহাবীগণ এর জন্য কোন অনুষ্ঠান করেননি।

খাৎনা উপলক্ষে লোকদের দাওয়াত করে খাওয়ানো হচ্ছে বিদআত। হযরত উসমানকে (রা) জনৈক ব্যক্তি খাৎনার দাওয়াত দিলে তিনি সেখানে যেতে অস্বীকার করেন এবং বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) -এর যুগে এ ধরণের কোনো অনুষ্ঠানের অস্তিত্ব ছিলো না। [ইমদাদুল মুফতীন ১২১]